রবিবার ২৬শে এপ্রিল, ২০২৬ ইং ১৩ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
গণমাধ্যম সপ্তাহের স্বীকৃতিসহ সাংবাদিকদের ১৪ দফা দাবি, কর্মসূচি ঘোষণা লক্ষ্মীপুরে ১৪৪ ধারা ভেঙে মিছিল :   বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জুলাই যোদ্ধা ফোর্সের সংঘর্ষ : পুলিশসহ আহত ১০ চট্টগ্রাম বিভাগীয় শ্রমিক দলের সদস্য হলেন মনির আহম্মদ রাজন কফিলউদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন ঈদের আগে অস্থির মুরগির বাজার, সবজিতে স্বস্তি আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা ফ্লাইট বাতিলে ভিসার মেয়াদ শেষ হলে সহায়তা করবে সরকার চন্দ্রগঞ্জে অস্ত্র-গুলিসহ ৩ ডাকাত গ্রেপ্তার চন্দ্রগঞ্জ প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়ার মাহফিল ভূমিকম্প মোকাবিলায় ঢাকায় ১ লাখ স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুতের নির্দেশ

আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে চিনি-সয়াবিন

অর্থ বাণিজ্য ডেস্ক : 

দর বেঁধে দেয়ার পরও ক্রেতাকে বাড়তি দামেই কিনতে হচ্ছে খোলা চিনি ও সয়াবিন তেল। সরকার ও আমদানিকারকদের নির্ধারিত দরের চেয়ে খুচরা বাজারে চিনি কেজিতে সর্বোচ্চ ৫ টাকা এবং সয়াবিন লিটারে ৪ থেকে ৫ টাকা বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। পাশাপাশি নতুন করে ফের দাম বাড়ার তালিকায় উঠেছে আটা, মুরগি ও পেঁয়াজ। অন্যদিকে আগে থেকে বেড়ে যাওয়া দামেই বিক্রি হচ্ছে চাল ও সবজি।

ভোজ্যতেল আমদানি ও পরিশোধনকারী কোম্পানিগুলো গত ৩ অক্টোবর খোলা সয়াবিন তেলের লিটার ১৫৮, বোতলজাত এক লিটার সয়াবিন তেলের দাম ১৭৮ এবং ৫ লিটারের বোতলের দাম ৮৮০ টাকা নির্ধারণ করে দেয়। এর তিন দিন পর চিনি ব্যবসায়ীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ৬ অক্টোবর কেজিতে ৬ টাকা বাড়িয়ে খোলা চিনি ৯০ এবং প্যাকেটজাত চিনির দর ৯৫ টাকা নির্ধারণ করে। তবে কিছু জায়গায় নির্ধারিত এ দরে বোতলজাত সয়াবিন ও প্যাকেটজাত চিনি বিক্রি হলেও খোলা চিনি ও সয়াবিন তেল বিক্রি হচ্ছে বেশি দামে।

বৃহস্পতিবার ( ১৩ অক্টোবর ) রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, খুচরা পর্যায়ে প্রতি কেজি খোলা চিনি বিক্রি হচ্ছে ৯০ থেকে ৯৫ টাকা। খোলা সয়াবিন তেলের লিটার বিক্রি হচ্ছে ১৬৩ থেকে ১৬৪ টাকা।

এক বিক্রয়কর্মী বলেন, পাইকারি পর্যায়ে চিনির বস্তায় ৫০ থেকে ১০০ টাকা বেড়েছে। প্রতি কেজি চিনি এখন তাঁর কেনা পড়ে ৯০ থেকে ৯২ টাকা। ফলে ৯৪ বা ৯৫ টাকার কমে তিনি চিনি বিক্রি করতে পারছেন না।

আরো এক বিক্রয়কর্মী চিনির দামের বিষয়ে প্রায় একই কথা বলেন, খোলা চিনি ৯০ টাকার বেশি কেনা পড়ে বলে তিনি প্যাকেটজাত চিনি বিক্রি করছেন। এখন কোম্পানিগুলোর প্রতিনিধিরা এ মানের চিনির দামও বাড়তে পারে বলে ইঙ্গিত দিচ্ছেন।

মালিবাগ বাজারের বিক্রয়কর্মী বলেন, আটার দাম কিছুটা বেড়েছে। কিছু কিছু কোম্পানির দুই কেজি আটার প্যাকেটের নতুন দর নির্ধারণ করেছে ১২২ ও ১২৬ টাকা। সে হিসাবে প্রতি কেজি আটার দাম পড়ছে ৬০ টাকার বেশি, যা এতদিন বিক্রি হয়েছে ৫৮ থেকে ৬০ টাকা। খোলা আটারও দাম বেড়েছে। এ মানের আটা পাইকারি পর্যায়ে ৫৫ টাকার মতো কেনা পড়ে। খুচরায় কেজিতে এর চেয়ে দুই-তিন টাকা বেশি দরে বিক্রি করতে হয়।

পেঁয়াজের দামও কিছুটা বাড়তি। গত সপ্তাহের চেয়ে কেজিতে পাঁচ টাকা বেড়েছে পণ্যটির দাম। বাজারে আমদানি করা পেঁয়াজ ৩৫ থেকে ৪৫ এবং দেশি পেঁয়াজ ৪৫ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ব্রয়লার মুরগির দাম আরও ১০ টাকা বেড়েছে কেজিতে। ১৭০ থেকে ১৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে ব্রয়লার। আর সোনালি জাতের মুরগি পাওয়া যাচ্ছে কেজি ২৮০ থেকে ৩২০ টাকায়।

ছয় মাস দাপট দেখানো মসুর ডাল এখন কিছুটা থিতু। কেজিতে ১০ থেকে ১৫ টাকা কমে আমদানি করা মসুর ৯৫ থেকে ১০০ এবং দেশি মসুর ডাল ১২৫ থেকে ১৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
ক্রেতার জন্য চাল ও সবজির বাজারে এখনও কোনো সুখবর নেই। আগের বাড়তি দরেই বিক্রি হচ্ছে চাল।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

এপ্রিল ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« মার্চ    
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০