বুধবার ৩রা জুন, ২০২৬ ইং ২০শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে অস্ত্রসহ দুই যুবক আটক চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা পরিষদের ভবনের স্থান পুনর্বিবেচনার দাবিতে মানববন্ধন সেনবাগে ইয়াবাসহ শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার লক্ষ্মীপুরে ১২শ’ পরিবারের মাঝে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা ঘোষণা : কফিল উদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে আনন্দ মিছিল চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা অনুমোদন : লক্ষ্মীপুরে আনন্দ মিছিল চন্দ্রগঞ্জে খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন চন্দ্রগঞ্জে যুবদলের কর্মী সম্মেলনে নুর হোসেন হারুন সভাপতি পদে এগিয়ে চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদলের কর্মী সম্মেলন কাল : সাধারণ সম্পাদক পদে লড়ছেন রিপন চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন কৃষকদলের ৫১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা

চুলকাটায় টিকটক অপুর মন খারাপ : আইনজীবী

আকাশবার্তা ডেস্ক :

টিকটক অপু নামে পরিচিত ইয়াসীন আরাফাত অপুকে কারাগারে পাঠানোর সময় তাঁর চুল ছিল বড় ও সবুজ রঙের। ১৫ দিন পর গতকাল মঙ্গলবার জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর তাঁর সেই চুল আর দেখা যায়নি। কারাগারে চুল কেটে ছোট করায় অপুর মন খারাপ হয়েছে বলে জানিয়েছেন তাঁর আইনজীবী জাহানারা বেগম।     

বুধবার আইনজীবী জাহানারা বেগম বলেন, ‘অপু মডেলিং করেন, এটা তাঁর পেশা। কাজের প্রয়োজনে তিনি চুল বড় রেখেছিলেন এবং ভিন্ন রং করিয়েছিলেন। কিন্তু কারাগারে তাঁর চুল কেটে ছোট করা হয়েছে। এতে তাঁর মন খারাপ হয়ে গেছে।’ আইন অনুযায়ী হাজতি কারো চুল কেটে দেওয়া যায় কি না, জানতে চাইলে জাহানারা বেগম বলেন, ‘কারা কর্তৃপক্ষ বিষয়টি ভালো বলতে পারবে।’

এ বিষয়ে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের জ্যেষ্ঠ জেল সুপার ইকবাল কবীর চৌধুরী বলেন, ‘কারাগারে একজন আসামিকে আনার পর তাঁকে শৃঙ্খলার মধ্যেই রাখা হয়। একজন আসামি চাইলেই নিজের মতো জীবনযাপন করতে পারেন না। কারাবিধি অনুযায়ী শৃঙ্খলার জন্য প্রত্যেক আসামির চুল ছোট করার নিয়ম রয়েছে। এ জন্য তাঁর চুল ছোট করা হতে পারে।’  

জানা গেছে, গত ২ আগস্ট রাজধানীর উত্তরার ৬ নম্বর সেক্টরের আলাওল অ্যাভিনিউতে রাস্তা দখল করে অপু এবং তাঁর কয়েকজন সহযোগী আড্ডা দিচ্ছিলেন। সে সময় মেহেদী হাসান নামের এক ব্যক্তি বন্ধুদের নিয়ে গাড়িতে চড়ে ওই সড়ক দিয়ে যাচ্ছিলেন। সে সময় মেহেদী রাস্তা ছাড়তে হর্ন দেন। কেন হর্ন দেওয়া হলো—এ নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। পরে তা হাতাহাতি ও মারামারির পর্যায়ে গড়ায়।

পরের দিন গত ৩ আগস্ট দুপুরে মেহেদী হাসানের বাবা এস এম মাহবুব আলম বাদী হয়ে মারামারি ও ছিনতাইয়ের অভিযোগ এনে উত্তরা পূর্ব থানায় একটি মামলা করেন। মামলায় অপুসহ আটজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরো ৩০ জনকে আসামি করা হয়। পরে পুলিশ ওই মামলায় অপু ও সহযোগী নাজমুলকে গ্রেপ্তার করে। গত ৪ আগস্ট অপু ও নাজমুলকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে তাঁদের তিন দিনের রিমান্ড আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক (এসআই) আজিজ তালুকদার। তবে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদা আক্তার রিমান্ডের আবেদন নাকচ করে আসামিদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

আদালতের সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা (জিআরও) মোহাম্মদ জালাল জানিয়েছিলেন, গত ১৭ আগস্ট ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মামুন অর রশিদের আদালতে জামিন আবেদন করা হলে অপুকে জামিন দেওয়া হয়। পরে তাঁর মুক্তিনামা কারাগারে পাঠানো হয়।

এরপর অপু গতকাল ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পান। অপুর গ্রামের বাড়ি নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী এলাকায়। তিনি ঢাকার দক্ষিণখানের একটি বাসায় থাকতেন।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

জুন ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« মে    
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০