বুধবার ৩রা জুন, ২০২৬ ইং ২০শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে অস্ত্রসহ দুই যুবক আটক চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা পরিষদের ভবনের স্থান পুনর্বিবেচনার দাবিতে মানববন্ধন সেনবাগে ইয়াবাসহ শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার লক্ষ্মীপুরে ১২শ’ পরিবারের মাঝে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা ঘোষণা : কফিল উদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে আনন্দ মিছিল চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা অনুমোদন : লক্ষ্মীপুরে আনন্দ মিছিল চন্দ্রগঞ্জে খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন চন্দ্রগঞ্জে যুবদলের কর্মী সম্মেলনে নুর হোসেন হারুন সভাপতি পদে এগিয়ে চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদলের কর্মী সম্মেলন কাল : সাধারণ সম্পাদক পদে লড়ছেন রিপন চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন কৃষকদলের ৫১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা

‘মানবিক গল্পের বড়ই অভাব’

বিনোদন ডেস্ক : 


দুপুর রোদের চোখ রাঙানি। রাজধানীর ঢাকা ক্লাবের রেস্ট হাউজে ১১ এপ্রিল কথা হচ্ছিলো দুই বাংলার জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত’র সঙ্গে। নায়িকার এবারের ঢাকা সফর ‘একটি সিনেমার গল্প’ ছবির প্রচারণার জন্য। এটি পরিচালনা করেছেন অভিনেতা ও পরিচালক আলমগীর। আজ ঢাকাসহ সারাদেশে মুক্তি পাচ্ছে ছবিটি। ঋতুপর্ণার সাক্ষাৎকার :

অনেকদিন পর আজ আপনার অভিনীত ছবি মুক্তি পাচ্ছে বাংলাদেশে। ‘একটি সিনেমার গল্প’ শিরোনামের এই ছবিতে কাজের কারণ কী ছিল?

এই ছবির পরিচালক চিত্রনায়ক আলমগীর। তিনি দারুণ পরিচালনাও করেন। তার সঙ্গে একটি যোগাযোগ তো আছেই। তিনি আমাকে অনেক আদর করেন, স্নেহ করেন। সিনেমায় কাজ ছাড়াও তার সঙ্গে আমার একটা পারিবারিক সম্পর্ক রয়েছে। সেটা অনেক বড় একটি জায়গা। আমি আলমগীর ভাইয়ের জন্যই এ ছবিতে অভিনয় করেছি। তিনি যখন আমাকে এই ছবিতে কাজের প্রস্তাব দেন, তখন আমার বিশ্বাস ছিল যে, ছবিতে নিশ্চয়ই আমার কিছু করার রয়েছে। তা না হলে কেনো তিনি আমাকে অফার দিলেন। এরপর জানলাম একটি মেয়ের জীবনকে উপজীব্য করার পাশাপাশি সিনেমার মানুষদের ভেতরকার গল্প নিয়েই এ ছবির কাহিনী আবর্তিত হয়েছে। পর্দার রঙচঙা মানুষগুলোও যে সাধারণের মতোই রক্ত মাংসে গড়া, এটা এই ছবিতে ধীরে ধীরে তুলে আনা হয়েছে। এটাও আমার ভালো লেগেছে। আসলে আলমগীর ভাই অনেক ভালো একজন অভিনেতা, পরিচালক, প্রযোজক, সফল ব্যবসায়ী–সবমিলিয়েই তার প্রতি আমার আলাদা সম্মান ও শ্রদ্ধা রয়েছে। এ কারণে এই ছবিতে কাজ করা।

এই ছবির পোস্টারকে অনেকেই একটু পুরনো ধারার বলে মন্তব্য করেছেন। আরিফিন শুভও বলেছিলেন এটা তার ভালো লাগেনি। ছবির গল্পতে কী নতুনত্ব আছে? কেনো দর্শক এটা দেখবে?

