মঙ্গলবার ২রা জুন, ২০২৬ ইং ১৯শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে অস্ত্রসহ দুই যুবক আটক চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা পরিষদের ভবনের স্থান পুনর্বিবেচনার দাবিতে মানববন্ধন সেনবাগে ইয়াবাসহ শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার লক্ষ্মীপুরে ১২শ’ পরিবারের মাঝে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা ঘোষণা : কফিল উদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে আনন্দ মিছিল চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা অনুমোদন : লক্ষ্মীপুরে আনন্দ মিছিল চন্দ্রগঞ্জে খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন চন্দ্রগঞ্জে যুবদলের কর্মী সম্মেলনে নুর হোসেন হারুন সভাপতি পদে এগিয়ে চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদলের কর্মী সম্মেলন কাল : সাধারণ সম্পাদক পদে লড়ছেন রিপন চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন কৃষকদলের ৫১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা

“শুধু বিরহের গান গাই, একটু সাহায্য চাই’’

আলী হোসেন, লক্ষ্মীপুর :


পথে পথে ঘুরে ঘুরে বিরহের গান শোনানোই তাঁর পেশা। হাতে হারমোনিয়াম, কাঁধে রাখা একটি পুটলীতে কাঁথা-বালিশ আর মশারী। যেখানে রাত, সেখানেই কাত। এমনই এক পথশিল্পীর সাথে দেখা হলো মঙ্গলবার বিকালে লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে। হারমোনিয়ামে লিখে রেখেছেন- শুধু বিরহের গান শোনাই, একটু সাহায্য চাই। এই পথশিল্পীর নাম-দিলীপ কুমার বাছাল। বাড়ি সাতক্ষীরা জেলার আশাশুনি উপজেলায়। বয়স প্রায় ৫৫, আছেন স্ত্রী, সন্তানও। এক ছেলে, দুই মেয়ে। বড় মেয়ে গোপালগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েন।

কথা বলতে বলতে ভারতীয় শিল্পী সতীনাথ মুখোপাধ্যায়ের গাওয়া হৃদয় ছোঁয়া একটি বিরহের গান শোনালেন, গানটির প্রথম দুটি লাইন তুলে ধরা হলো :
মরমিয়া তুমি চলে গেলে দরদী আমার কোথা পাবো, কারে আমি এ ব্যাথা জানাবো। কে বল আর শুনবে এ গান, রাঙিয়ে দেবে আমার এ প্রাণ। শিউলি ফুলের মালা গেঁথে কারে পরাবো……..? কারে আমি এ ব্যাথা জানাবো।

ছবি তুলতে আপত্তি করেননি। তবে পরে যখন জানলেন আমি একজন সংবাদ কর্মী। তখন বললেন, ভাই পত্রিকায় ছবি দিয়েন না। বললাম কেন? উত্তরে বললেন, বড় মেয়েটি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েতো। তার সহপাঠীরা দেখলে মেয়েটি শরম পাবে। আমি বললাম শরম পাবে কেন? আপনি একজন শিল্পী। চুরি তো করেন না। আপনি দেখেননি ফেসবুকে রিক্সাচালকের ছেলে বিশ্ববিদ্যালয়ে গ্রাজুয়েশন শেষ করে গায়ের গ্রাউনটি রিক্সাচালক বাবার গায়ে পরিয়ে দিলেন। ছবিটি সারাদেশে ভাইরাল হয়েছে। এটা তো গর্বের। এরপর আর কিছু বলেননি।

এরপর জানালেন, গান শুনে মানুষ যা সাহায্য করেন তা হাসি মুখে গ্রহণ করেন। এতে তাঁর দৈনিক ৪শ’ থেকে কখনও কখনও ৬-৭শ’ টাকা রোজগার হয়। তা’ দিয়ে তাঁর সংসার কোনমতে চলে যায়। তবে রাষ্ট্রিয় পৃষ্টপোষকতা পেলে তিনিও একজন প্রতিষ্ঠিত শিল্পী হতে পারতেন বলে আক্ষেপ করলেন। বললাম শুধু বিরহের গান শোনান কেন? বললেন, বিরহের গান গাইতে তাঁর ভালো লাগে। মানুষ নাকী বিরহের গান শুনতেই বেশি পছন্দ করেন। কারণ, প্রত্যেক মানুষের জীবনে নাকী কোনো না কোনো দুঃখ থাকে।

ভিডিওটি দেখতে ক্লিক করুন : 

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

জুন ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« মে    
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০