শনিবার ২৫শে এপ্রিল, ২০২৬ ইং ১২ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
গণমাধ্যম সপ্তাহের স্বীকৃতিসহ সাংবাদিকদের ১৪ দফা দাবি, কর্মসূচি ঘোষণা লক্ষ্মীপুরে ১৪৪ ধারা ভেঙে মিছিল :   বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জুলাই যোদ্ধা ফোর্সের সংঘর্ষ : পুলিশসহ আহত ১০ চট্টগ্রাম বিভাগীয় শ্রমিক দলের সদস্য হলেন মনির আহম্মদ রাজন কফিলউদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন ঈদের আগে অস্থির মুরগির বাজার, সবজিতে স্বস্তি আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা ফ্লাইট বাতিলে ভিসার মেয়াদ শেষ হলে সহায়তা করবে সরকার চন্দ্রগঞ্জে অস্ত্র-গুলিসহ ৩ ডাকাত গ্রেপ্তার চন্দ্রগঞ্জ প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়ার মাহফিল ভূমিকম্প মোকাবিলায় ঢাকায় ১ লাখ স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুতের নির্দেশ

বেড়েই চলছে পেঁয়াজের দাম

অর্থ বাণিজ্য ডেস্ক :

ভারত সরকার পেঁয়াজ রপ্তানিতে ৪০ শতাংশ শুল্কারোপের ঘোষণার পরপরই অস্থির হয়ে উঠেছে বাংলাদেশের পেঁয়াজ বাজার। গত তিনদিনের ব্যবধানে ভারতীয় পেঁয়াজের দাম বেড়েছে ২০ টাকা।

মঙ্গলবার শান্তিনগর ও মালিবাগ বাজার ঘুরে দেখা গেছে প্রতি কেজি আমদানি করা পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৭৫ থেকে ৮০ টাকায়, যা গত শনিবার ছিল ৫৫ থেকে ৬০ টাকা। তবে অন্যদিকে আমদানি করা পেঁয়াজের সঙ্গে সঙ্গে দেশি পেঁয়াজ প্রতি কেজি ৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। যা গত শনিবার ও ছিল ৮০ টাকা।

রাজধানীর মালিবাগ বাজারের পেঁয়াজ বিক্রেতা সোহেল মিয়া বলেন, দেশি পেঁয়াজ ও আমদানি করা পেঁয়াজের দাম গত দুদিনে ১০ টাকা বেড়েছে। শুধু খুচরায় নয়, রাজধানীর সবচেয়ে বড় পাইকারি শ্যামবাজারেও পেঁয়াজের দাম বেড়েছে। শনিবার ওই বাজারে প্রতি কেজি আমদানি করা পেঁয়াজের দাম ছিল ৪৮ থেকে ৫০ টাকা, যা এখন ৬০ থেকে ৬৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। একইভাবে দেশি পেঁয়াজ পাইকারিতে কেজিপ্রতি ৭৮ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন পেঁয়াজ আমদানিকারক বলেন, ভারতে প্রতিকেজি পেঁয়াজের দাম ৩০ থেকে ৩৫ টাকা। এর সঙ্গে ৪০ শতাংশ শুল্ক ১২-১৪ টাকা যোগ করলে প্রায় ৪৫ থেকে ৫০ টাকায় দাঁড়ায়। ভারতের মহারাষ্ট্র থেকে দেশের বন্দর পর্যন্ত আনতে খরচ হচ্ছে প্রতি কেজি ৮ টাকা। দেশের অভ্যন্তরের খরচ ও ঘাটতি নিয়ে পেঁয়াজের দাম হচ্ছে প্রায় ৬০ থেকে ৬২ টাকা।

এদিকে সরকারের বাজার মনিটরিং প্রতিষ্ঠান ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) প্রতিবেদনেও একই চিত্র উঠে এসেছে। টিসিবির তথ্য মতে, ২১ আগস্ট রাজধানীতের দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৮০ থেকে ৯০ টাকা কেজি। আমদানি পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৬৫ থেকে ৭০ টাকা কেজি দরে। যা এক মাস আগেও ছিল ৬০ থেকে ৬৫ টাকা ও ৩০ থেকে ৫০ টাকা কেজি। তিন বছর আগের অর্থাৎ ২০২০ সালে এই দিনে দেশি পেঁয়াজের মূল্য ছিল ৩৪ থেকে ৪৫ টাকা কেজি। আর আমদানি পেঁয়াজের কেজি ছিল ২৫ থেকে ৩০ টাকা। অর্থাৎ তিন বছরের ব্যবধানে কেজিতে দেশি পেঁয়াজের দাম বেড়েছে ৫৫ টাকা। আর আমদানি পেঁয়াজের দাম বেড়েছে ৩৫ টাকা।

কৃষি সম্প্রারণ অধিদপ্তরের তথ্যানুযায়ী, ২০২২-২৩ অর্থবছরে দেশে ৩৫ লাখ টন পেঁয়াজ উৎপাদন হয়েছে। এর আগের বছর ৩৪ লাখ টন। ২০১৯-২০ অর্থবছর উৎপাদন হয়েছিল ২৬ লাখ টন। অর্থাৎ, গত তিন অর্থবছর ধারাবাহিকভাবে দেশে পেঁয়াজের উৎপাদন বেড়েছে।

কৃষি খাতের বিশ্লেষকরা বলছেন, গত কয়েক বছরে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানিতে মাঝে মধ্যেই অনিশ্চয়তার পড়তে হচ্ছে বাংলাদেশকে। তাই দেশে পেঁয়াজ চাষে আরো বেশি জোর দেয়া হয়। কয়েক বছর ধরেই পেঁয়াজের ভালো দাম পাওয়ায় দেশের কৃষকেরা চাষে ঝুঁকছেন। তাতে উৎপাদন বাড়ছে। সা¤প্রতিক বছরগুলোতে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি কমতে শুরু করেছে। তবে, ব্যবসায়ীদের মনোভাবের পরিবর্তন হয়নি। পর্যাপ্ত পেঁয়াজ থাকার পরেও শুল্কায়নের খবরে দাম বাড়াচ্ছেন তারা।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

এপ্রিল ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« মার্চ    
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০