রবিবার ২১শে জুন, ২০২৬ ইং ৭ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
সৌদি প্রবাসী শ্রমিকদের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ : আইনি ব্যবস্থার দাবি ভুক্তভোগীদের লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে অস্ত্রসহ দুই যুবক আটক চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা পরিষদের ভবনের স্থান পুনর্বিবেচনার দাবিতে মানববন্ধন সেনবাগে ইয়াবাসহ শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার লক্ষ্মীপুরে ১২শ’ পরিবারের মাঝে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা ঘোষণা : কফিল উদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে আনন্দ মিছিল চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা অনুমোদন : লক্ষ্মীপুরে আনন্দ মিছিল চন্দ্রগঞ্জে খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন চন্দ্রগঞ্জে যুবদলের কর্মী সম্মেলনে নুর হোসেন হারুন সভাপতি পদে এগিয়ে চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদলের কর্মী সম্মেলন কাল : সাধারণ সম্পাদক পদে লড়ছেন রিপন

পদ্মাসেতুর ১৯তম স্প্যান বসছে আজ

আকাশবার্তা ডেস্ক :

আজ বুধবার (১৮ ডিসেম্বর) বসতে যাচ্ছে পদ্মাসেতুর ১৯তম স্প্যান। বুধবার সেতুর মাওয়া প্রান্তের ২১ ও ২২ নম্বর পিয়ারের (খুঁটি) উপর ৪-সি নামের ১৫০ মিটার দৈর্ঘ্যের তিন হাজার ১৪০ টন ওজনের স্প্যানটি বসতে যাচ্ছে। এর ফলে দৃশ্যমান হতে যাচ্ছে পদ্মা সেতুর দুই হাজার ৮৫০ মিটার।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পদ্মাসেতুর এক প্রকৌশলী জানান, ‘৪-সি’ স্প্যান বর্তমানে মুন্সিগঞ্জের মাওয়া কুমারভোগ কনস্ট্রাকশন ইয়ার্ডে প্রস্তুত করে রাখা আছে। বুধবার সকাল সাড়ে ৮টায় মাওয়া থেকে ধূসর রংয়ের ১৫০ মিটার দৈর্ঘ্য ও ৩ হাজার ১৪০ টন স্প্যানটিকে নিয়ে যাবে ৩ হাজার ৬০০ টন ধারণক্ষমতার ‘তিয়ান-ই’ ভাসমান ক্রেন। অনুকূল আবহাওয়া ও কারিগরি কোনো ত্রুটি দেখা না দিলে ৩-৪ ঘণ্টার মধ্যেই স্প্যানটিকে নির্ধারিত পিলারের উপর বসিয়ে দেয়া সম্ভব হবে। ১৯তম স্প্যান বসিয়ে দৃশ্যমান হবে সেতুর ২ হাজার ৮৫০ মিটার।

এর আগে গেলো বুধবার সেতুতে ১৭ ও ১৮ নম্বর পিয়ারের (খুঁটি) ওপর স্প্যান স্থাপন করা হয়। সেতুর ৪২টি পিয়ারের মধ্যে ৩৫টির নির্মাণকাজ পুরোপুরি শেষ হয়েছে। ৮, ১০, ১১, ২৬, ২৭, ২৯ ও ৩০ নম্বর পিয়ারের কাজ এখনও বাকি। এগুলো আগামী এপ্রিলে মধ্যে শেষ হবে বলে আশাবাদী প্রকল্প সংশ্নিষ্টরা।

দক্ষিণবঙ্গের ২১ জেলাকে সড়কপথে রাজধানীর সঙ্গে যুক্ত করতে পদ্মা নদীর ওপর সেতু নির্মাণের পরিকল্পনা নেয়া হয় প্রায় ২০ বছর আগে। ২০০১ সালের ৪ জুলাই মাওয়ায় সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। সাত বছর থেমে থাকার পর ২০০৮ সালে সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় সেতু নির্মাণে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা ব্যয় ধরে প্রকল্প শুরু হয়। কিন্তু দুর্নীতির অভিযোগ তুলে ২০১২ সালে বিশ্বব্যাংক ঋণচুক্তি বাতিল করলে পরের বছর নিজস্ব অর্থায়নে সেতু নির্মাণের ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

৩০ হাজার ১৯৩ কোটি টাকায় পদ্মাসেতুর নির্মাণকাজ গত বছরের নভেম্বরে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও তা হয়নি। দুই বছর সময় বাড়িয়ে আগামী বছরের ডিসেম্বরে সেতুর কাজ শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে। সেতু নির্মাণের কাজ করছে চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি।

প্রকল্প-সংশ্নিষ্টরা জানিয়েছেন, ২০১৪ সালের মার্চে নদীতে পাইলিংয়ের মাধ্যমে সেতুর ভৌত অবকাঠামো নির্মাণকাজ শুরু হয়। ২০১৫ সালের ১১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সেতুর কাজের অগ্রগতি ছিল ১৭ শতাংশ। পরের এক বছরে অগ্রগতি বেড়ে হয় ৪০ শতাংশ। ২০১৬ সালের ১১ ডিসেম্বর অগ্রগতি ছিল ৫২ শতাংশ। গত দুই বছরে অগ্রগতি হয়েছে ৩২ শতাংশ।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

জুন ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« মে    
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০