আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে একটি মামলায় আদালতে হাজির না হয়ে দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন থাইল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইংলাক সিনাওয়াত্রা। শুক্রবার (২৫ আগস্ট)তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির সিদ্ধান্তের পর হঠাৎ করেই তিনি দেশ ছেড়ে পালানোর সিদ্ধান্ত নেন বলে তার দলীয় সূত্র জানিয়েছে। তবে তিনি থাইল্যান্ড ছেড়ে কোন দেশে পালিয়েছেন তা জানাতে পারেনি কেউ।
বিবিসি জানায়, শুক্রবার তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি সংক্রান্ত মামলার রায় দেয়ার কথা ছিল। কিন্তু অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে আদালতে হাজির না হয়ে সময় চান থাইল্যান্ডের সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী। তবে আদালত তার অসুস্থতার কারণ দেখানোয় সন্তুষ্ট হতে না পেরে আগামী তারিখেও তিনি হাজির হতে না পারলে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির সিদ্ধান্ত নেয়। আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই বিচার প্রক্রিয়া স্থগিত করে। এই মামলায় দোষী প্রমানিত হলে জেলসহ সারা জীবনের জন্য রাজনীতিতে নিষিদ্ধ হতে পারেন সিনাওয়াত্রা।
২০১৫ সালের মার্চ মাসে ইংলাকের বিরুদ্ধে চাল ক্রয় প্রকল্পে কয়েক বিলিয়ন ডলার ভর্তুকি দিয়ে সরকারি অর্থ অপচয় করার অভিযোগে মামলা হয়। সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছেন, তারা মনে করেন না ইংলাক অসুস্থ। ইংলাক মিথ্যা বলছ্নে কিংবা পালিয়ে আছেন। তাই আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর রায়ের নতুন দিন ধার্য করা হয়েছে।
সিএনএন এর খবরে বলা হয়, রায়ে ইংলাকের ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে এবং তিনি রাজনীতিতে আজীবন নিষিদ্ধ হতে পারেন। আদালতের এক বিতর্কিত আদেশে ২০১৪ সালের ২২ মে ক্ষমতাচ্যুত হন থাইল্যান্ডের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ইংলাক সিনাওয়াত্রা। তিনি ২০১১ সালে দেশটির প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন। স্বেচ্ছায় নির্বাসনে যাওয়া দেশটির সাবেক প্রধানমন্ত্রী থাকসিন সিনাওয়াত্রার বোন ইংলাক।