মঙ্গলবার ২রা জুন, ২০২৬ ইং ১৯শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে অস্ত্রসহ দুই যুবক আটক চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা পরিষদের ভবনের স্থান পুনর্বিবেচনার দাবিতে মানববন্ধন সেনবাগে ইয়াবাসহ শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার লক্ষ্মীপুরে ১২শ’ পরিবারের মাঝে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা ঘোষণা : কফিল উদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে আনন্দ মিছিল চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা অনুমোদন : লক্ষ্মীপুরে আনন্দ মিছিল চন্দ্রগঞ্জে খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন চন্দ্রগঞ্জে যুবদলের কর্মী সম্মেলনে নুর হোসেন হারুন সভাপতি পদে এগিয়ে চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদলের কর্মী সম্মেলন কাল : সাধারণ সম্পাদক পদে লড়ছেন রিপন চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন কৃষকদলের ৫১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা

ওষুধ প্রশাসনে তুঘলকি কাণ্ড : লক্ষ্মীপুরে দেড় হাজারের ড্রাগ লাইসেন্স পঁয়ত্রিশ হাজার!

আকাশবার্তা ডেস্ক :

বৈধভাবে ফার্মেসী ব্যবসা পরিচালনা করার জন্য প্রয়োজন ড্রাগ লাইসেন্স। আর সেটি সংগ্রহ করতে হয় ওষুধ তত্ত্বাবধায়ক কার্যালয় থেকে। এ সুযোগে প্রতিটি লাইসেন্সের জন্য গ্রাহকদের কাছ থেকে ২০ থেকে ৩৫ হাজার টাকা করে নিচ্ছেন লক্ষ্মীপুর ড্রাগ সুপার (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ ফজলুল হক। নির্দিষ্ট টাকা দিতে কেউ অপরাগতা প্রকাশ করলে শিকার হন নানা হয়রানিসহ লাইসেন্সপ্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত। ভুক্তভোগিরা বলছেন, ড্রাগ সুপারকে ম্যানেজ করে ফার্মেসীতে ওষুধ বিক্রেতারাই দিচ্ছেন সকল রোগের প্রেসক্রিপশন। এতে করে অপচিকিৎসার শিকার হচ্ছেন রোগীরা। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে কোনো কথা বলতে রাজি নন জেলা ওষুধ তত্ত্বাবধায়ক কার্যালয়ের এ কর্মকর্তা।

জানা যায়, বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ ওষুধ প্রশাসনের কাছ থেকে ড্রাগ লাইসেন্স সংগ্রহ করতে হয়। তার জন্য প্রয়োজন ফার্মাসীষ্টের অঙ্গীকারপত্র ও ফার্মেসী কাউন্সিল থেকে ৬ মাস মেয়াদি কোর্সের সনদপত্রসহ অন্যানো কাগজপত্র। এছাড়া লাইসেন্সের জন্য সরকারি ফি’ হচ্ছে, পৌর এলাকার জন্য ২ হাজার ৫’শ ও ইউনিয়নগুলোতে ১ হাজার ৫’শ টাকা। তাছাড়া প্রতি দুইবছর পর পর নবায়ন করতে হয় লাইসেন্সটি। এর জন্য পৌর এলাকায় ১৮’শ এবং ইউনিয়নগুলোর ফার্মেসীর ক্ষেত্রে ৭’শ টাকা ফি’ নির্ধারিত। কিন্তু এসব নিয়মগুলো অনিয়মে পরিণত হয়েছে লক্ষ্মীপুরের ড্রাগ সুপারের অর্থ বাণিজ্যের কারণে।

স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন, ফার্মেসী পরিচালকগণ কোনো ডিগ্রী না নিয়ে সকল রোগের চিকিৎসা প্রদান ও ব্যবস্থাপত্র ছাড়াই ওষুধ বিক্রি করায় প্রতিনিয়তই ঘটছে দুর্ঘটনা। আর এসব অনিয়ম ড্রাগ সুপারকে ম্যানেজ করেই করছেন তারা।

নাম প্রকাশ না করা শর্তে কয়েকজন ফার্মেসী ব্যবসায়ী বলেন, লাইসেন্স করতে ২০ থেকে ৩৫ হাজার টাকা দিতে হয় ড্রাগ সুপারকে। নির্দিষ্ট এই টাকা না দিলে নানা হয়রানির শিকার হতে হয় এবং বঞ্চিত হতে হয় লাইসেন্স প্রাপ্তি থেকে। তাই লাইসেন্সবিহীন ওষুধ ব্যবসা করে যাচ্ছেন অনেকেই। তবে সকল রোগের চিকিৎসা নয়, নিয়মানুযায়ী প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করছেন বলে তারা দাবি করেন।

এদিকে এসব অনিয়মের বিষয়ে কোনো কথা বলতে রাজি নয় লক্ষ্মীপুর ওষুধ তত্ত্বাবধায়ক কার্যালয়ের ড্রাগ সুপার (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ ফজলুল হক।

কথা হয় ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আইয়ুর হোসেনের সাথে। তিনি বলেন, যদি কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারি অনিয়ম করেন তাহলে তার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

জুন ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« মে    
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০