শনিবার ১৮ই এপ্রিল, ২০২৬ ইং ৫ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
লক্ষ্মীপুরে ১৪৪ ধারা ভেঙে মিছিল :   বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জুলাই যোদ্ধা ফোর্সের সংঘর্ষ : পুলিশসহ আহত ১০ চট্টগ্রাম বিভাগীয় শ্রমিক দলের সদস্য হলেন মনির আহম্মদ রাজন কফিলউদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন ঈদের আগে অস্থির মুরগির বাজার, সবজিতে স্বস্তি আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা ফ্লাইট বাতিলে ভিসার মেয়াদ শেষ হলে সহায়তা করবে সরকার চন্দ্রগঞ্জে অস্ত্র-গুলিসহ ৩ ডাকাত গ্রেপ্তার চন্দ্রগঞ্জ প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়ার মাহফিল ভূমিকম্প মোকাবিলায় ঢাকায় ১ লাখ স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুতের নির্দেশ ইসরায়েলে ও যুক্তরাষ্ট্রে এমন হামলা হবে, যা তারা আগে কখনো দেখেনি

নোয়াখালীতে পুলিশ কনস্টেবলের স্ত্রীর মৃতদেহ উদ্ধার

আকাশবার্তা ডেস্ক : 


নোয়াখালীতে এক পুলিশ কনস্টেবলের স্ত্রীর মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহত জেলা পুলিশ লাইন্সে কর্মরত কনস্টেবল তাসবিত হোসেন রাজিবের স্ত্রী দিলরুবা আক্তার সালমা (২৫)।

জানা গেছে, হাতিয়ার চরকিং ইউনিয়নের গামছাখালী গ্রামের সোলাইমান মিয়ার মেয়ে দিলরুবা আক্তার সালমার সাথে, লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার চরলক্ষী গ্রামের মোঃ সেলিমের ছেলে পুলিশ কনস্টেবল তাসবিত হোসেন রাজিবের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

বিগত পাঁচ বছর আগে কনস্টেবল রাজিব হাতিয়া থানায় কর্মরত থাকাকালীন সময় নোটারী পাবলিকের মাধ্যমে তারা বিয়ে বন্ধনে আবদ্ধ হন। এর কিছু দিন পরে কনস্টেবল রাজিব হাতিয়া থেকে জেলা সদরে বদলি হয়ে স্ত্রী ও ৪ বছরের কন্যা শিশুকে নিয়ে মাইজদী নুতন বাসষ্টান্ড এলাকায় ভাড়া বাসায় ওঠেন।

নিহত দিলরুবা আক্তার সালমার ভাই মোঃ হাছান অভিযোগ করে বলেন, বিয়ের পর থেকে প্রায় সালমাকে শারীরিক নির্যাতন করতো কনস্টেবল রাজিব। ০২ সেপ্টেম্বর রোববার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে আমার মুঠোফোনে বোনকে নিয়ে যেতে বলে রাজিব। নচেৎ তাকে তালাক দেয়ার হুমকি দেয়। এর কিছুক্ষণ পর আমাকে ফোন করে দ্রুত হাসপাতালে আসতে বলে রাজিব। হাসপাতালে এসে দেখি আমার বোনের লাশ। সে আমার বোনকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে, এখন প্রচার করছে আত্মহত্যা বলে।

এ বিষয়ে সুধারাম মডেল থানার ওসি মোঃ আনোয়ার হোসেনকে জানান, সকাল সাড়ে ১১টার দিকে রাজিব ও সালমা দম্পতির মধ্যে পারিবারিক বিষয়ে উভয়ের মাঝে ঝগড়া বিবাদ হয়। এক পর্যায়ে বাইরে থেকে দরজা বন্ধ করে দেন সালমা স্বামী ও শিশু সন্তানকে শয়নকক্ষে রেখে । রান্না ঘরের জানালার গ্রিলের সাথে গলায় ফাঁস দেয় সালমা।

এরপর স্থানীয়রা থানায় খবর দিলে পুলিশ সালমাকে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করলে কর্তব্যরত ডাক্তার মৃত বলে ঘোষণা করেন। লাশ ময়না তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান ওসি।

এসময় নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের জরুরী বিভাগের ডাক্তার শামীম রেজা বলেন, দুপুরের দিকে দিলরুবা আক্তার সালমা নামে এক নারীকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়। লাশ ময়না তদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে নোয়াখালী পুলিশ সুপার মোঃ ইলিয়াছ শরীফ বলেন, ‘পুলিশ কারো ব্যক্তিগত অপরাধের দায় দায়িত্ব নিবেন না। নিহত দিলরুবা আক্তার সালমার পরিবারের পক্ষ থেকে তার স্বামী কনস্টেবল রাজিবের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগটি পুলিশ খতিয়ে দেখবে এবং ময়না তদন্ত প্রতিবেদনে হত্যা না আত্মহত্যা সে অনুযায়ী প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সূত্র : দৈনিক আমার সংবাদ

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

এপ্রিল ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« মার্চ    
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০