প্রথমত আলমগীর ভাইয়ের জন্য ছবিটি দেখতে প্রেক্ষাগৃহে যাবেন দর্শক। কারণ অনেকদিন পর তিনি একটি ছবি বানিয়েছেন। তার পরিচালনার মধ্যে একটা ম্যাজিক আছে। এই পরিচালক অনেক ভেবেচিন্তেই একটি ছবি বানান। তার দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার কিছু বিষয় এই ছবিতে রয়েছে। আমাদের অভিনেতা-অভিনেত্রীদের সুখ, দুঃখ, আবেগ, ভালোবাসা–এগুলো সূক্ষভাবে দর্শকদের জানাবার একটা প্রয়াস তিনি নিয়েছেন। এটি একটি মানবিক গল্পের ছবি।
আমাদের এখানে এখন এ ধরনের গল্পের বড়ই অভাব। আমরা খুব বেশি আরবান, ফাস্ট কাটিং গল্প, ফ্যান্টাসি নিয়ে কাজ করছি। জীবনের গল্প বলতে গেলেও সেখানে কৃত্তিমতা চলে আসছে। এখনকার দিনে চাওয়া-পাওয়ার অংকটা অন্যরকম হয়ে গেছে। তো সেখানে দাঁড়িয়ে একটুখানি ভেবে দেখলে দেখা যাবে কিছু কিছু ফান্ডামেন্টাল ইমোশন আমাদের জীবনে আছে, যা মরে যায় না। সেগুলো কিন্তু মানুষ দেখতে চায়। যেমন কিছুদিন আগে কলকাতায় আমার একটি ছবি মুক্তি পেয়েছে ‘ভালোবাসার বাড়ি’। এতে সামান্য একটা পারিবারিক গল্প দেখানো হয়েছে। দিদির সঙ্গে দিদির সম্পর্ক, মানুষের জন্য মানুষের যে টান, বাড়িতে একজন অতিথি এলে তাকে যথাযথ হসপিটালিটি দেখানো, বাবা-মায়ের সম্পর্ক, বাচ্চার সঙ্গে বাবা মায়ের সম্পর্ক, পারিবারিক আগের সেই মজবুত বন্ধন যেনো দিনে দিনে হারিয়ে যাচ্ছে। একটি সিনেমার গল্পে শিল্পীর আড়ালে থাকা রক্ত মাংসের মানুষের যে চাওয়া-পাওয়া, আবেগ ও ভালোবাসা সেটা আমরা অনেক সময় ওভারলুক করে যাচ্ছি। আর সেটাই হয়তো আলমগীর ভাই এই ছবির মাধ্যমে সুন্দরভাবে ফিরিয়ে আনতে চেয়েছেন। আসলে কিছু কিছু জিনিস সনাতন, সেটা কখনোই বদলায় না। দর্শকরা তাদের পরিবারে কিছু কিছু জিনিস মিস করে। সেটা এই ছবিতে খুঁজে পাবেন। আসলে বাবা বা মা যখন মৃত্যুশয্যায় থাকে, তখন কিন্তু সে তার সন্তানের মুখটাই আগে দেখতে চায়। এগুলোই আমাদের ভ্যালুস। কখনো কখনো মনে হয় এই ভ্যালুসগুলো আমার হারিয়ে ফেলছি। এগুলো যদি ছবির মাধ্যমে ফিরিয়ে আনতে পারি, তাহলে মনে হয় বাংলা ছবির দর্শকদেরও আমরা প্রেক্ষাগৃহে ফিরিয়ে আনতে পারবো–যারা বাংলা ছবি দেখতে হলে যান না, ছবিতে খুব কৃত্তিমতা চলে এসেছে বলে। পাশাপাশি এই ছবিতে রুনা লায়লা আপা গানের সুর করেছেন। এটা প্রথম করেছেন তিনি। ছবির জন্য এটি বড় পাওয়া। এতে সুন্দর সুন্দর গান রয়েছে। গাজী মাজহারুল আনোয়ার গান লিখেছেন। এসআই টুটুল গান করেছেন। চম্পার মতো গুণী অভিনেত্রী রয়েছেন। আরিফিন শুভ তো আছেনই। সবমিলিয়ে এটি চমৎকার একটি ছবি। এর গল্পের গাঁথুনি বেশ মজবুত।

এই ছবিতে আপনার বিপরীতে কাজ করেছেন আরিফিন শুভ। তার চলচ্চিত্র ক্যারিয়ার বেশিদিনের নয়। শুভকে কী রকম দেখলেন?

আমার মনে হয়, আরিফিন শুভ একজন সপ্রতিভ অভিনেতা। ওর পারসোনালিটি, ওর হাইট, গলার আওয়াজ, হি ইজ ভেরি প্রমিসিং আর্টিস্ট। ওর সঙ্গে কাজ করে আমার ভালো লেগেছে। শুভ অভিনীত ‘ঢাকা অ্যাটাক’ ছবিটি আমি দেখেছি। সে ভালো অভিনেতা। একটি সিনেমার গল্পেও সুন্দর অভিনয় করেছে। শুটিংয়ের সময় শুভ শুধু বলতো তোমাদের তুলনায় আমি তো শিশু। আমাকে কাজ সেখাও। ছেলেটির মধ্যে সরলতা রয়েছে। শেখার আগ্রহ আছে ওর মধ্যে। আমার জীবনের অনেক অভিজ্ঞতা জানতে চাইতো শেখার জন্য। আলমগীর ভাইকে সে অনেক সম্মান করতো দেখতাম। ওর মধ্যে যে হিউম্যানিটিটা রয়েছে সেটা আমার ভালো লেগেছে। নাম করার পর কিন্তু অনেকের মধ্যেই সেটা থাকে না। কিন্তু শুভর ব্যাকগ্রাউন্ডে যে ভালো একটা শিক্ষা আছে সেটা বোঝা যায়। এছাড়া আমি ও শুভ কলকাতায় আরেকটি ছবি করছি, সেটার নাম ‘আহারে’। দুই দেশের খাবার নিয়ে গল্প। আমরা দুই দেশের দুজন শিল্পী কাজ করছি।

