শনিবার ১৮ই এপ্রিল, ২০২৬ ইং ৫ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
লক্ষ্মীপুরে ১৪৪ ধারা ভেঙে মিছিল :   বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জুলাই যোদ্ধা ফোর্সের সংঘর্ষ : পুলিশসহ আহত ১০ চট্টগ্রাম বিভাগীয় শ্রমিক দলের সদস্য হলেন মনির আহম্মদ রাজন কফিলউদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন ঈদের আগে অস্থির মুরগির বাজার, সবজিতে স্বস্তি আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা ফ্লাইট বাতিলে ভিসার মেয়াদ শেষ হলে সহায়তা করবে সরকার চন্দ্রগঞ্জে অস্ত্র-গুলিসহ ৩ ডাকাত গ্রেপ্তার চন্দ্রগঞ্জ প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়ার মাহফিল ভূমিকম্প মোকাবিলায় ঢাকায় ১ লাখ স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুতের নির্দেশ ইসরায়েলে ও যুক্তরাষ্ট্রে এমন হামলা হবে, যা তারা আগে কখনো দেখেনি

নিজের মেয়েকে ধর্ষণের দায়ে বাবার যাবজ্জীবন

আইন আদালত ডেস্ক : 

ঢাকার আব্দুল্লাহপুরে নিজের ১৩ বছর বয়সী মেয়েকে ধর্ষণের দায়ে এক রিকশা চালককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। বয়স কম হওয়ায় আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড না দিয়ে সংশোধনের সুযোগ দিতে যাবজ্জীবন সাজা দেয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (৯ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার ৭ নম্বর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক বেগম মোছা. কামরুন্নাহার এ রায় দেন।

যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের পাশাপাশি আসামি কামাল হোসেনকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে রায়ে। দণ্ডিত কামাল হোসেনের বাড়ি খাগড়াছড়ির ভুইপাড়া এলাকার জালিয়াপাড়া গ্রামে।

মামলার নথি থেকে জানা যায়, ধর্ষণের শিকার মেয়েটি আসামি কামাল হোসেনের প্রথম ঘরের সন্তান। বছর আটেক আগে মেয়েটির মায়ের সঙ্গে কামালের বিচ্ছেদ হয়। এরপর থেকে খাগড়াছড়িতে নানির কাছে থাকত ওই কিশোরী।

এদিকে কামাল হোসেন পরে লিপি বেগম নামে আরেকজনকে বিয়ে করেন। ২০১৯ সালের এপ্রিল মাসে কামাল তার মেয়েকে খাগড়াছড়ি থেকে রূপনগর আবাসিক এলাকায় তাদের বস্তিতে নিয়ে যান। এ নিয়ে লিপি বেগমের সঙ্গে তার ঝগড়াও হয়।

পরে মেয়েকে নিয়ে আব্দুল্লাহবাগ এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় ওঠেন কামাল। ৪ মে ও ৫ মে সেখানে তিনি নিজের সন্তানকে ধর্ষণ করেন। মেয়েটি তখন ভয়ে-লজ্জায় খাগড়াছড়িতে তার মামার বাড়ি ফিরে যাওয়ার চেষ্টা করে। পথে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে।

পরে মেয়েটি নিজে বাদী হয়ে বাড্ডা থানায় তার বাবার বিরুদ্ধে মামলা করে। পুলিশ কামালকে গ্রেপ্তার করার পর দুই দিন রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে।

রিমান্ড শেষে আদালতে হাজির করা হলে কামাল হোসেন দোষ স্বীকার করে জবানবিন্দ দেন। এর পর থেকেই তিনি কারাগারে আছেন।

এ মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আফরোজা ফারহানা অরেঞ্জ বলেন, আসামি ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছিলেন। মামলার অন্যান্য আলামত এবং ডিএনএ আসামির সঙ্গে মিলে গেছে। রায়ে তাকে পুরনো আইনের সর্বোচ্চ সাজা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

এপ্রিল ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« মার্চ    
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০