এজাহার সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি অভিযুক্তরা চন্দ্রগঞ্জ বাজারে সেলিমের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে এসে ২ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। এ ঘটনায় বিচারের জন্য গেলে সেলিমকে ধমক দিয়ে অভিযুক্তদেরকে দাবিকৃত টাকা দিতে বলে চেয়ারম্যান নুরুল আমিন। পরে ঘটনাটি স্থানীয় গন্যমান্যদের জানালে অভিযুক্তরা সেলিমের ওপর আরও ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে। ৫ এপ্রিল দুপুরে চন্দ্রগঞ্জ বাজারের যাত্রী চাউনি এলাকায় নুরুল আমিনসহ অভিযুক্তরা সেলিমের পথরোধ করে। এসময় তাদের দাবিকৃত ২ লাখ টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে সেলিমকে পিটিয়ে আহত করা হয়। একপর্যায়ে গলাটিপে তাকে হত্যার চেষ্টা করে অভিযুক্তরা। এসময় তার পকেটে থাকা ৫ হাজার টাকা ও প্রায় ২৩ হাজার টাকা মূল্যের একটি মোবাইলফোন ছিনিয়ে নেয় তারা। পরে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করে। ১০ দিনের মধ্যে চাঁদার টাকা না দিলে এবং ঘটনাটি নিয়ে বাড়াবাড়ি করলে তারা সেলিমকে হত্যার পর লাশ গুমের হুমকি দেয় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
সূত্র : কালের কন্ঠ অনলাইন।