প্রয়াত চিত্রনায়ক মান্নার সঙ্গে আপনি বেশকিছু ঢাকাই ছবিতে অভিনয় করেছেন। তাকে মিস করেন কী?

আমি তাকে খুবই মিস করি। ঢাকায় এলেই মান্না ভাইয়ের কথা আমার খুব মনে করে। তার সঙ্গে আমি অনেক ছবি করেছি, যেগুলো হিট হয়েছে। কোনো একটি ভালো চিত্রনাট্য পেলেই মান্না ভাই আমাকে ফোন করে বলতেন-ঋতু দারুণ একটি স্ক্রিপ্ট পেয়েছি, তুমি আমি কাজ করবো। অন্যরকম একজন মানুষ ছিল মান্না ভাই। ওনার স্ত্রী শেলী আপার সঙ্গে আমার ভালো সম্পর্ক। মাঝে মাঝেই আমাদের দেখা হয়। আমার আরেকজন বন্ধু আছে এখানে ফেরদৌস। তার সঙ্গে আমি প্রচুর কাজ করেছি। অভিনেত্রী হিসেবে আমি যাদের সঙ্গে কাজ করেছি একটি সিনেমার গল্পে তাদেরও কিছু কিছু ঝলক আছে। এর শুটিংয়ে কোনোদিন মৌসুমী, কোনোদিন শাবনূর, কোনোদিন ফেরদৌস এসেছে আমার জন্য লাঞ্চ নিয়ে। সুবর্ণা মুস্তাফাও এসেছিলেন খাবার নিয়ে। মৌসুমীও আমার ক্লোজ ফ্রেন্ড। সে এ দেশের খুব জনপ্রিয় একজন অভিনেত্রী। অনেকদিন পর এ দেশে আমার অভিনীত কোনো ছবি মুক্তি পাচ্ছে। আমি চাই দর্শকরা এটি প্রেক্ষাগৃহে গিয়ে উপভোগ করুক।

এবার একটু ভিন্ন প্রশ্ন। প্রতিটি মানুষ স্বপ্ন দেখে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তাদের স্বপ্নের বদল হয়। শৈশব থেকে আজকের ঋতুপর্ণার স্বপ্ন বদলের গল্পটা শুনতে চাই।

আমার ইচ্ছে ছিল টিচার হবো। সেটা আর হলো না। এখন বিভিন্ন বিষয়ে মানুষকে আমার পরামর্শ দিতে হয়। এজন্য আমার স্বামী আমাকে বলেছে যে, তুমি বাড়ির বাইরে একটা সাইনবোর্ড লাগাও ‘মুশকিল আসান’ লিখে যে এখানে মানুষের মুশকিল আসান করা হয়। (হাসি) হা হা হা। তবে এখন একটি একাডেমি করার কথা ভাবছি। কিছু সামাজিক কাজ করতে চাই। যখন আমি থাকবো না সেগুলো নিয়ে যেনো মানুষ ভাবে। সত্যি বলতে কী, টিচিংয়ের ব্যাপারটা আমার মধ্যে আছে। দায়িত্ব নিয়ে কিছু করাটা আমার ভালো লাগে। যখন আমি ছবি করি, এর শুটিং শুরু করার পর শেষ পর্যন্ত মনোযোগ দিয়ে কাজ করি। শুটিং শেষে ডাবিং, প্রচারণা পর্যন্ত আমি পরিচালক ও প্রযোজকদের সঙ্গে থাকি। কারণ আমি মনে করি, কাজটার মধ্যে আমারও একটা দায়বদ্ধতা রয়েছে।

এখন নিজের কাজ নিয়ে আপনি কী ভাবেন?

