সোমবার ২রা মার্চ, ২০২৬ ইং ১৮ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
ভূমিকম্প মোকাবিলায় ঢাকায় ১ লাখ স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুতের নির্দেশ ইসরায়েলে ও যুক্তরাষ্ট্রে এমন হামলা হবে, যা তারা আগে কখনো দেখেনি লক্ষ্মীপুরে আগুনে পুড়ে ৯ দোকান ছাই, ৭৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি মানবিক ও নিরাপদ বাংলাদেশ গঠনে সবার সহযোগিতা চাই নবনির্বাচিত ২৯৭ সংসদ সদস্যের গেজেট প্রকাশ নির্বাচনে ভোটের বক্স নিয়ে যাবে নদীর দিকে, আশঙ্কা জেএসডি নেতার ইবাদত ও আত্মশুদ্ধির মহিমান্বিত রজনী-শবে বরাত জামায়াত ক্ষমতায় এলে দেশ পাকিস্তান হয়ে যাবে : ফজলুর রহমান লক্ষ্মীপুরে ৬ সিলসহ ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার : বিএনপি-জামায়াত প্রার্থীর পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলন যাদের জন্য দেশে আসতে পেরেছেন, তারা জুলাইয়ের অবদান অস্বীকার করছেন : ডা. শফিকুর রহমান

মামার জোরে ১৪২ তলার টেন্ডার চায় সিকদার গ্রুপ

অর্থ বাণিজ্য ডেস্ক :

অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত ৮৫ বছরে পা দিয়েই টেন্ডারে মামাদের ব্যবহার করার বিষয়ে কথা বললেন। তিনি বলেন, তিন-চার তলা ভবনের চেয়ে বড় ভবন তৈরির কোনো অভিজ্ঞতা না থাকলেও ১৪২ তলা টাওয়ার নির্মাণের টেন্ডারে সিকদার গ্রুপ অংশগ্রহণ করেছে। এ কাজে শেয়ার পাওয়ার জন্য প্রতিষ্ঠানটি মামাদের ব্যবহার করছে। গতকাল সচিবালয়ে তার দপ্তরে ৮৫তম জন্মদিনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। দুটি উক্তির জন্য সমালোচিত মন্ত্রিসভার ভালো ইমেজের এ মন্ত্রী আগামী নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার কথা বারবার বললেও নির্বাচন করার জন্য তার যে সুপ্ত ইচ্ছা আছে তাও প্রকাশ করেছেন ১৯৩৪ সালের ২৫ জানুয়ারি সিলেটে জন্ম নেওয়া মুহিত।

তিনি বলেন, আগামী সংসদ নির্বাচনে আমি প্রার্থী হতে চাই না। অবসর সময় কাটাতে চাই। তবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চাইলে না করার সুযোগ থাকে না। এ বিষয়ে আগামী এপ্রিলে জানাতে পারবেন বলে জানান। দেশের সেবা করতে হলে মন্ত্রী থাকার দরকার হয় না। তবে মন্ত্রী থাকলে বেশি সেবা করা যায়– তাও বলতে ভুল করেননি ৮৪ বছর বয়সি এই মন্ত্রী। উচ্চতার দিক থেকে বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু ভবনটি হচ্ছে দুবাইয়ের ১৬৫ তলার বুর্জ আল খলিফা। আকাশ চিড়ে বের হওয়া এমন টাওয়ারের নাম এখন বাংলাদেশের সঙ্গেও লেখা থাকবে।

এমনি একটি স্বপ্ন পূরণে পূর্বাচলে আইকনিক নামের ১৪২ তলার টাওয়ার নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে সরকার। কিন্তু নানা আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় ২০১৫ সাল থেকে আজ পর্যন্ত ঝুলছে স্বপ্নটি। আইকনিক টাওয়ার নির্মাণে ২০১৬ সালের ১২ জুন অর্থ মন্ত্রণালয়ে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক নির্মাতা প্রতিষ্ঠান কেপিসি গ্রুপের সঙ্গে চুক্তি হওয়ার কথাছিল। কেপিসি গ্রুপের কর্ণধার বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত কালী প্রদীপ চৌধুরী চুক্তির জন্য একটি প্রতিনিধি দল নিয়ে ঢাকায়ও এসেছিলেন। কিন্তু সেদিন বেলা আড়াইটার দিকে অর্থমন্ত্রীর দিনের কার্যসূচি থেকে চুক্তি স্বাক্ষরের কর্মসূচি ‘অনিবার্য কারণে’ বাতিল করা হয়েছে বলে জানানো হয়। তারপর বিষয়টি একরকম স্থবির হয়ে যায়।

টাওয়ারটি নির্মাণে সর্বশেষ বিষয়ে সাংবাদিকরা জানতে চাইলে অর্থমন্ত্রী বলেন, এ বিষয়ে টেন্ডার আহ্বান করা হয়েছিল। সেখানে কেপিসি গ্রুপসহ বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান সিকদার গ্রুপ অংশগ্রহণ করেছে। কিন্তু মজার বিষয় হলোÑ সিকদার গ্রুপের তিন-চার তলা ভবনের চেয়ে বড় ভবন তৈরির কোনো অভিজ্ঞতা নেই। তিনি বলেন, তাই এ টেন্ডার থেকে সিকদার গ্রুপকে খুব সহজেই সরিয়ে দেওয়া যায়। কিন্তু তাদের মামা-টামার জোর খুব বড়। এসব ব্যবহার করে তারা মনে হয় আইকনিক টাওয়ার তৈরিতে কিছু শেয়ার চায়। বিষয়টি এখন এ অবস্থাতেই রয়েছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশে ব্যবসা শুরু করতে বেশ সময় ব্যয় হয় এ রকম অভিযোগ রয়েছে। এটা সত্যও বটে। তবে এ বিষয়ে ওয়ানস্টপ সার্ভিস দিতে কাজ করছে বিডা। আশা করছি ধীরে ধীরে এ সমস্যা কেটে যাবে। মুহিত বলেন, গত দশ বছরে দেশে প্রায় ১০ শতাংশ দারিদ্র্য হার কমেছে। এটা খুব বড় অর্জন। আগামী ২০২৪ সাল নাগাদ দেশে গরিব মানুষ থাকবে না।

এ জন্য আরো একবার শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী বানানো প্রয়োজন বলে মনে করেন এ অর্থমন্ত্রী। তা না হলে এসব অর্জনের গতি মন্থর হয়ে যাবে। অর্থমন্ত্রী বিশ্বাস করেন, আওয়ামী লীগ আরো একবার ক্ষমতায় এলে দারিদ্র্য দূর করা সম্ভব। তবে দারিদ্র্য দূর করা একটি বড় চ্যালেঞ্জ বলেও তিনি বিশ্বাস করেন। কারণ এখনো দেশে দুই কোটি মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে অবস্থান করছে।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

মার্চ ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« ফেব্রুয়ারি    
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০৩১