মঙ্গলবার ২রা জুন, ২০২৬ ইং ১৯শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে অস্ত্রসহ দুই যুবক আটক চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা পরিষদের ভবনের স্থান পুনর্বিবেচনার দাবিতে মানববন্ধন সেনবাগে ইয়াবাসহ শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার লক্ষ্মীপুরে ১২শ’ পরিবারের মাঝে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা ঘোষণা : কফিল উদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে আনন্দ মিছিল চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা অনুমোদন : লক্ষ্মীপুরে আনন্দ মিছিল চন্দ্রগঞ্জে খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন চন্দ্রগঞ্জে যুবদলের কর্মী সম্মেলনে নুর হোসেন হারুন সভাপতি পদে এগিয়ে চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদলের কর্মী সম্মেলন কাল : সাধারণ সম্পাদক পদে লড়ছেন রিপন চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন কৃষকদলের ৫১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা

ধূমপায়ীদের জটিল রোগ ‌‘সিওপিডি’

লাইফস্টাইল ডেস্ক : 


সিওপিডি বা ক্রনিক অবসট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ শ্বাসতন্ত্রের একটি জটিল রোগ। এই রোগ ধূমপায়ীদের বেশি হতে দেখা যায়। একবার হলে আর আগের অবস্থায় ফিরে আসবে না। এটি ধীরে ধীরে আরো খারাপের দিকে যাবে। এবং তাঁর দীর্ঘমেয়াদি শ্বাসকষ্ট বাড়বে।

সাধারণত যাঁরা ধূমপায়ী, তাঁদের এই রোগ হয়। যাঁরা ধূমপান করেন, তাঁদেরই বেশি হয়। এছাড়া আরো কারণ রয়েছে। আমাদের মায়েরা যাঁরা গ্রামে আছেন, তাঁরা অনেক সময় লাকড়ি দিয়ে রান্না করেন। চুলায় যখন ফুঁ দিতে থাকেন, তখন কিছু ধুলা শ্বাসনালিতে চলে আসে। তাঁরা ধূমপায়ী নন, তবে ওই যে ধুলাগুলো খাচ্ছেন, তাই তাঁদের সিওপিডি হতে পারে। আর সিওপিডি মানে একটি দীর্ঘমেয়াদি শ্বাসনালির প্রদাহ। যেটা আর স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে যাবে না। যাঁদের বয়স বাড়ে, সাধারণত চল্লিশের পরে হয়। অ্যাজমা কিন্তু আগেই যেকোনো বয়সে হতে পারে। সিওপিডি রোগটি শুরু হলে ধীরে ধীরে এর তীব্রতা বাড়তে থাকে। মানে তাঁর শ্বাসকষ্ট, কাশি, দম নিতে কষ্ট হওয়া, কফ পড়া ইত্যাদি জিনিস বেশি হয়ে থাকে।

সিওপিডি সাধারণত মাঝবয়সে হয়। সাধারণত চল্লিশ বছরের পরে হতে পারে। অ্যাজমা যেমন মাঝেমধ্যে হয়, আবার ভালো হয়ে যায়। তবে সিওপিডি কিন্তু এ রকম নয়। হলে ধীরে ধীরে শ্বাসকষ্টের দিকে চলে যায়। সিওপিডি বেশি হয় ধূমপায়ীদের। তাঁরা মনে করেন, সিগারেট খাই, তাই হয়তো একটু কাশি হয়। আস্তে আস্তে শ্বাসকষ্ট হয়। হতে হতে রোগটি বেড়ে যায়। যখন চিকিৎসকের কাছে আসে, তখন জটিল অবস্থা নিয়ে আসে। আরেকটি বিষয় হচ্ছে, অ্যাজমা অনেক সময় পারিবারিকভাবে থাকে। সিওপিডিতে সাধারণত এ রকম ইতিহাস থাকে না। অ্যাজমার কিছু কারণ থাকে, যেগুলোর কারণে অ্যাজমা বাড়ে। যেমন ধুলাবালি লাগলে বাড়ছে বা কোনো খাবার থেকে হচ্ছে বা ঠান্ডা লাগলে সমস্যা হচ্ছে। তবে সিওপিডিতে তেমন নেই। তবে যেকোনো সংক্রমণ সিওপিডিকে বাড়িয়ে দিতে পারে।

এ রোগ ভালো না হওয়ার কারণ হলো, শ্বাসনালিতে যেসব পরিবর্তন হয়, এটা ধীরে ধীরে শ্বাসনালিকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। আমরা যখন সিগারেট খাই, তখন শ্বাসনালিতে স্থায়ী কিছু পরিবর্তন হয়ে যায়। এ পরিবর্তন হওয়ার জন্য এটি আর আগের অবস্থায় ফিরে আসে না। ত্রিশ বছরের পর একজন সাধারণ মানুষের ফুসফুসের কার্যক্ষমতা ধীরে ধীরে কমতে থাকে। ৩০ এমএল করে প্রতিবছর কমে। বয়স বাড়বে, কার্যক্ষমতা কমতে থাকবে। এটি স্বাভাবিক বিষয়। তবে যাঁদের সিওপিডি হয়, যাঁদের সিওপিডি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, তাঁদের ফুসফুসের কার্যক্রম খারাপ হওয়ার মাত্রা প্রায় ১০০ এমএল। এতে তাড়াতাড়ি সমস্যাটা হয়। সে ক্ষেত্রে সবচেয়ে ভালো হলো প্রথমে এই রোগ নির্ণয় করা। এর পর প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা দেওয়া। চিকিৎসা যেগুলো রয়েছে, সেটি কিন্তু রোগকে ভালো করবে না। রোগীর কষ্ট কমিয়ে দেবে।

এ রোগ হলে সিগারেট খাওয়া বন্ধ করে দিতে হবে। এটি খাওয়া বন্ধ করলে ফুসফুস যে খারাপ হয়ে যাচ্ছে, এটিও বন্ধ হবে। ওষুধগুলো দেওয়ার কারণে কষ্টটা অনেকটা কমে যাবে। তবে একে প্রতিরোধ করার সবচেয়ে ভালো উপায় হচ্ছে সিগারেট বন্ধ করে দেওয়া। আরেকটি হলো রোগটি যেন আর না বাড়ে সে দিকে খেয়াল রাখতে হবে।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

জুন ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« মে    
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০