শনিবার ৩০শে মে, ২০২৬ ইং ১৬ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা পরিষদের ভবনের স্থান পুনর্বিবেচনার দাবিতে মানববন্ধন সেনবাগে ইয়াবাসহ শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার লক্ষ্মীপুরে ১২শ’ পরিবারের মাঝে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা ঘোষণা : কফিল উদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে আনন্দ মিছিল চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা অনুমোদন : লক্ষ্মীপুরে আনন্দ মিছিল চন্দ্রগঞ্জে খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন চন্দ্রগঞ্জে যুবদলের কর্মী সম্মেলনে নুর হোসেন হারুন সভাপতি পদে এগিয়ে চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদলের কর্মী সম্মেলন কাল : সাধারণ সম্পাদক পদে লড়ছেন রিপন চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন কৃষকদলের ৫১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা গণমাধ্যম সপ্তাহের স্বীকৃতিসহ সাংবাদিকদের ১৪ দফা দাবি, কর্মসূচি ঘোষণা

ভিয়েতনামে ব্যাংক জালিয়াতির মামলায় ধনকুবেরের ফাঁসি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

ভিয়েতনামের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় ব্যাংক-জালিয়াতির মামলায় শীর্ষ আবাসন ব্যবসায়ী ধনকুবের ট্রুং মাই ল্যানকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। ১১ বছর ধরে দেশের সবচেয়ে বড় ব্যাংকগুলো লুট করার অভিযোগ রয়েছে ৬৭ বছর বয়সী এই নারী ধনকুবের বিরুদ্ধে।  বৃহস্পতিবার (১১ এপ্রিল) ভিয়েতনামের বাণিজ্যকেন্দ্র হো চি মিন সিটির আদালত এই রায় ঘোষণা দেন।

পদমর্যাদায় ধনকুবের মাই ল্যান ভিয়েতনামের নামী রিয়েল এস্টেট সংস্থা ‘ভ্যান থিন পাট হোল্ডিং গ্রুপ’-এর চেয়ারপার্সন। অর্থ আত্মস্যাতের মামলায় তাকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া ভিয়েতনামে আদালতের এক বিরল রায়। সায়গন কমার্শিয়াল ব্যাঙ্ক থেকে ৪ হাজার ৪শ কোটি ডলার (৪৪ বিলিয়ন ডলার) ঋণ নেয়ার মাধ্যমে অর্থ লোপাট করার অভিযোগে ল্যান দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন। আদালত রায়ে তাকে ২ হাজার ৭শ’ কোটি ডলার ফিরিয়ে দেয়ার আদেশ দিয়েছিলেন।

কিন্তু এই অঙ্কের অর্থ হয়ত কখনোই উদ্ধার করা যাবে না বলে মত দিয়েছিলেন কৌঁসুলিরা। অনেকে মনে করেন, মৃত্যুদণ্ড দিয়ে হয়ত আদালত ধনকুবের মাই ল্যানকে কিছু অর্থ ফেরত দেয়ানোর জন্য উদ্দীপ্ত করতে চেয়েছে। মাই ল্যানের বিচার শুরু হয়েছিল গতবছর ৫ অগাস্টে। বিচার শেষ হয়েছে নির্ধারিত সময়ের আগেই। ভিয়েতনামের কমিউনিস্ট কর্তৃপক্ষ সাধারণত এমন সব মামলায় খোলাসা করে কিছু না বললেও এই মামলার ক্ষেত্রে তারা বিস্তারিত খুঁটিনাটি তথ্য গণমাধ্যমের কাছে তুলে ধরেছে।

বিবিসি জানায়, কর্তৃপক্ষ বলেছে, মামলায় সাক্ষ্য দিতে ডাকা হয়েছিল ২ হাজার ৭০০ মানুষকে। মামলা পরিচালনা করেছেন ১০ জন রাষ্ট্রীয় কৌঁসুলি এবং প্রায় ২০০ আইনজীবী। প্রমাণ পাওয়া গিয়েছিল ৬ টন ওজনের ১০৪ টি বাক্সের ভেতর। মাই ল্যানের সঙ্গে সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে আরো ৮৫ জনের। তবে মাই ল্যান সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এবং আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে আপিলও করতে পারেন। মাই ল্যানসহ অন্য সব আসামিই দোষী সাব্যস্ত হয়েছে। চারজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়েছে। বাকিদের ২০ বছর থেকে ৩ বছর পর্যন্ত বিভিন্ন মেয়াদে স্থগিত কারাদণ্ড হয়েছে। মাই ল্যানের স্বামী এবং ভাতিজির যথাক্রমে ৯ এবং ১৭ বছরের কারাদণ্ড হয়েছে।

২০১১ সালে মাই ল্যান ছিলেন হো চি মিন সিটির নামকরা ব্যবসায়ী। সে সময় তিনটি ছোটখাট ব্যাংক মিলে ভিয়েতনামের বৃহত্তম বাণিজ্যিক ব্যাংক ‘সায়গন কমার্শিয়াল ব্যাংক’ গঠনে তিনি ভূমিকা রাখেন। এই ব্যাংকের ৯০ শতাংশের বেশি মালিকানা ছিল ল্যানের। সেই ক্ষমতাকেই কাজে লাগিয়ে নিজস্বভাবে ব্যাংকে ম্যানেজার নিয়োগ দেয়া এবং তাদের দিয়ে ল্যান তার অধীনে থাকা শেল কোম্পানিগুলোর নেটওয়ার্কের জন্য শত শত কোটি ডলারের ঋণ অনুমোদন করিয়ে নিয়েছেন বলে অভিযোগ আছে। যে পরিমাণ অর্থ ল্যান ঋণ নিয়েছেন তা বিস্ময়কর। এই ঋণের পরিমান সব ব্যাংক ঋণের ৯৩ শতাংশ।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

মে ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« এপ্রিল    
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১