মঙ্গলবার ২রা জুন, ২০২৬ ইং ১৯শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে অস্ত্রসহ দুই যুবক আটক চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা পরিষদের ভবনের স্থান পুনর্বিবেচনার দাবিতে মানববন্ধন সেনবাগে ইয়াবাসহ শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার লক্ষ্মীপুরে ১২শ’ পরিবারের মাঝে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা ঘোষণা : কফিল উদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে আনন্দ মিছিল চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা অনুমোদন : লক্ষ্মীপুরে আনন্দ মিছিল চন্দ্রগঞ্জে খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন চন্দ্রগঞ্জে যুবদলের কর্মী সম্মেলনে নুর হোসেন হারুন সভাপতি পদে এগিয়ে চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদলের কর্মী সম্মেলন কাল : সাধারণ সম্পাদক পদে লড়ছেন রিপন চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন কৃষকদলের ৫১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা

গণিপুর কমিউনিটি ক্লিনিকে ওষুধ বিতরণে অর্থ আদায়, সেবা বঞ্চিত রোগীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক :

লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার চন্দ্রগঞ্জ ইউপির গণিপুর কমিউনিটি ক্লিনিকে কর্মরত স্বাস্থ্য সহকারি ও কমিউনিটি হেল্থ কেয়ার প্রোভাইডর মোঃ বাহার উদ্দিনের বিরুদ্ধে অফিস ফাঁকি, ওষুধ বিতরণে অর্থ আদায়, ব্যক্তিগত চেম্বারে দেখা করার জন্য রোগীদের বাধ্য করাসহ ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। সরেজমিনে সকাল ১০টায় ৩দিন যাওয়ার পর একদিন ক্লিনিক খোলা পাওয়া যায়। বেশিরভাগ সময় ব্যক্তিগত চেম্বারে রোগী দেখা নিয়ে ব্যস্ত থাকেন তিনি। রোগীদের অভিযোগ, বেলা ১১টার আগে তিনি ক্লিনিকে আসেন না। অন্যদিকে রোগী দেখে ওষুধ বিতরণে টাকা নেওয়ার অভিযোগ করেন রোগীরা।

গত বৃহস্পতিবার (০৫ ডিসেম্বর) বেলা ১১টায় গিয়ে দেখা যায়, গণিপুর কমিউনিটি ক্লিনিকের সামনে অপেক্ষায় আছেন অনেক রোগী। এসময় স্বাস্থ্য সহকারি মোঃ বাহার উদ্দিন অফিসে ডুকেন।

স্থানীয় সেবা প্রত্যাশী রোগী ফাতেমা বেগম, সামছু উদ্দিন, জহির মিয়াসহ অনেকে অভিযোগ করেন, ডাক্তার (হেল্থ প্রোভাইডর) বেলা ১১টা পর্যন্ত গণিপুরস্থ কামারহাট বাজারে তামান্না মেডিকেল হলে ব্যক্তিগত চেম্বারে রোগী দেখেন। এরপর তিনি ক্লিনিকে আসেন। তারা অভিযোগ করেন, রোগীদের প্রয়োজনের তুলনায় ওষুধ কম দেওয়া হয়। অন্যদিকে ২/৩ পদের ওষুধ দিলেও বাকী ওষুধ বাইরে থেকে কিনে নেওয়ার পরামর্শ দেন তিনি। তাছাড়া রোগীদের কাছ থেকে ওষুধ দেয়ার সময় ২০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত আদায় করেন অভিযুক্ত স্বাস্থ্য সহকারী মো. বাহার উদ্দিন।

সেবা প্রত্যাশীরা অভিযোগ করেন, সপ্তাহে ২/৩ দিন এমনিতেই লক্ষ্মীপুরে সেমিনার বা ট্রেনিংয়ের নামে ক্লিনিক বন্ধ থাকে। অন্যদিন খোলা থাকলেও ডাক্তার আসেন বেলা ১১টায়। এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগিরা।

ক্লিনিকে কর্তব্যরত স্বাস্থ্য সহকারি মোঃ বাহার উদ্দিন ওষুধ নিতে টাকা আদায়ের অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করে তিনি বলেন- ক্লিনিকের বিদ্যুতের বিল, পরিস্কার-পরিচ্চন্নতার জন্য ব্লিচিং কেনাসহ বিভিন্ন কাজে খরচ তাকেই বহন করতে হয়। তাই রোগীদের কাছ থেকে টাকা নেন। তবে অফিসে দেরি করে আসার অভিযোগের বিষয়ে অস্বীকার করেন তিনি।

এ ব্যাপারে জেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের উপ-পরিচালক ডা. আশফাকুর রহমান মামুন মুঠোফোনে বলেন, তার বিরুদ্ধে এসব অভিযোগের প্রমাণ পাওয়া গেলে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি বলেন, আমি এখনই ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বিষয়টি সিভিল সার্জন মহোদয়কে অবহিত করবো। ডা. মামুন আরো বলেন, আপনারা মাঝে মধ্যে কমিউনিটি ক্লিনিকগুলো ভিজিট করে অনিয়ম সম্পর্কে আমাদের জানালে ভালো হয়, তাহলে আমরা ব্যবস্থা নিতে সহজ হবে।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

জুন ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« মে    
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০