সর্বশেষ:
শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা : হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড বহাল লক্ষ্মীপুর বাজুস নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে ব্যবসায়ীদের সভা লক্ষ্মীপুরে ছুরিকাঘাতে শিশু নিহত, ঘাতক পলাতক চন্দ্রগঞ্জে মাদক বিরোধী র‍্যালি ও পথসভা সোনারগাঁয়ে অবৈধভাবে চুন কারখানা পরিচালনায় পরিবেশ দূষণের অভিযোগ চন্দ্রগঞ্জ উপজেলায় শ্রেষ্ঠ প্রতাপগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় চন্দ্রগঞ্জে পূবালী ব্যাংকের ক্যাশলেস কার্যক্রম উদ্বোধন নবগঠিত চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার অস্থায়ী কার্যালয়ের উদ্বোধন লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে বিদেশি পিস্তল, গুলি ও মাদক সেবনের সরঞ্জাম উদ্ধার লক্ষ্মীপুরের শ্রেষ্ঠ উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার নির্বাচিত মাকছুদুর রহমান ভূঁইয়া

৪ ডিসেম্বর লক্ষ্মীপুর হানাদার মুক্ত দিবস

নিজস্ব প্রতিবেদক :

আজ ৪ ডিসেম্বর মঙ্গলবার লক্ষ্মীপুর হানাদার মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এ দিনে হানাদার বাহিনীর আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে লক্ষ্মীপুরে প্রকাশ্যে লাল সবুজের পতাকা উত্তোলন করেন মুক্তিযোদ্ধারা।
দীর্ঘ ৯ মাস যুদ্ধকালীন সময়ে জেলার ৫টি উপজেলায় ব্যাপক অগ্নিসংযোগ, ধর্ষণসহ নিরীহ জনসাধারণকে নৃশংসভাবে হত্যা করে পাক বাহিনী। লক্ষ্মীপুরের বিভিন্নস্থানে তাদের মোকাবেলায় মুক্তিবাহিনী প্রায় ১৯টি সম্মুখযুদ্ধসহ ২৯টি দুঃসাহসিক অভিযান চালিয়ে লক্ষ্মীপুরকে হানাদার মুক্ত করে মুক্তিযোদ্ধারা।

এসব যুদ্ধে সৈয়দ আবদুল হালীম বাসু, মনছুর আহমদ, আবু ছায়েদসহ ৩৫জন বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন। ওই সময়ে রাজাকারদের সহযোগিতা নিয়ে পাকহানাদার বাহিনী আরো জানা-অজানা কয়েক হাজার নারী-পুরুষকে হত্যা করে।

৭১ সালের রনাঙ্গণের বীর মুক্তিযোদ্ধা মাহবুবুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা তোফায়েল আহম্মদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা রাজ্জাকুল হায়দার জানান, লক্ষ্মীপুর জেলা কীভাবে পাক হানাদার মুক্ত হয়।

তারা জানান, সে সময়ে বিভিন্ন এলাকা থেকে ধরে এনে মাদাম ব্রীজের উপর থেকে গুলি করে নারী-পুরুষসহ অনেক মুক্তিযোদ্ধাকে হত্যা করা হয়। জ্বালিয়ে দেয়া হয় মুক্তিকামী হাজারো মানুষের ঘরবাড়ি। পরে ৪ ডিসেম্বর প্রয়াত মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল হায়দার চৌধুরী ও সুবেদার প্রয়াত আবদুল মতিনের নেতৃত্বে দেড় শতাধিক মুক্তিযোদ্ধা একত্রিত হন। বিভক্ত হয়ে দালাল বাজার, লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার দক্ষিণ হামছাদি, শাখারী পাড়ার মিঠানীয়া খালপাড়সহ বাগবাড়িস্থ রাজাকার ক্যাম্পে হামলা চালান এসব মুক্তিযোদ্ধারা। এ সময় ৭০-৮০ জন পাকিস্তানী মেলিটারী ও রাজাকারকে আটক করে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র উদ্ধার করেন তারা। ওই দিনই হানাদার মুক্ত হয় লক্ষ্মীপুর। উত্তোলন করা হয় স্বাধীন বাংলাদেশের লাল সবুজের পতাকা।

যুদ্ধকালিন সময়ে নারকীয় হত্যাযজ্ঞের আজও নীরব সাক্ষী হয়ে আছে শহরের মাদাম ব্রীজ, বাগবাড়িস্থ গণকবর, সারের গোডাউনে পরিত্যাক্ত টর্চারসেল, বধ্যভূমি, পেয়ারাপুর ব্রীজ, বাসুবাজার গণকবর।
১৯৭১ সালের এ দিনে পাক বাহিনীদের পরাজিত করে লক্ষ্মীপুরকে হানাদার মুক্ত করেন মুক্তিযোদ্ধারা।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

September 2026
S S M T W T F
 1234
567891011
12131415161718
19202122232425
2627282930