সর্বশেষ:
লক্ষ্মীপুরে বাজুসের নির্বাচনে চেয়ারম্যান সমীর, সেক্রেটারী পলাশ লক্ষ্মীপুরে বাজুসের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচনে চলছে ভোট গ্রহণ চন্দ্রগঞ্জে ১২ মামলার পলাতক আসামি শাহাদাত গ্রেপ্তার শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা : হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড বহাল লক্ষ্মীপুর বাজুস নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে ব্যবসায়ীদের সভা লক্ষ্মীপুরে ছুরিকাঘাতে শিশু নিহত, ঘাতক পলাতক চন্দ্রগঞ্জে মাদক বিরোধী র‍্যালি ও পথসভা সোনারগাঁয়ে অবৈধভাবে চুন কারখানা পরিচালনায় পরিবেশ দূষণের অভিযোগ চন্দ্রগঞ্জ উপজেলায় শ্রেষ্ঠ প্রতাপগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় চন্দ্রগঞ্জে পূবালী ব্যাংকের ক্যাশলেস কার্যক্রম উদ্বোধন

লক্ষ্মীপুরে ব্যতিক্রমী আয়োজন শীতে “হাঁস খাওয়া” এগিয়ে তরুণরা

এক্সক্লুসিভ ডেস্ক : 


শীতে হাঁসের মাংসের সঙ্গে চিতই পিঠা বা সিদ্ধ রুটি লক্ষ্মীপুরের একটি ব্যতিক্রমী ও ঐতিহ্যবাহী ভোজন বিলাসী আয়োজন। বর্তমানে এ রকম আয়োজন চলছে জেলার প্রায় সব পাড়া  মহল্লায়। এ রকম আয়োজনের সাথে জড়িতদের মাঝে বেশির ভাগই তরুণ সমাজ। শুধু তরুণই নয়, চলে বয়স্ক বন্ধুদের মাঝে এমনকি রাজনৈতিক নেতার তুষ্টিতেও। তাই শীত আসলেই এ অঞ্চলে হাঁসের মাংসের চাহিদা বেড়ে যায়। সে জন্য মাংসের বাজারে এখন হাঁসের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। প্রতি জোড়া মাঝারি সাইজের হাঁস বিক্রি হচ্ছে ৬০০-৯০০ টাকায়। ক্ষেত্র বিশেষে ১০০০ থেকে ১২০০ টাকায়ও বিক্রি হচ্ছে। যা কয়েকদিন আগেও ছিল ৫০০-৭০০ টাকা।

জেলার বেশ কয়েকজন স্থানীয় নাগরিকদের সাথে কথা বলে জানা যায়, লক্ষ্মীপুর জেলা ব্যাপী যেসব সামাজিক অনুষ্ঠানে আপ্যায়নের ব্যবস্থা থাকে তার মধ্যে ধর্মীয় আয়োজন (ইফতার মাহফিল, পূজা) ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। এছাড়া বৈশাখে হচ্ছে পান্তা ইলিশ আপ্যায়ন। এগুলোর প্রায় সবটারই কোনো না কোনো ব্যানারে এবং কোনো না কোনো উদ্দেশ্যের আপ্যায়ন। কিন্তু এসব কিছুর বাইরে প্রতিবছর শীতে প্রায় প্রতিটি পরিবার আর বন্ধু বান্ধবদের আয়োজনে হচ্ছে হাঁসের মাংস খাওয়ার মতো অনুষ্ঠান। যার আয়োজন বেশির ভাগই হয়ে থাকে তরুণদের উদ্যোগে। হাঁসের মাংসের সঙ্গে  থাকে রুটি। শীতের তীব্রতা বৃদ্ধির সাথে সাথে বাড়তে থাকে এ রকম আয়োজন। ফলে শীতে হাঁসের মাংস খাওয়া এই এলাকার এক অঘোষিত এক রেওয়াজে পরিণত হয়েছে।

অনেক বন্ধু বান্ধব একত্রে বসে সে আয়োজন। এ বিষয়ে কথা হয় লক্ষ্মীপুর সরকারী কলেজের স্নাতকের ছাত্র হুমায়ুন কবির ( ২৪) নামে একজনের সাথে। তিনি জানান বিভিন্ন ব্যস্ততার কারণে ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও অনেকে বাড়িতে হাঁসের মাংস খেতে পারেন না। অথচ বাংলাদেশের খাদ্য সংস্কৃতিতে হাঁসের মাংস অনেকটাই জড়িয়ে আছে। হাঁসের মাংস রান্না করাটাও সময়সাপেক্ষ এবং একটু ঝামেলাও। তাই আমরা প্রতি বছর শীতে বন্ধুরা মিলে এ রকম আয়োজন করে থাকি। এটা হাসঁ খাওয়া আর্ আনন্দ ভাগাভাগি করা। প্রথম প্রথম সম্পূর্ণ নিজস্ব বন্ধুবান্ধবরা মিলেই করতাম।এখন চাকুরীজীবি ম্যাচে, কলেজ ম্যাচে ও আয়োজন করি। তার ভাষায় এ রকম আয়োজনের মাধ্যমে অনেকের বন্ধুত্ব বৃদ্ধি পায়।

লেখক : ছাত্র, কম্পিউটার বিভাগ, ঢাকা প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়, গাজীপুর। 

সূত্র : লক্ষ্মীপুর টুয়েন্টিফোর ডটকম।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

September 2026
S S M T W T F
 1234
567891011
12131415161718
19202122232425
2627282930