সর্বশেষ:
সোনারগাঁয়ে অবৈধভাবে চুন কারখানা পরিচালনায় পরিবেশ দূষণের অভিযোগ চন্দ্রগঞ্জ উপজেলায় শ্রেষ্ঠ প্রতাপগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় চন্দ্রগঞ্জে পূবালী ব্যাংকের ক্যাশলেস কার্যক্রম উদ্বোধন নবগঠিত চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার অস্থায়ী কার্যালয়ের উদ্বোধন লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে বিদেশি পিস্তল, গুলি ও মাদক সেবনের সরঞ্জাম উদ্ধার লক্ষ্মীপুরের শ্রেষ্ঠ উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার নির্বাচিত মাকছুদুর রহমান ভূঁইয়া ছোট ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে প্রাণ গেল বড় ভাইয়ের চন্দ্রগঞ্জে ১০০ পিস ইয়াবাসহ ৩ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার লক্ষ্মীপুরে সেরা ১০ উচ্চ বিদ্যালয়ের শীর্ষে প্রতাপগঞ্জ হাইস্কুল প্রতাপগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রীর অপহরণের চেষ্টার প্রতিবাদে মানববন্ধন, মহাসড়কে যানজট

৩ তলা মাটির ঘর, উচ্চতা ৪০ ফুট

এক্সক্লুসিভ ডেস্ক :

তিনতলা ঘর নির্মাণ করা হয়েছে। তবে ইট, সিমেন্ট, বালি ও রড দিয়ে নয়, তৈরি করা হয়েছে মাটি দিয়ে। অবিশ্বাস্য হলেও বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলার নিমাইদীঘি গ্রামে রয়েছে ৪৩ বছর আগে বানানো সাত কক্ষের একটি ঘর। এই ঘরের মালিক ইদ্রিস আলী মন্ডল। বর্তমানে বাড়িটিতে ইদ্রিস আলী মন্ডলসহ তার স্ত্রী, এক ছেলে ও দুই মেয়ে বসবাস করছেন।

সরেজমিনে দেখা গেছে, নন্দীগ্রাম উপজেলা সদর থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার পশ্চিম-উত্তরে থালতা মাজগ্রাম ইউনিয়নের নিমাইদীঘি গ্রামে মাটির তিনতলা বাড়িটি অবস্থিত। বাড়িটি ১২ শতক জমির ওপর নির্মিত। মাটির বাড়িতে টিনের ছাউনি দেয়া আছে।

মাটির ঘরটি দেখতে অনেকটা প্রাসাদের মতো। ১৯৭৬ সালে বাড়িটি নির্মাণ করেন ওই গ্রামের বাসিন্দা আব্দুর রশিদ মন্ডল। তিনি শখের বসে এ বাড়িটি তৈরি করেছিলেন। তার মৃত্যুর পর একমাত্র ছেলে ইদ্রিস আলী মন্ডল বসবাস করছেন সেখানে। তবে তার এই স্মৃতি এখনো আছে।

ইদ্রিস আলী মন্ডল গণমাধ্যমকে বলেন, মাটি, খড় ও পানি ভিজিয়ে কাদায় পরিণত করে ২০-৩০ ইঞ্চি চওড়া করে দেয়াল তৈরি করা হয়। এ দেয়াল তৈরিতে বেশ সময় লাগে। কারণ একসঙ্গে বেশি উঁচু করে মাটির দেয়াল তৈরি করা যায় না।

প্রতিবার এক থেকে দেড় ফুট উঁচু করে দেয়াল তৈরি করা হয়। কয়েকদিন পর শুকিয়ে গেলে আবার তার ওপর একই উচ্চতার দেয়াল তৈরি করা হয়। এ ভাবে তিনতলা বাড়িটির ৩৫-৪০ ফুট উঁচু নির্মিত হয়েছে।

স্বাভাবিকভাবে মাটির তিনতলা বাড়ি নির্মাণ করতে ৫ মাস সময় লাগে। তবে এই বাড়িটি সম্পন্ন করতে সময় লেগেছিল প্রায় ৯ মাস। সেই সময় এর পেছনে কাজ করেছিল অর্ধশতাধিক শ্রমিক। তিনতলায় ওঠার জন্য রয়েছে মই।

বর্তমানে বাড়িটিতে ইদ্রিস আলী মন্ডলসহ তার স্ত্রী, এক ছেলে ও দুই মেয়ে বসবাস করছেন। তবে যথাযথভাবে সংরক্ষণ করতে পারলে বাড়িটি হয়ে উঠতে পারে গ্রাম বাংলার একটি অন্যতম দর্শনীয় স্থান। প্রতিদিন দূর-দূরান্ত থেকে এ বাড়িটি দেখার জন্য লোক আসে।

এ বিষয়ে থালতা মাজগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন বলেন, এটি গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য বহন করে। উপজেলার সবচেয়ে বড় তিনতলা মাটির ঘর এটাই। বর্তমানে মাটির ঘরের স্থান দখল করে নিয়েছে ইট, সিমেন্ট, বালি ও রডের তৈরি পাকা ঘর। তবে গ্রাম বাংলার প্রাচীন ঐতিহ্যের ধারক বাহক ও পর্যটকদের জন্য দৃষ্টিনন্দন দর্শনীয় স্থান নিমাইদীঘি গ্রাম।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

August 2026
S S M T W T F
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031