রবিবার ৩১শে মে, ২০২৬ ইং ১৭ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা পরিষদের ভবনের স্থান পুনর্বিবেচনার দাবিতে মানববন্ধন সেনবাগে ইয়াবাসহ শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার লক্ষ্মীপুরে ১২শ’ পরিবারের মাঝে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা ঘোষণা : কফিল উদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে আনন্দ মিছিল চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা অনুমোদন : লক্ষ্মীপুরে আনন্দ মিছিল চন্দ্রগঞ্জে খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন চন্দ্রগঞ্জে যুবদলের কর্মী সম্মেলনে নুর হোসেন হারুন সভাপতি পদে এগিয়ে চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদলের কর্মী সম্মেলন কাল : সাধারণ সম্পাদক পদে লড়ছেন রিপন চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন কৃষকদলের ৫১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা গণমাধ্যম সপ্তাহের স্বীকৃতিসহ সাংবাদিকদের ১৪ দফা দাবি, কর্মসূচি ঘোষণা

“এক টাকা” দেনমোহরে বিয়ে, বৈধ না হারাম!

ইসলামী জগত ডেস্ক :

আজকাল সোশ্যাল মিডিয়ায় খুব আলোচিত বিষয় “এক টাকা” দেনমোহরে বিয়ে। সেলিব্রেটি থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ এই স্রোতে গা ভাসিয়েছেন অনেকে, প্রশংসা কুড়িয়েছেন সবার। তবে আদৌও কী ‘এক টাকা বা নামমাত্র অংকে’ দেনমোহর দেয়া ইসলাম ধর্মে বৈধ? 

ইসলাম ধর্মে বিয়ের অন্যতম শর্ত দেনমোহর। বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার সময় স্ত্রীকে দেনমোহর দেওয়া স্বামীর জন্য বাধ্যতামূলক একটি কর্তব্য। দেনমোহর যেমন স্ত্রীর অধিকার তেমনই স্বামীর জন্য ফরজ একটি বিষয়। ইসলাম ধর্মনুসারে বিয়ের আগে স্ত্রীর দাবি অনুযায়ী তাকে নগদ অর্থ, সোনা-রূপা কিংবা স্থাবর সম্পদ দিয়ে তাকে গ্রহন করতে হবে এবং বিয়ের আগেই স্ত্রীর নির্ধারিত দেনমোহর পরিশোধ করতে হবে, নাহলে স্ত্রী ঐ স্বামীর জন্য হালাল হবে না।
 
তবে ‘এক টাকা বা নামমাত্র অংকে’ দেনমোহর দেয়া কি বৈধ? 

ইদানিং দেখা যায় বিয়েকে স্মরণীয় রাখতে কিংবা উদারতা দেখাতে অনেকেই ১ টাকা দেনমোহর বা নামমাত্র অংকে দেনমোহর নির্ধারণ করে বিয়ে করার কৃতিত্ব দেখিয়ে থাকেন। যা ইসলাম ধর্মানুসারে যায়েজ না। কারণ মহান আল্লাহ তাআলা পুরুষদের সম্পদ ব্যয়ের মাধ্যমে বিয়ে করার নির্দেশ দিয়েছেন। আবার হাদিসে সর্বনিম্ন মোহর কত হবে সে সম্পর্কে সুস্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে। সূরা নিসার আয়াত ৪-এ বলা হয়েছে , ‘তোমরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে নারীদের মোহর দাও।’

তাহলে এখন প্রশ্ন উঠতে পারে মোহর কী? 

মোহর মূলত একটি সম্মানি, যা স্বামী তার স্ত্রীকে দিয়ে থাকেন। এই মোহর দেওয়ার মূল উদ্দেশ্যই হল নারীকে সম্মান ও মর্যাদা দেয়া। অর্থাৎ যখন কোনো পুরুষ তার স্ত্রীকে ঘরে আনবে তখন তাকে মর্যাদার সহিত আনবে এবং এমন কিছু উপহার দেবে, যা তাকে সম্মানিত করে। এছাড়াও ইসলামি শরিয়তে উল্লেখ রয়েছে,  মোহর এত অল্প নির্ধারণ না করা, যাতে মর্যাদার কোনো ইঙ্গিত না থাকে। আবার এত অধিকও নির্ধারণ না করা, যা পরিশোধ করা স্বামীর পক্ষে সম্ভব না হয়।

দেনমোহর সর্বনিম্ন কতটুকু পরিমান হতে পারবে তা হাদিসে নির্ধারিত রয়েছে। হাদিসে বলা হয়েছে সর্বনিম্ন দেনমোহর হলো ১০ দিরহাম বা ৩০.৬১৮ রূপার সমপরিমাণ মূল্য। অর্থাৎ, অনেক ইসলামিক স্কলারের মতে, যদি ১০ দিরহামের কমে কোনো নারী দেনমোহর নির্ধারণে রাজি হয় তবে এ দেনমোহর ইসলামের দৃষ্টিতে বৈধ হবে না।

তবে সর্বনিম্ন পরিমান উল্লেখ থাকলেও, দেনমোহরের সর্বোচ্চ কোনো পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়নি। ১০ দিরহামের ওপরে যে কোনো পরিমাণ দেনমোহর নির্ধারণ করায় কোনো বাধা নেই। 

তবে স্বামীকে যেহেতু বাধ্যতামূলক দেনমোহর পরিশোধ করতে হবে তাই তার সামর্থ্য বিবেচনা করে দেনমোহর নির্ধারণ করা উচিত। নারীর নিরাপত্তার বিষয়টি ভেবে স্বামীর সামর্থ্যের বাইরে দেনমোহর চাপিয়ে দেয়া উচিত নয় কারণ দেনমোহর পরিশোধ করতে না পারলে স্বামী গোনাহগার হবে।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

মে ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« এপ্রিল    
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১