বৃহস্পতিবার ৩০শে জুলাই, ২০২৬ ইং ১৫ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
নবগঠিত চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার অস্থায়ী কার্যালয়ের উদ্বোধন লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে বিদেশি পিস্তল, গুলি ও মাদক সেবনের সরঞ্জাম উদ্ধার লক্ষ্মীপুরের শ্রেষ্ঠ উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার নির্বাচিত মাকছুদুর রহমান ভূঁইয়া ছোট ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে প্রাণ গেল বড় ভাইয়ের চন্দ্রগঞ্জে ১০০ পিস ইয়াবাসহ ৩ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার লক্ষ্মীপুরে সেরা ১০ উচ্চ বিদ্যালয়ের শীর্ষে প্রতাপগঞ্জ হাইস্কুল প্রতাপগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রীর অপহরণের চেষ্টার প্রতিবাদে মানববন্ধন, মহাসড়কে যানজট রায়পুরে একই পরিবারের ৩ জনকে কুপিয়ে হত্যা, দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বাংলাদেশ ২৪টি যুদ্ধবিমান কিনছে চীন থেকে সৌদি প্রবাসী শ্রমিকদের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ : আইনি ব্যবস্থার দাবি ভুক্তভোগীদের
লাল ও কালচে লাল রঙের বড় আকারের এই পেঁয়াজটির ওজন ৩৫০ গ্রাম, প্রতিটির দাম ৭০ টাকা।। ছবি : মাসুদ মিলাদ

একটি পেঁয়াজের দাম ৪০ থেকে ৭০ টাকা

আকাশবার্তা ডেস্ক :

দাম বাড়ার পর একটি পেঁয়াজের দাম কত হতে পারে? ১০ টাকা। ২০ টাকা। না, আপনার ধারণা ঠিক নয়। যাঁরা নিয়মিত বাজার-সদাই করেন, তাঁরা কিছুটা হলেও আঁচ করতে পারেন। বাজারে বড় আকারের একটি পেঁয়াজের দাম এখন ৪০ থেকে ৭০ টাকা।

বড় আকারের এই পেঁয়াজ আমদানি হচ্ছে চীন ও মিসর থেকে। লাল বা কালচে লাল রঙের একেকটি পেঁয়াজের ওজন ২০০ থেকে ৩৫০ গ্রাম পর্যন্ত। কেজিপ্রতি ২০০ টাকা দাম হিসাব করে বড় আকারের একটি পেঁয়াজের দাম পড়ছে ৪০ থেকে ৭০ টাকা। এ রকম বড় আকারের তিন থেকে পাঁচটি পেঁয়াজের ওজন মিলিয়ে এক কেজি হয়।

চট্টগ্রামের বায়েজিদ বোস্তামী সড়কের আলী স্টোরের বিক্রেতা মো. রফিক জানান, প্রতি বস্তায় ৩০০ থেকে ৩৫০ গ্রাম ওজনের বড় আকারের কিছু পেঁয়াজ থাকে। তবে বেশির ভাগই ২০০ থেকে ২৮০ গ্রাম ওজনের।

বাজারে এখন মিয়ানমারের মাঝারি আকারের যেসব পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে সেগুলোর একেকটির ওজন ২০ থেকে ২২ গ্রাম। এ হিসাবে মিয়ানমারের ১০ থেকে ১৬টি পেঁয়াজের সমান ওজন চীন বা মিসরের একটি পেঁয়াজের। ভারত রপ্তানি বন্ধের আগে দেশে মাঝারি আকারের ভারতীয় পেঁয়াজ এবং ছোট আকারের দেশীয় পেঁয়াজের সরবরাহ ছিল বাজারে।

লাল রং ছাড়াও হলুদ রঙের গোলাকার পেঁয়াজ আসছে চীন থেকে। একেকটি পেঁয়াজের ওজন ৭০ থেকে ১২০ গ্রাম। এ হিসাবে ১২-১৪টি পেঁয়াজে এক কেজি হয়। এ ধরনের পেঁয়াজের সরবরাহ কম।

চট্টগ্রাম বন্দর সূত্রে জানা যায়, ভারত রপ্তানি বন্ধের পর গত দেড় মাসে বন্দর দিয়ে মিসর থেকে ৩ হাজার ৩০৬ টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে। চীন থেকে আমদানি হয়েছে ৮৭৬ টন। মিসর থেকে আমদানি হওয়া বড় আকারের পেঁয়াজ একটু চ্যাপ্টা। চীনের পেঁয়াজ আকারে লম্বা।

পেঁয়াজ খালাসের আগে পোকামাকড় ও মান পরীক্ষা করে উদ্ভিদ সংঘ নিরোধ কেন্দ্র। চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরের সংঘ নিরোধ কেন্দ্রের উপ-পরিচালক আসাদুজ্জামান বুলবুল বলেন, চীন ও মিসর থেকে যেসব পেঁয়াজ আমদানি হচ্ছে তা আকারে বড়। তবে মান ভালো। এই দুই দেশ থেকে বড় আকারের পেঁয়াজই বেশি আসছে। পেঁয়াজ আমদানিতে বিকল্প দেশের সংখ্যা যত বাড়ছে, বৈচিত্র্যও তত বাড়ছে।

চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে মিসর ও চীন থেকে পেঁয়াজ আমদানি করেছে ১৯টি প্রতিষ্ঠান। এসব দেশ থেকে পেঁয়াজ আমদানি করে ঢাকার তাশো এন্টারপ্রাইজ। প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা অংশীদার সেলিমুল হক প্রথম আলোকে বলেন, একেক দেশের পেঁয়াজ দেখতে একেক রকম। মিসর ও চীনে বড় আকারের পেঁয়াজ যেমন আছে, তেমনি মাঝারি আকারের পেঁয়াজও উৎপাদন হয়।

খাতুনগঞ্জের ব্যবসায়ী মোহাম্মদ ইদ্রিস বলেন, মিসর ও চীনের বড় আকারের পেঁয়াজের সরবরাহ এখনো কম। আড়তে সব দোকানে নেই বড় আকারের পেঁয়াজ।

এদিকে কুমিল্লা থেকে নিজস্ব প্রতিবেদক গাজীউল হক জানান, কুমিল্লায় প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১৮০ টাকা থেকে ২২০ টাকায়। নগরের রাজগঞ্জ বাজারের রতন স্টোরে তিনটি পেঁয়াজের ওজন হয়েছে ১ হাজার ২০০ গ্রাম। ওই হিসাবে একটি পেঁয়াজের দাম পড়ে ৭২ টাকা।

দোকানের স্বত্বাধিকারী রতন মজুমদার বলেন, ‘বড় আকারের পেঁয়াজগুলো মিসর থেকে এসেছে। একেকটির ওজন প্রায় আধা কেজির মতো। বেশি দামে কিনলে বেশি দামে বিক্রি করতে হয়।’ তিনি আরও বলেন, দুই দিন আগে বড় আকারের ওই পেঁয়াজ একই দোকানে কেজিপ্রতি ১১০ টাকায় বিক্রি হয়। দুই দিনের ব্যবধানে একলাফেই কেজিতে ৭০ টাকা বেড়েছে। এদিকে আশপাশের অন্য দোকানে ২২০ টাকা কেজি দরে পেঁয়াজ বিক্রি হতে দেখা গেছে।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

জুলাই ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« জুন    
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১