আমি আসলে নিজের করা চরিত্রগুলো আর করতে চাই না। নতুন কিছু খুঁজি। আমি ভাবি কীভাবে আমি আরো নতুনভাবে দর্শকদের কাছে পৌঁছুতে পারবো। নিজেকে আরো ভাঙতে চাই। আমি মনে হয় এমন একজন অভিনেত্রী, আমাকে যেই পাত্রে রাখা হবে আমি সেটাই ধারণ করতে পারি।
শাকিব খানের সঙ্গে আপনার কাজ করার একটি গুঞ্জন কাকরাইলের ফিল্মপাড়ায় শুনেছিলাম। আমি আসলে শাকিব ছাড়া এ দেশের প্রায় সব নায়কের সঙ্গেই কাজ করেছি। কিছুদিন আগে কেউ একজন বলছিল তার সঙ্গে আমার কাজের বিষয়ে। আসলে আমি ও শাকিব–আমরা দুজনই নিজেদের জায়গায় ভালো অবস্থানে আছি। আমাদের নিয়ে কেউ কাজ করতে চাইলে এমন সাবজেক্ট নিয়েই করতে হবে যাতে দুজনকে আলাদা আলাদা করে জাজ করা যায়। এরকম হলে হবে না যে, শাকিবের ছবিতে অর্নামেন্টাল হিরোইন হিসেবে আমি থাকবো। সাধারণত শাকিবের ছবিগুলো হিরো বেইজড হয়ে থাকে। সেখানে নায়িকাদের বেশিকিছু করার থাকে না। আমাদের নিয়ে কাজ করতে হলে গল্পে হিরো হিরোইনকে ব্যালান্স করতে হবে।

কলকাতায় আমাদের শাকিব খানের জনপ্রিয়তা কতটুকু?

খুবই ভালো। মাঝে আমি আর শাকিব খান আমাদের ওখানে একটি স্টার নাইট প্রোগ্রামে গিয়েছিলাম। আমার আগেই শাকিবের পারফরম্যান্স ছিল। আমি শুনছিলাম স্টেজে শাকিব ঘোষণা করছে এর পরই মঞ্চে আসছে আপনাদের অনেক প্রিয় একজন নায়িকা ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। তো আমি খুবই খুশি শাকিব ভালো কাজ করছে। আমাদের দেশে তো সারাপৃথিবীর মানুষই কাজ করার সুযোগ পায়। সেখানে তাদের ভালোভাবে সম্মানিতও করা হয়। সেই জায়গা থেকে আমি চাই আমাদের ওখানে শাকিব আরো কাজ করুক, তার আরো নাম হোক।

আচ্ছা, আমাদের অভিনেতা-অভিনেত্রীরা যখন কলকাতায় কাজ করে আসেন, তারা আপনাদের অনেক প্রশংসা করেন যে, আপনারা কাজের প্রতি অনেক সিনসিয়ার, সকাল ৭টায় কল মানে ৭টায়ই সবাই সেটে থাকেন। ঢাকায় নিয়মের অনেক হেরফের হয়। আপনার অভিজ্ঞতা কেমন?

আমি এর আগে বাংলাদেশে অনেক ছবিতে কাজ করেছি। সেগুলো দারুণ জনপ্রিয়তাও পেয়েছে। তো আমি যখন এখানে কাজ করেছি নিয়মের মধ্যেই তা হয়েছে। আমি কোনো অসঙ্গতি টের পাইনি। আমি এখানে অনেক সিনিয়র-জুনিয়র পরিচালক বা শিল্পীদের সঙ্গে কাজ করেছি। আমার সময় সবকিছু টাইমলিই হয়েছে। তবে কখনো কখনো যে একটু-আধটু নিয়মের ব্যাঘাত ঘটেনি, তা নয়। সেগুলো আমরা ম্যাচ করে নিয়েছি। আসলে টাইমলি কাজ শুরু করা বা শিল্পীদের সেটে আসা অনেকটা নির্ভর করে পরিচালকের ওপর। তিনি হচ্ছে ক্যাপ্টেন অব দ্য শিপ। আর্টিস্টদের ওপর তার কতোটা কন্ট্রোল রয়েছে, সেটাও নিয়ম মতো কাজের ক্ষেত্রে ভালো ভূমিকা রাখতে পারে। আমার মনে হয় না ভালো কোনো শিল্পী পরিচালকের সঙ্গে এমন কোনো বেয়াদবি করেন যে, সকাল ১০টায় কল টাইম, কিন্তু সে আসলো ১টা বা ২টায়। যদি কোনো বড় কারণ থাকে, সেক্ষেত্রে এমনটি হতেও পারে। মাঝে মধ্যে আমাদেরও এমনটি হয়। সেটা যৌক্তিক কারণে। কিন্তু কোনো কারণ ছাড়া সেটে দেরী করে আসা, সিনিয়রদের বসিয়ে রাখাটা ননপ্রফেশনাল এ্যাটিচ্যুড। এই মুহুর্তে একটি ছবির কাজের কথা মনে পড়েছে, সেটা মনতাজুর রহমান আকবরের ছবি ছিল। এই ছবির প্রযোজক খুব ননপ্রফেশনার ছিলেন। আমার ভালো লাগেনি।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

জুন ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« মে    
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০