বুধবার ৩রা জুন, ২০২৬ ইং ২০শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে অস্ত্রসহ দুই যুবক আটক চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা পরিষদের ভবনের স্থান পুনর্বিবেচনার দাবিতে মানববন্ধন সেনবাগে ইয়াবাসহ শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার লক্ষ্মীপুরে ১২শ’ পরিবারের মাঝে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা ঘোষণা : কফিল উদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে আনন্দ মিছিল চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা অনুমোদন : লক্ষ্মীপুরে আনন্দ মিছিল চন্দ্রগঞ্জে খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন চন্দ্রগঞ্জে যুবদলের কর্মী সম্মেলনে নুর হোসেন হারুন সভাপতি পদে এগিয়ে চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদলের কর্মী সম্মেলন কাল : সাধারণ সম্পাদক পদে লড়ছেন রিপন চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন কৃষকদলের ৫১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা

আদালতে যা বললেন সু চি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

মিয়ানমারের রাখাইনে গণহত্যা, গণধর্ষণ ও জাতিগত নির্মূল অভিযানের সব অভিযোগ অস্বীকার করে দেশটির স্টেট কাউন্সিলর অং সান সু চি বলেছেন, রাখাইনে কোনো অপরাধ সংঘটিত হয়ে থাকলে তা দেশটির সেনা আইনে বিচার করা হবে।

বুধবার (১১‌ ডিসেম্বর) এ মামলার দ্বিতীয় দিনের শুনানিতে রাখাইনের ঘটনাকে আভ্যন্তরীণ সংঘাত বলেও মন্তব্য করেন। শুনানির শুরুতে গাম্বিয়ার ব্যাপক সমালোচনা করেন মিয়ানমারের বেসমারিক সরকার অংশের প্রধান সু চি।

সু চি তাঁর বক্তব্যের শুরুতে আন্তর্জাতিক আইন ও সনদসমূহের বাধ্যবাধকতা মেনে চলতে আদালত সহায়তা করবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন।

তিনি বলেন, গণহত্যা সনদের বিধান রুয়ান্ডা এবং সাবেক ইয়োগোশ্লাভিয়ায় প্রয়োগ করা হয়নি। গাম্বিয়া বিভ্রান্তিকর তথ্য দাবি করেছে।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, তার দেশের বিরুদ্ধে বিশ্ব আদালতে ‘অসম্পূর্ণ ও ভুল’ মামলা দায়ের করেছে গাম্বিয়া।

সু চি বলেন, পশ্চিমাঞ্চলীয় রাখাইন রাজ্যের সংঘাত ‘জটিল ও সহজে পরিমাপযোগ্য নয়’। একইসঙ্গে সেখানে কোনো কোনো ক্ষেত্রে অপ্রয়োজনীয় সামরিক শক্তি প্রয়োগের ঘটনা ঘটে থাকতে পারে।

অং সান সু চি বলেন, জাতিগত সংঘাতে নয়, সশস্ত্র গোষ্ঠীর আধিপত্যের কারণে রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে।

এদিকে রোহিঙ্গা ইস্যুতে মিয়ানমারের আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী বিচার হওয়া অযৌক্তিক বলে উল্লেখ করেন সু চি।

তিনি আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে বলেন, সুষ্ঠু প্রক্রিয়ায় অপরাধীদের দ্রুত বিচার চলছে।

সু চি বলেন, আন্তর্জাতিক হস্তক্ষেপ হলে দোষী সেনা সদস্যদের বিচার প্রক্রিয়া থমকে যাবে। আন্তর্জাতিক বিচার প্রক্রিয়ার চেয়ে যেকোনো দেশের অভ্যন্তরীণ বিচার প্রক্রিয়া সব সময় দ্রুত সম্পন্ন হয়।

অন্যদিকে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া লোকজনকে ফিরিয়ে আনার জন্য কাজ চলছেও বলে জানান সুচি। এজন্য বাংলাদেশের সঙ্গে করা চুক্তির আলোকেই তাদের ফেরত নেয়া হবে বলেও জানিয়েছে মিয়ানমারের এই নেত্রী।

মঙ্গলবার আইসিজেতে ১৭ জন বিচারপতির উপস্থিতিতে প্রথম দিনের শুনানি হয়। প্রথম দিনে অভিযোগকারী দেশ গাম্বিয়ার আইনমন্ত্রী আবুবকর মারি তামবাদু মানবতাবিরোধী নৃশংসতার অভিযোগগুলো তুলে ধরেন।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

জুন ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« মে    
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০