শনিবার ১৮ই এপ্রিল, ২০২৬ ইং ৫ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
লক্ষ্মীপুরে ১৪৪ ধারা ভেঙে মিছিল :   বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জুলাই যোদ্ধা ফোর্সের সংঘর্ষ : পুলিশসহ আহত ১০ চট্টগ্রাম বিভাগীয় শ্রমিক দলের সদস্য হলেন মনির আহম্মদ রাজন কফিলউদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন ঈদের আগে অস্থির মুরগির বাজার, সবজিতে স্বস্তি আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা ফ্লাইট বাতিলে ভিসার মেয়াদ শেষ হলে সহায়তা করবে সরকার চন্দ্রগঞ্জে অস্ত্র-গুলিসহ ৩ ডাকাত গ্রেপ্তার চন্দ্রগঞ্জ প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়ার মাহফিল ভূমিকম্প মোকাবিলায় ঢাকায় ১ লাখ স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুতের নির্দেশ ইসরায়েলে ও যুক্তরাষ্ট্রে এমন হামলা হবে, যা তারা আগে কখনো দেখেনি

১ লাখ ১৬ হাজার পশু কোরবানির জন্য মজুদ

আকাশবার্তা ডেস্ক :

কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে জয়পুরহাট জেলায় খামারিদের কাছে ১ লাখ ১৬ হাজার ৬২৫টি পশু মজুদ রয়েছে। যা জেলার চাহিদা মিটিয়ে অতিরিক্ত ৩৬ হাজার পশু দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করা সম্ভব হবে। জেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগ ও খামারি সূত্রে জানা যায়, জেলায় ছোট বড় মিলে ১৫ হাজার ১৯৩টি পশুর খামার রয়েছে।

এতে বিক্রয় উপযোগী মজুদ পশুর সংখ্যা হচ্ছে ষাঁড় ১৩ হাজার ৮৩৩টি, বলদ ১০ হাজার ৭৯৬টি, গাভী ১২ হাজার ৫৭৭টি, ছাগল ৬৭ হাজার ৯০৮টি ও ভেড়া রয়েছে ১১ হাজার ৫১১টি। জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর এবার কোরবানির জন্য ৮০ হাজার পশু চাহিদা নির্ধারণ করেছে। মজুদ পশুর সংখ্যা হচ্ছে ১ লাখ ১৬ হাজার ৬২৫ টি। চাহিদার তুলনায় অতিরিক্ত পশু রয়েছে ৩৬ হাজার ৬২৫টি। যা দেশেরে অন্যান্য জেলায় সরবরাহ করা সম্ভব হবে বলে জানান জেলা ভারপ্রাপ্ত প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. রুস্তম আলী।

জেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগ জানায়, পাঁচ উপজেলা মিলে জেলায় ২১টি পশুর হাট রয়েছে। এরমধ্যে বড় হাট হচ্ছে জয়পুরহাটের নতুনহাট ও পাঁচবিবি গো-হাটি। উত্তরাঞ্চলের সবচেয়ে বড় কোরবানির পশুর হাট বসে মঙ্গলবার পাঁচবিবিতে আর নতুনহাটে শনিবার। পশুর হাট গুলোতে এখনও তেমন কেনা বেচা শুরু না হলেও ঢাকা, সিলেট ও চট্টগ্রামের পাইকারী ক্রেতারা কিছু কিছু কিনছেন বলে জানা গেছে। গরু ঢাকা পাঠাতে খরচ পড়ছে প্রতি গরু ১ হাজার টাকা ট্রাক ভাড়া।

বর্তমান বাজারে ১শ’ কেজি মাংস হবে এমন গরু বিক্রি হচ্ছে ৪৫ থেকে ৫০ হাজার টাকার মধ্যে। সদর উপজেলার পারুলিয়া মনি ডেইরী খামারে এবারের কোরবানির জন্য দেশীয় জাতের ৬৫ টি মজুদ রয়েছে। দেশীয় প্রযুক্তির ব্যবহার ও প্রাণিসম্পদ বিভাগের পরামর্শে খাওয়ানো হয় খুদের ভাত, ভূষি, খড়। গরু বিক্রি করে খরচ বাদে এবার ৪/৫ লাখ টাকা আয় করবেন এমন আশা করছেন খামারি মোজাহেদুল ইসলাম রানা। এ ছাড়াও সবুজনগর এলাকার নুরল ইসলামের খামারে ৪০ টি, হালট্টি গ্রামের আব্দুল কাদেরের খামারে ২৫ টি পশু বিক্রির জন্য প্রস্তুত রয়েছে বলে জানা যায়।

কোরবানির পশুর হাট গুলোতে ভেটেনারী সার্জনের নেতৃত্বে ৩ সদস্য বিশিষ্ট্য মেডিক্যাল টীম কাজ করবে এবং ক্রেতা-বিক্রেতাদের সচেতনতার জন্য জেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগ থেকে লিফলেট বিতরণ করা হচ্ছে বলে জানান ডা. রুস্তম আলী। খাদ্যে ভেজাল না দেয়ার জন্য ফিড মিল মালিকদের সঙ্গে বৈঠকসহ অসুস্থ পশু যাতে বাজারে না আসে সে জন্য নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। জয়পুরহাট জেলায় পশু মোটাতাজা করার জন্য স্টেরয়েড প্রয়োগ করা হয়না বলেও জানায় পশু সম্পদ বিভাগ।

জয়পুরহাট জেলায় পশু সম্পদের উন্নয়নে ২০১৬-২০১৭ অর্থ বছরে প্রাণিসম্পদ খাতে ৪ শ ৬৯ খামারির মধ্যে ৪ কোটি ৮৫ লাখ ৪৪ হাজার টাকা ঋণ বিতরণ করেছে রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক।

সূত্র : আমার সংবাদ/আকাশবার্তা।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

এপ্রিল ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« মার্চ    
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০