বুধবার ৬ই মে, ২০২৬ ইং ২৩শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
চন্দ্রগঞ্জে খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন চন্দ্রগঞ্জে যুবদলের কর্মী সম্মেলনে নুর হোসেন হারুন সভাপতি পদে এগিয়ে চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদলের কর্মী সম্মেলন কাল : সাধারণ সম্পাদক পদে লড়ছেন রিপন চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন কৃষকদলের ৫১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা গণমাধ্যম সপ্তাহের স্বীকৃতিসহ সাংবাদিকদের ১৪ দফা দাবি, কর্মসূচি ঘোষণা লক্ষ্মীপুরে ১৪৪ ধারা ভেঙে মিছিল :   বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জুলাই যোদ্ধা ফোর্সের সংঘর্ষ : পুলিশসহ আহত ১০ চট্টগ্রাম বিভাগীয় শ্রমিক দলের সদস্য হলেন মনির আহম্মদ রাজন কফিলউদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন ঈদের আগে অস্থির মুরগির বাজার, সবজিতে স্বস্তি আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা

গণতন্ত্র ফেরানোর ফয়সালা হবে রাজপথে

আকাশবার্তা ডেস্ক : 

ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের উদ্দেশে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেছেন, জনগণের প্রতিপক্ষ হয়ে ঘৃণিত হবেন না। জোরজবরদস্তি করে ক্ষমতায় টিকে থাকা যায় না। একবার ক্ষমতাচ্যুত হয়ে ২১ বছর ক্ষমতায় আসতে পারেননি। এবার যে অত্যাচার-নিপীড়ন করছেন এটা বন্ধ না হলে আর কত ২১ বছর লাগবে সেটা কে জানে। নেতাকর্মীদের রাজপথে লড়াই-সংগ্রামের জন্য প্রস্তুতি নেয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, গণতন্ত্রকে ফিরিয়ে আনার ফয়সালা হবে রাজপথে।

শুক্রবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বিকালে মোহাম্মদপুর ৪০ ফুট মেইন রোডে এক সমাবেশে এসব কথা বলেন তিনি। ঢাকা উত্তর বিএনপির মোহাম্মদপুর জোনের উদ্যোগে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

নজরুল ইসলাম খান বলেন, আগামী দিনের যে লড়াই, সেই লড়াইয়ে অবশ্যই আমরা জয়ী হবো। গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার আন্দোলনে জনগণ আমাদের সঙ্গে ছিল এবারো জনগণ আমাদের সঙ্গে রয়েছে।

তিনি বলেন, আমাদের কর্মীদের খুন করা হচ্ছে, তাতে কি বিএনপির জনসভায় বা আন্দোলনে জনগণের উপস্থিতি কম রয়েছে? লোক কমছে? কমেনি কখনো, এটাই ইতিহাস।

আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্যদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আপনারা বিনা ভোটে অবৈধভাবে ক্ষমতায় বসে না থেকে পদত্যাগ করুন, এই সংসদ বাতিল করে দেন। তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রতিষ্ঠা করেন। নতুন নির্বাচন কমিশন গঠন হবে, তাদের মাধ্যমে নির্বাচন হবে, সেই নির্বাচনে জনগণ যাকে ভোট দেবে তারাই সরকার প্রতিষ্ঠা করবে। তারা হবে জনগণের সরকার।

নজরুল ইসলাম খান বলেন, সরকারের দুর্নীতি আর দুঃশাসনের কারণে নতুন করে সরকার সমর্থক কয়েক হাজার কোটিপতি হয়েছেন। কিন্তু প্রায় ৪ কোটি মানুষ নতুন করে দরিদ্র হয়েছেন। আজ যারা ক্ষমতায়, এরাই ১৯৭৫ সালে গণতন্ত্রকে জবাই করে এক দলীয় বাকশাল প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। সেই বাকশালের গোরস্থান উপর বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন জিয়াউর রহমান। ১৯৮২ সালে গণতন্ত্রকে হত্যা করে স্বৈরাচারী এরশাদ ক্ষমতা দখল করেছিলেন। গণতন্ত্রকে হত্যা করেছিলেন। নয় বছর লড়াই করে খালেদা জিয়া বাংলাদেশে পুনরায় গণতন্ত্র ফিরিয়ে এনেছিলেন।

সমাবেশে বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীরা খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে অংশ নেন। সমাবেশে অনেকেই বাঁশের লাঠি নিয়েও অংশ নিয়েছেন। বাঁশের লাঠি হাতে নিয়ে সমাবেশে যারা অংশ নিয়েছেন, তারা লাঠিতে বাংলাদেশের পতাকা বেঁধে রেখেছেন।

ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি আহ্বায়ক আমানউল্লাহ আমানের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব আমিনুল হকের সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা আব্দুস সালাম, আতাউর রহমান ঢালী, সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস জাহান শিরিন, যুগ্ম মহাসচিব খাইরুল কবির খোকন, বিএনপি নেতা নাজিমুদ্দিন আলম, তাবিথ আউয়াল প্রমুখ।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

মে ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« এপ্রিল    
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১