নিজস্ব প্রতিবেদক :
অবশেষে সমঝোতায় গেলেন সাবেক সিভিল সার্জন ডা. মো. সালাহ উদ্দিন শরীফ ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) শেখ মুর্শিদুল ইসলাম । বৃহস্পতিবার দুপুরে লক্ষ্মীপুর সার্কিট হাউজে একটি বৈঠকের মাধ্যমে এ সমঝোতায় যান তারা।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, লক্ষ্মীপুর জেলা প্রশাসক হোমায়রা বেগম, পুলিশ সুপার আ স ম মাহাতাব উদ্দিন, সিভিল সার্জন ডা. মোস্তফা খালেদ আহমদ, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ নুরুজ্জামান, জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক শামছুল ইসলাম পাটোয়ারী, বিএমএ সভাপতি ডা. আশফাকুর রহমান মামুনসহ প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।
তারা জানান, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে যা হয়েছে তার জন্য আমরা দুঃখিত। পাবলিক সার্ভিসের কথা চিন্তা করে আমরা নিজেরা এ অনাকাংখিত ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করছি এবং নিজেরা বসে সমঝোতায় উপনীত হয়েছি। আশা করি এ ধরণের অনাকাংখিত ঘটনার পুনরাবৃত্তি হবে না।
প্রসঙ্গ, সোমবার জেলা প্রশাসন কর্তৃক পরিচালিত শহরের কাকলি স্কুলের প্রবেশ পথে আগে পরে যাওয়াকে কেন্দ্র করে ও সাবেক ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন ডা. মো. সালাহ উদ্দিন শরীফের হাতাহাতির ঘটনায় ভ্রাম্যমাণ আদালতে সালাহ উদ্দিনকে ৩ মাসের কারাদন্ড দেয়া হয়।
পরে মঙ্গলবার বেলা ১১টায় অর্থাৎ ২৪ ঘন্টার মধ্যে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আপিলের পর বিচারক মীর শওকত হোসেন ৫ হাজার টাকা মুচলেকায় ওই চিকিৎসকের জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন এবং বুধবার বিকেল ৩টার দিকে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আপিলের পর বিচারক ইকবাল হোসেন তা মঞ্জুর করে সালাহ উদ্দিনকে খালাসের রায় দেন।
এদিকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে সাজার বিষয় নিয়ে একটি রিট আবেদনের প্রেক্ষিতে এডিসি শেখ মুর্শিদুল ইসলাম ও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাকারী সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ নুরজ্জামানকে তলব করে হাইকোর্ট।
অন্যদিকে মঙ্গলবার সেই এডিসি শেখ মুর্শিদুল ইসলামকে ওএসডি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারি সচিব (বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) হিসেবে পদায়ন করা হয়।