মঙ্গলবার ২রা জুন, ২০২৬ ইং ১৯শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে অস্ত্রসহ দুই যুবক আটক চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা পরিষদের ভবনের স্থান পুনর্বিবেচনার দাবিতে মানববন্ধন সেনবাগে ইয়াবাসহ শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার লক্ষ্মীপুরে ১২শ’ পরিবারের মাঝে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা ঘোষণা : কফিল উদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে আনন্দ মিছিল চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা অনুমোদন : লক্ষ্মীপুরে আনন্দ মিছিল চন্দ্রগঞ্জে খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন চন্দ্রগঞ্জে যুবদলের কর্মী সম্মেলনে নুর হোসেন হারুন সভাপতি পদে এগিয়ে চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদলের কর্মী সম্মেলন কাল : সাধারণ সম্পাদক পদে লড়ছেন রিপন চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন কৃষকদলের ৫১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা

যুবলীগের দায়িত্ব নেয়ার কারণ জানালেন ড. মীজান

আকাশবার্তা ডেস্ক :

গেল ১৭ অক্টোবর রাত ১১টায় একটি বেসকারি টিভি চ্যানেলে অনুষ্ঠিত টকশোয় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ভিসি ড. মীজানুর রহমান বলেছেন, আমাকে যদি বলা হয়, আপনি যুবলীগের দায়িত্ব নিতে পারবেন কিনা, সঙ্গে সঙ্গে উপাচার্যের পদ বা চাকরি ছেড়ে দেবো এবং যুবলীগের দায়িত্ব নেবো। ‍

জবি ভিসির এমন ইচ্ছার কথা জানার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাকে নিয়ে চলছে অনেকে আলোচনা-সমালোচনা। ভিসি পদের চেয়ে যুবলীগের চেয়ারম্যান পদকে প্রাধান্য দেয়ায় তাকে নিয়ে তোলপাড় চলছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। অনেকে ভিসির পদ বড় না যুবলীগের সভাপতি পদ?- এমন প্রশ্নও তুলছেন। আবার অনেকে ফেসবুকে তার পক্ষেও অবস্থান নিয়েছেন।

তবে উপাচার্য (ভিসি) পদের চেয়ে যুবলীগের দায়িত্ব নেয়াকে কেন বেশি গুরুত্বপূর্ণ মনে করেছেন, তার ব্যাখ্যা দিয়েছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ভিসি ড. মীজানুর রহমান।

তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার থেকে আমার ভিসি পদ ছেড়ে যুবলীগের দায়িত্ব নেয়ার বিষয়ে যে খবর প্রকাশিত হয়ে আসছে, সেখানে ভুল বোঝাবুঝির অবকাশ রয়েছে। মূলত একসঙ্গে দু‍ইটি কাজ না করার বিষয়টি বোঝাতে গিয়ে যুবলীগের দায়িত্ব নেয়ার কথা বলেছি।

ড. মীজান বলেন, মার্জিত শিক্ষিত লোকেরা রাজনীতিতে না এলে অযোগ্যরাই তাদের শাসক হয়ে বসবে। যোগ্যদের জন্য এটি প্রাকৃতিক শাস্তি।

তিনি বলেন, টেন্ডারবাজি, ক্যাসিনোসহ নানা দুর্নীতিতে যুবলীগের এক শতাংশ জড়িত। বাকি যে লাখ লাখ নেতাকর্মী আছেন, যারা করার মতো কোনও কাজই পাননি, তাদের সহযোগিতায় দেশ গড়ার দায়িত্ব পেলে আমি সেই দায়িত্ব নিতে আগ্রহী।

তিনি ‍আরো বলেন, যুবলীগের যে এক শতাংশ দুর্নীতিপরায়ণ, টেন্ডারবাজ, তার বাইরে গুরুত্বপূর্ণ রিসোর্স হিসেবে বিশাল যুবসমাজ রয়েছে। যারা দল ভালোবাসে, তাদের যদি কাজে লাগাতে পারি, সংগঠিত করতে পারি, তবে সেটা একটি ভালো কাজ হবে। ছাত্রলীগ-যুবলীগে যদি টাউট-বাটপাররা আসে, তাহলে তারা তো পরবর্তী সময়ে আওয়ামী লীগেই যাবে। ফলে দল তো আসলেই তখন তাদের নিয়েই তৈরি হবে। সেই জায়গায় আমাদের কাজ করার আছে। যদি প্রধানমন্ত্রী চান, আমি দায়িত্ব নেই, তাহলে সেই কাজটি করতে আগ্রহী হবো। উপাচার্যের দায়িত্ব ছেড়ে দেবো।

১৮/২০ বছর ধরে যুবলীগের কমিটিতে প্রেসিডিয়াম পদসহ বিভিন্ন পদে আছেন উল্লেখ করে ড. মীজান বলেন, এখন চেয়ারম্যান নেই। নিয়ম অনুযায়ী, চেয়ারম্যান না থাকলে আমার ঘাড়েই দায়িত্ব পড়ে। কিন্তু আমি অ্যাক্টিভ নই। এখন যদি প্রধানমন্ত্রী মনে করেন, আমাকে দায়িত্ব নিতে হবে, তখন আমি অ্যাক্টিভ হবো।’

তবে, ভিসি পদ ছেড়ে যুবলীগের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নিতে আগ্রহী হওয়ার বিষয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য প্রসঙ্গে ড. মীজান বলেন, ‘যেভাবে প্রকাশিত হচ্ছে, বিষয়টি তেমন ছিল না।

‍উল্লেখ্য, টানা তিন মেয়াদে ক্ষমতায় থাকা আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন যুবলীগ এখন অনেকটা বেকায়দায়। সংগঠনটির অনেক নেতাকর্মীর কর্মকাণ্ড নিয়ে বিভিন্ন সময় গণমাধ্যমে নেতিবাচক খবর প্রচারিত হলেও সবচেয়ে বেশি সমালোচিত হয় ক্যাসিনোকাণ্ড নিয়ে।

যুবলীগের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কারণেই সংগঠনটিকে এমন পরিস্থিতিতে পড়তে হয়েছে বলে অনেকেই মনে করছেন। ইতিমধ্যে কেন্দ্রীয় কাউন্সিলেরও তারিখ ঘোষণা হয়েছে। দলের জন্য ত্যাগীদের দিয়ে নতুন নেতৃত্ব আনার দাবি নেতাকর্মীদের। কেউ আবার বয়সসীমাও বেঁধে দেয়ার কথা বলছেন।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

জুন ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« মে    
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০