রবিবার ২১শে জুন, ২০২৬ ইং ৭ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
সৌদি প্রবাসী শ্রমিকদের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ : আইনি ব্যবস্থার দাবি ভুক্তভোগীদের লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে অস্ত্রসহ দুই যুবক আটক চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা পরিষদের ভবনের স্থান পুনর্বিবেচনার দাবিতে মানববন্ধন সেনবাগে ইয়াবাসহ শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার লক্ষ্মীপুরে ১২শ’ পরিবারের মাঝে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা ঘোষণা : কফিল উদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে আনন্দ মিছিল চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা অনুমোদন : লক্ষ্মীপুরে আনন্দ মিছিল চন্দ্রগঞ্জে খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন চন্দ্রগঞ্জে যুবদলের কর্মী সম্মেলনে নুর হোসেন হারুন সভাপতি পদে এগিয়ে চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদলের কর্মী সম্মেলন কাল : সাধারণ সম্পাদক পদে লড়ছেন রিপন

৪ ডিসেম্বর লক্ষ্মীপুর হানাদার মুক্ত দিবস

নিজস্ব প্রতিবেদক :

আজ ৪ ডিসেম্বর মঙ্গলবার লক্ষ্মীপুর হানাদার মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এ দিনে হানাদার বাহিনীর আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে লক্ষ্মীপুরে প্রকাশ্যে লাল সবুজের পতাকা উত্তোলন করেন মুক্তিযোদ্ধারা।
দীর্ঘ ৯ মাস যুদ্ধকালীন সময়ে জেলার ৫টি উপজেলায় ব্যাপক অগ্নিসংযোগ, ধর্ষণসহ নিরীহ জনসাধারণকে নৃশংসভাবে হত্যা করে পাক বাহিনী। লক্ষ্মীপুরের বিভিন্নস্থানে তাদের মোকাবেলায় মুক্তিবাহিনী প্রায় ১৯টি সম্মুখযুদ্ধসহ ২৯টি দুঃসাহসিক অভিযান চালিয়ে লক্ষ্মীপুরকে হানাদার মুক্ত করে মুক্তিযোদ্ধারা।

এসব যুদ্ধে সৈয়দ আবদুল হালীম বাসু, মনছুর আহমদ, আবু ছায়েদসহ ৩৫জন বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন। ওই সময়ে রাজাকারদের সহযোগিতা নিয়ে পাকহানাদার বাহিনী আরো জানা-অজানা কয়েক হাজার নারী-পুরুষকে হত্যা করে।

৭১ সালের রনাঙ্গণের বীর মুক্তিযোদ্ধা মাহবুবুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা তোফায়েল আহম্মদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা রাজ্জাকুল হায়দার জানান, লক্ষ্মীপুর জেলা কীভাবে পাক হানাদার মুক্ত হয়।

তারা জানান, সে সময়ে বিভিন্ন এলাকা থেকে ধরে এনে মাদাম ব্রীজের উপর থেকে গুলি করে নারী-পুরুষসহ অনেক মুক্তিযোদ্ধাকে হত্যা করা হয়। জ্বালিয়ে দেয়া হয় মুক্তিকামী হাজারো মানুষের ঘরবাড়ি। পরে ৪ ডিসেম্বর প্রয়াত মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল হায়দার চৌধুরী ও সুবেদার প্রয়াত আবদুল মতিনের নেতৃত্বে দেড় শতাধিক মুক্তিযোদ্ধা একত্রিত হন। বিভক্ত হয়ে দালাল বাজার, লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার দক্ষিণ হামছাদি, শাখারী পাড়ার মিঠানীয়া খালপাড়সহ বাগবাড়িস্থ রাজাকার ক্যাম্পে হামলা চালান এসব মুক্তিযোদ্ধারা। এ সময় ৭০-৮০ জন পাকিস্তানী মেলিটারী ও রাজাকারকে আটক করে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র উদ্ধার করেন তারা। ওই দিনই হানাদার মুক্ত হয় লক্ষ্মীপুর। উত্তোলন করা হয় স্বাধীন বাংলাদেশের লাল সবুজের পতাকা।

যুদ্ধকালিন সময়ে নারকীয় হত্যাযজ্ঞের আজও নীরব সাক্ষী হয়ে আছে শহরের মাদাম ব্রীজ, বাগবাড়িস্থ গণকবর, সারের গোডাউনে পরিত্যাক্ত টর্চারসেল, বধ্যভূমি, পেয়ারাপুর ব্রীজ, বাসুবাজার গণকবর।
১৯৭১ সালের এ দিনে পাক বাহিনীদের পরাজিত করে লক্ষ্মীপুরকে হানাদার মুক্ত করেন মুক্তিযোদ্ধারা।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

জুন ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« মে    
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০