শুক্রবার ৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং ২৩শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
নবগঠিত চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার অস্থায়ী কার্যালয়ের উদ্বোধন লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে বিদেশি পিস্তল, গুলি ও মাদক সেবনের সরঞ্জাম উদ্ধার লক্ষ্মীপুরের শ্রেষ্ঠ উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার নির্বাচিত মাকছুদুর রহমান ভূঁইয়া ছোট ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে প্রাণ গেল বড় ভাইয়ের চন্দ্রগঞ্জে ১০০ পিস ইয়াবাসহ ৩ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার লক্ষ্মীপুরে সেরা ১০ উচ্চ বিদ্যালয়ের শীর্ষে প্রতাপগঞ্জ হাইস্কুল প্রতাপগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রীর অপহরণের চেষ্টার প্রতিবাদে মানববন্ধন, মহাসড়কে যানজট রায়পুরে একই পরিবারের ৩ জনকে কুপিয়ে হত্যা, দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বাংলাদেশ ২৪টি যুদ্ধবিমান কিনছে চীন থেকে সৌদি প্রবাসী শ্রমিকদের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ : আইনি ব্যবস্থার দাবি ভুক্তভোগীদের

বাংলাদেশ ২৪টি যুদ্ধবিমান কিনছে চীন থেকে

আকাশবার্তা ডেস্ক :

পররাষ্ট্র নীতি পুনর্গঠনের অংশ হিসেবে চীন থেকে ২৪টি অত্যাধুনিক জে-১০সিই মাল্টি-রোল যুদ্ধবিমান কেনার পরিকল্পনা চূড়ান্ত করতে যাচ্ছে সরকার। সোমবার থেকে শুরু হওয়া প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চার দিনের বেইজিং সফরকালে এই সামরিক চুক্তিটি বড় ধরনের গতি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে। এর পাশাপাশি ঢাকা ও বেইজিংয়ের মধ্যে প্রতিরক্ষা, অবকাঠামো, বাণিজ্য এবং বিনিয়োগ খাতে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা আরও গভীর হবে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে সরকারের একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, আগামী আগস্টের মধ্যে এই যুদ্ধবিমান ক্রয়ের চূড়ান্ত চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হতে পারে। এই চুক্তির আওতায় প্রতিটি যুদ্ধবিমানের আনুমানিক বাজারমূল্য ধরা হয়েছে প্রায় ৪ কোটি মার্কিন ডলার। এই আলোচনার ধারাবাহিকতায় গত সপ্তাহে চীনের একটি বিশেষ প্রতিনিধি দল ঢাকা সফর করেছে। বেইজিং সফরকালে বাংলাদেশের প্রতিনিধিরা চীনের প্রতিরক্ষা ও পররাষ্ট্র মন্ত্রীদের সাথে বৈঠক করে এই ক্রয়ের খুঁটিনাটি চূড়ান্ত করবেন।

সরকারি কর্মকর্তারা আশা করছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং চীনা প্রিমিয়ার লি ছিয়াংয়ের দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের পর একটি যৌথ ইশতেহারের মাধ্যমে দুই দেশের বর্তমান কৌশলগত সম্পর্ককে ‘শেয়ার্ড ফিউচার’ বা অভিন্ন ভবিষ্যতের অংশীদারিত্ব হিসেবে ঘোষণা করা হবে। বাংলাদেশের পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকালে দুই দেশের মধ্যে প্রায় ১৭টি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।

এই অর্থনৈতিক সহযোগিতার অংশ হিসেবে তিস্তা নদী ব্যারেজ প্রকল্পের যৌথ সম্ভাব্যতা যাচাই নিয়ে আলোচনা হবে। এর পাশাপাশি মংলা সমুদ্রবন্দরের আধুনিকীকরণ প্রকল্পের কাজ যৌথভাবে এগিয়ে নেওয়ার বিষয়েও দুই পক্ষ একমত হয়েছে। এই বন্দরের অর্থনৈতিক গুরুত্ব বাড়াতে মংলায় চীনকে একটি বিশেষ ১১০ একরের অর্থনৈতিক অঞ্চল দেওয়ার প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে বাংলাদেশ।

মংলার এই জমিটি এর আগে ভারতের বিনিয়োগের জন্য নির্ধারিত থাকলেও ঢাকা সম্প্রতি ভারতের সাথে হওয়া ওই চুক্তিটি বাতিল ঘোষণা করেছে। ফলে এটি এখন সরাসরি চীনা বিনিয়োগকারীদের জন্য উন্মুক্ত হলো। এর ঠিক এক সপ্তাহ আগেই সরকার চট্টগ্রামের একটি এক্সক্লুসিভ চীনা শিল্প পার্কের অনুমোদন দিয়েছে, যেখানে বেইজিং ইতোমধ্যে ৫০ কোটি ডলার বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। সরকারের শীর্ষ কর্মকর্তাদের লক্ষ্য, চীন থেকে বড় ম্যানুফ্যাকচারিং খাত বাংলাদেশে স্থানান্তরিত করে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা।

কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বেইজিংয়ের সাথে ঢাকার এই সম্পর্কের দ্রুত সম্প্রসারণ প্রতিবেশী দেশ ভারতের নিবিড় নজরদারিতে থাকবে। সম্প্রতি সীমান্তে পুশব্যাক করার চেষ্টা বৃদ্ধি এবং নয়া দিল্লি বিমানবন্দরে উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমানের দীর্ঘক্ষণ আটকে থাকার মতো ঘটনাগুলোকে বিশ্লেষকেরা দুই দেশের বর্তমান দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের টানাপোড়েনের স্পষ্ট লক্ষণ হিসেবে দেখছেন।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

আগষ্ট ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« জুলাই    
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০৩১