মঙ্গলবার ২রা জুন, ২০২৬ ইং ১৯শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে অস্ত্রসহ দুই যুবক আটক চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা পরিষদের ভবনের স্থান পুনর্বিবেচনার দাবিতে মানববন্ধন সেনবাগে ইয়াবাসহ শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার লক্ষ্মীপুরে ১২শ’ পরিবারের মাঝে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা ঘোষণা : কফিল উদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে আনন্দ মিছিল চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা অনুমোদন : লক্ষ্মীপুরে আনন্দ মিছিল চন্দ্রগঞ্জে খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন চন্দ্রগঞ্জে যুবদলের কর্মী সম্মেলনে নুর হোসেন হারুন সভাপতি পদে এগিয়ে চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদলের কর্মী সম্মেলন কাল : সাধারণ সম্পাদক পদে লড়ছেন রিপন চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন কৃষকদলের ৫১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা

সোমবার সিঙ্গাপুর নেয়া হবে সুবীর নন্দীকে

বিনোদন ডেস্ক :

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে উন্নত চিকিৎসার জন্য সংগীতশিল্পী সুবীর নন্দীকে সিঙ্গাপুর নেওয়া হচ্ছে। সোমবার (২৯ এপ্রিল) তাকে এয়ার এম্বুলেন্সে করে সিঙ্গাপুরে নেয়া হবে। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এরআগে গত ১৪ এপ্রিল শ্রীমঙ্গল থেকে ঢাকা ফেরার পথে হৃদরোগে আক্রান্ত হলে সুবীর নন্দীকে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএএইচ) ভর্তি করা হয়। হাসপাতালে নেওয়ার কিছুক্ষণ পরে পুনরায় হৃদরোগে আক্রান্ত হন তিনি। ৩-৪ মিনিটের চেষ্টার পরে হৃদযন্ত্র সচল হলে নন্দিত এই সংগীতশিল্পীকে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়। এরপর থেকে সুবীর নন্দী সেখানেই চিকিৎসাধীন আছেন।

১৯৭৬ সালে ‘সূর্যগ্রহণ’ চলচ্চিত্র দিয়ে প্লেব্যাক ক্যারিয়ার শুরু সুবীর নন্দীর। পরে সহস্রাধিক চলচ্চিত্রের গানে কণ্ঠ দিয়েছেন তিনি। ১৯৮১ সালে প্রকাশিত হয় তার প্রথম একক অ্যালবাম ‘সুবীর নন্দীর গান’। এরপর একে একে প্রকাশিত হতে থাকে ‘প্রেম বলে কিছু নেই’, ‘ভালোবাসা কখনো মরে না’, ‘সুরের ভুবনে’, ‘গানের সুরে আমায় পাবে’, ‘প্রণামাঞ্জলী’ শিরোনামে তার একক অ্যালবাম। প্রতিটি অ্যালবামই শ্রোতাপ্রিয়তা পায়। তবে সুবীর নন্দীর প্রথম গান রেডিওতে, সিলেট বেতারে ১৯৬৭ সালে। ঢাকা বেতারে তার প্রথম গান ১৯৭০ সালে—‘যদি কেউ ধূপ জ্বেলে দেয়’।

সুবীর নন্দী জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন চার বার। বাচসাস পুরস্কারও পেয়েছেন চার বার। গানে অবদান রাখায় এ বছর তাকে ভূষিত করা হয়েছে দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা একুশে পদকে।

হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচং উপজেলার নন্দীপাড়ায় সুবীর নন্দীর জন্ম ১৯৫৩ সালের ১৯ নভেম্বর। বাবা চাকরি করতেন চা বাগানে। ছোটবেলা কেটেছে সেখানেই। ছোটবেলাতেই মা পুতুল রানীর কাছে গানে হাতেখড়ি। পরে শাস্ত্রীয় সংগীতে তালিম নিয়েছেন ওস্তাদ বাবর আলী খানের কাছে।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

জুন ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« মে    
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০