মঙ্গলবার ৩রা মার্চ, ২০২৬ ইং ১৯শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
ভূমিকম্প মোকাবিলায় ঢাকায় ১ লাখ স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুতের নির্দেশ ইসরায়েলে ও যুক্তরাষ্ট্রে এমন হামলা হবে, যা তারা আগে কখনো দেখেনি লক্ষ্মীপুরে আগুনে পুড়ে ৯ দোকান ছাই, ৭৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি মানবিক ও নিরাপদ বাংলাদেশ গঠনে সবার সহযোগিতা চাই নবনির্বাচিত ২৯৭ সংসদ সদস্যের গেজেট প্রকাশ নির্বাচনে ভোটের বক্স নিয়ে যাবে নদীর দিকে, আশঙ্কা জেএসডি নেতার ইবাদত ও আত্মশুদ্ধির মহিমান্বিত রজনী-শবে বরাত জামায়াত ক্ষমতায় এলে দেশ পাকিস্তান হয়ে যাবে : ফজলুর রহমান লক্ষ্মীপুরে ৬ সিলসহ ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার : বিএনপি-জামায়াত প্রার্থীর পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলন যাদের জন্য দেশে আসতে পেরেছেন, তারা জুলাইয়ের অবদান অস্বীকার করছেন : ডা. শফিকুর রহমান

সাধারণ বন্দি হিসেবে কারা পোশাকে আছেন খালেদা : আইজি প্রিজন

আকাশবার্তা ডেস্ক :

জেলকোড অনুসারে সাধারণ কারাবন্দি হিসেবে কারাগারে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া কারা পোশাক পরিহিত অবস্থায় আছেন। কারাগার থেকেই খালেদা জিয়াকে খাবার সরবরাহ করা হচ্ছে। শুধুমাত্র শুকনো খাবার, ফলমূল স্বজনরা আনলে সেগুলো এলাউ করা হচ্ছে। এছাড়া বাইরের অন্য কোনো খাবার তাকে দেয়া যাবে না। রোববার (১১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ তথ্য জানান কারা মহাপরিদর্শক (আইজি-প্রিজন) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ ইফতেখার উদ্দিন।

সৈয়দ ইফতেখার বলেন, ৮ ফেব্রুয়ারি খালেদার রায়ের সময় কোর্ট থেকে কোনো নির্দেশনা আসেনি। তাই জেলকোড অনুসারে যে রিকমেন্ডেশন আছে, সে অনুযায়ীই কোর্টের নির্দেশ আসার আগ পর্যন্ত তিনি সাধারণ কারাবন্দি হিসেবেই থাকবেন। ২০০৬ সালে জেলকোডে একটি পরিবর্তন আসে। সেখানে সাবেক প্রেসিডেন্টকে কারাগারে প্রথম শ্রেণীর মর্যাদা দেওয়ার কথা বলা আছে। কিন্তু সাবেক প্রধানমন্ত্রীর বিষয়ে কিছু বলা হয়নি। এছাড়া সংসদ সদস্যদের ব্যাপারেও বলা আছে। খালেদা জিয়া এ ধরনের কোনো আওতার মধ্যে পড়ছেন না।

তিনি আরও বলেন, সংবাদ মাধ্যমগুলোতে কোর্ট থেকে ডিভিশনের আদেশ দেওয়া হয়েছে দেখতে পাচ্ছি। কিন্তু আমরা এখনও কোনো নির্দেশনা পাইনি। আজ তার আইনজীবীরা ডিভিশনের আবেদন নিয়ে এসেছিলেন। আমরা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে তা পাঠিয়ে দিয়েছি। সরকারি নির্দেশনা অনুসারে আমরা ব্যবস্থা নেবো।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, একজন সেবিকা প্রথমদিন পুলিশ আমাদের দিয়ে গিয়েছিল। কিন্তু জেলকোডে এ ধরনের কিছু না থাকায় আমরা সেবিকাকে ১ ঘণ্টা রেখে ফেরত দিয়েছি। এছাড়া তার খাওয়া-দাওয়া সব কারাগারের খাবার অনুসারেই দেওয়া হচ্ছে। বাইরে থেকে শুকনা খাবার তার আত্মীয়-স্বজনরা দিয়ে গেলেও গ্রহণ করা হচ্ছে।

চিকিৎসার ব্যাপারে তিনি বলেন, এখানে একজন ডাক্তার ও একজন নার্স চিকিৎসায় নিয়োজিত আছেন। যদি প্রয়োজন মনে করা হয় বা জরুরি হয় তাহলে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের সহায়তা নেওয়া হবে। আর প্রথম শ্রেণীর কারাগারের ক্ষেত্রে কাশিমপুর নারী কারাগার তার জন্য ভালো হতো। কিন্তু তার শারীরিক অবস্থা খারাপ হওয়া ও নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে সেখানে তাকে নেওয়া হবে না। এখানেই সব ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হচ্ছে। যেহেতু সরকার কেন্দ্রীয়
কারাগারকে এখনও পতিত্যক্ত ঘোষণা করেনি তাই এখানেই সব সম্ভব হবে।

উল্লেখ্য, ঢাকার পঞ্চম বিশেষ জজ আদালত বৃহস্পতিবার জিয়া এতিমখানা ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার রায়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেয়। তার ছেলে তারেক রহমানসহ অন্য ৫ আসামিকে দেওয়া হয় ১০ বছরের সাজা। ওইদিন রায় ঘোষণার পরপরই খালেদা জিয়াকে পুরাতন কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি হিসেবে নিয়ে যাওয়া হয়। গত চার দিন ধরে একমাত্র আসামি হিসেবে এই কারাগারের একটি কক্ষে রয়েছেন খালেদা জিয়া।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

মার্চ ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« ফেব্রুয়ারি    
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০৩১