শুক্রবার ৩১শে জুলাই, ২০২৬ ইং ১৬ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
নবগঠিত চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার অস্থায়ী কার্যালয়ের উদ্বোধন লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে বিদেশি পিস্তল, গুলি ও মাদক সেবনের সরঞ্জাম উদ্ধার লক্ষ্মীপুরের শ্রেষ্ঠ উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার নির্বাচিত মাকছুদুর রহমান ভূঁইয়া ছোট ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে প্রাণ গেল বড় ভাইয়ের চন্দ্রগঞ্জে ১০০ পিস ইয়াবাসহ ৩ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার লক্ষ্মীপুরে সেরা ১০ উচ্চ বিদ্যালয়ের শীর্ষে প্রতাপগঞ্জ হাইস্কুল প্রতাপগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রীর অপহরণের চেষ্টার প্রতিবাদে মানববন্ধন, মহাসড়কে যানজট রায়পুরে একই পরিবারের ৩ জনকে কুপিয়ে হত্যা, দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বাংলাদেশ ২৪টি যুদ্ধবিমান কিনছে চীন থেকে সৌদি প্রবাসী শ্রমিকদের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ : আইনি ব্যবস্থার দাবি ভুক্তভোগীদের

বেড়েছে চালের দাম

আকাশবার্তা ডেস্ক :

রাজধানীর বাজারে প্রায় সব ধরনের চালের দাম বেড়েছে। গত এক মাসের ব্যবধানে কেজিতে চালের দাম ১০-১৫ টাকা বেড়েছে। এর আগে প্রতি কেজি স্বর্ণা চাল মিলত ২৬-২৮ টাকায় এখন সেই চাল কিনতে গুনতে হচ্ছে ৩৮ টাকা। পারিজা ও বিরি-আটাশ মিলত প্রতিকেজি ২৮-৩০ টাকা এখন কিনতে হচ্ছে ৩৮-৪০ ঢাকা দরে। নাজিরশাইল কেজিতে ১২ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৫৬ টাকা।

আর যারা পোলাওয়ের চাল নিতে চান, তাদের প্রতি কেজিতে গুনতে হচ্ছে ১০০ টাকা। একইভাবে বেড়েছে ঊনত্রিশ, আটাশ মিনিকেট চালের দামও। লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ায়ই নিম্ন আয়ের মানুষ চাল কিনতে হিমশিম খাচ্ছেন। খুচরা বিক্রেতাদের অভিযোগ, কিছু অসাধু ব্যবসায়ীর কারণে প্রতিনিয়ত চালের দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে। এসব মজুদদার ও ব্যবসায়ীরা ব্যাংক থেকে টাকা নিয়ে মজুদ করে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে।

এছাড়াও নানা অজুহাতে দাম বৃদ্ধি করছে। নিউমার্কেটের চাল ব্যবসায়ী জহির আহমেদ জানান, আমরাতো সাধারণ ব্যবসায়ী, রাজধানীর বিভিন্ন বাজার থেকে চাল কিনে বিক্রি করি। আড়তদার ও মজুদদার থেকে যে দামে ক্রয় করি, তা থেকে অল্প লাভে বিক্রি করি। দাম বৃদ্ধিতে হাত রয়েছে মজুদদারদের। এখানে আমাদের কিছু করার নেই।

সরকারের পক্ষ থেকে বাজার নিয়ন্ত্রণের কোনো কর্মকর্তা আসে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, তারা তো নিয়নিয়ত বাজার পর্যবেক্ষণ করেন।

তিনি আরও জানান, দাম বৃদ্ধিতে খুচরা ব্যবসায়ীরা দায়ী নয়। এখানে মজুদদার ও অসাধু ব্যবসায়ীরা দায়ী। তবে খুচরা বিক্রেতাদের অভিযোগ মানতে নারাজ মিল মালিক ও মজুদদাররা। তারা এসবের জন্য দায়ী করছেন সরকারের অব্যবস্থাপনাকে।

আরেক খুচরা ব্যবসায়ী আহাসান জানান, পাইকারি বাজার থেকে আমাদের চার থেকে পাঁচ টাকা বেশি দরে বিক্রি করতে হয়। কারণ, পরিবহন খরচ, দোকান ভাড়া ও কর্মচারীদের বেতন হিসাব করলে আমাদের তেমন একটা থাকে না। এর মধ্যেই আমাদের ব্যবসা করতে হয়।

রফিক নামের এক ব্যবসায়ী জানান, চালের বাজার এখন স্থিতিশীল আছে। এখানে মোটা চাল ৩৮ টাকা কেজি দরে পাইকারি বিক্রি হচ্ছে। ১৫ থেকে ২০ দিনের মধ্যে নতুন চাল বাজারে আসতে শুরু করবে, দামও কমে আসবে। হঠাৎ করে দাম বাড়লেও কৃষকরা লাভবান হচ্ছেন না। অথচ ক্রেতাদের বাজেট বেড়ে গেছে।

হঠাৎ করে চালের দাম বৃদ্ধির কারণ জানাতে চাইলে বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ও ব্র্যাকের নির্বাহী পরিচালক ড. মাহবুব হোসেন বলেন, কয়েক বছর ধরে জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি চালের দর স্বাভাবিক ছিল। এ বছর হঠাৎ বেড়ে যাওয়ার কারণ হচ্ছে, কৃষকরা ন্যায্যমূল্য না পেয়ে উৎপাদন কমিয়ে দিয়েছেন এবং সরকারি মজুতও কম। দামের ঊর্ধ্বগতি ঠেকাতে সরকারের বড় ভরসা সরকারি মজুদ। তবে এ বছর মজুদ পরিস্থিতিও খুব একটা ভালো নয়।

চাক্তাই চাল ব্যবসায়ী সমিতির সহসভাপতি মোহাম্মদ সেকান্দর হোসেন বলেন, সরকার ধান কেনা শুরু করায় ধান ও চাল দুটোরই দাম কিছুটা বেড়েছে। তবে ধানের তুলনায় চালের দর বৃদ্ধির হার কিছুটা কম। এর সঙ্গে ধান ও চাল পরিবহনের জন্য ১৮-২০ হাজার টাকা ব্যয় হচ্ছে। অথচ কিছুদিন আগেও ১০ হাজার টাকায় ধান-চাল পরিবহন হতো। যে কারণে চালের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

জুলাই ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« জুন    
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১