সোমবার ১লা জুন, ২০২৬ ইং ১৮ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে অস্ত্রসহ দুই যুবক আটক চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা পরিষদের ভবনের স্থান পুনর্বিবেচনার দাবিতে মানববন্ধন সেনবাগে ইয়াবাসহ শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার লক্ষ্মীপুরে ১২শ’ পরিবারের মাঝে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা ঘোষণা : কফিল উদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে আনন্দ মিছিল চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা অনুমোদন : লক্ষ্মীপুরে আনন্দ মিছিল চন্দ্রগঞ্জে খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন চন্দ্রগঞ্জে যুবদলের কর্মী সম্মেলনে নুর হোসেন হারুন সভাপতি পদে এগিয়ে চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদলের কর্মী সম্মেলন কাল : সাধারণ সম্পাদক পদে লড়ছেন রিপন চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন কৃষকদলের ৫১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা

করোনার চেয়েও যক্ষ্মা ভয়ঙ্কর : জানালেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আকাশবার্তা ডেস্ক :

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, করোনাভাইরাসের চেয়েও যক্ষ্মা ভয়ঙ্কর। করোনাভাইরাস গত এক বছরে মৃত্যু হয়েছে সাড়ে আট হাজার। অন্যদিকে গত বছরে যক্ষ্মা রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ৩৬ হাজারের বেশি মানুষের। সেই হিসাবে গত বছরে করোনায় মৃত্যুর চেয়ে যক্ষ্মা রোগে আক্রান্ত হয়ে চার গুণ বেশি রোগীর মৃত্যু হয়েছে। তাই কোনো রোগকে অবহেলা করা যাবে না।

বুধবার (৯ মার্চ) বিকেলে রাজধানীর একটি হোটেলে বছরব্যাপী যক্ষ্মা সচেতনতা কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

‘যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণে গণমাধ্যমের ভূমিকা’ শীর্ষক সেমিনারে বক্তব্য রাখেন-বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য উল্লেখ করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির পরিচালক অধ্যাপক ডা. সামিউল ইসলাম, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম,
সংসদ সদস্য অ্যারোমা দত্ত, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা, গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব শাইখ সিরাজ, বাংলাদেশ হেলথ রিপোর্টার্স ফোরামের সভাপতি তৌফিক মারুফ, অভিনেত্রী ত্রপা মজুমদার, মীরা দত্ত প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, যক্ষ্মা এমন একটি রোগ, যা সারা বিশ্বে আছে। বাংলাদেশে এখনও অনেক রোগী শনাক্তের বাইরে আছে। এদের পরীক্ষার আওতায় এনে চিকিৎসা দিলে দেশকে যক্ষ্মামুক্ত করা যাবে।

তিনি আরও বলেন, বছরে প্রায় ৪০ হাজার মানুষ যক্ষ্মায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়। আর করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত এক বছরে প্রায় সাড়ে আট হাজার মানুষ মারা গেছে। তবে, দুটি রোগের লক্ষণেই যথেষ্ট মিল রয়েছে। রোগ ছড়ানোর উপায়ও প্রায় একই ধরনের। দুটি রোগের ক্ষেত্রেই ফুসফুসের সংক্রমণ ঘটে থাকে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের কারণে বিশ্ব বিপর্যস্ত। গত নয় বছরে যেটুকু এগিয়ে ছিল, এক বছরেই ১০ বছর বিশ্বকে পিছিয়ে দিয়েছে। স্বাস্থ্যখাতকে অবেহলা করে কোনোমতে এগোনো সম্ভব নয়। এই খাতে আরও বিনিয়োগ বাড়াতে হবে।

তিনি বলেন, স্বাস্থ্যখাত ঠিক না থাকলে অর্থনীতি ভীষণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। করোনাভাইরাসের কারণে বিশ্বে ১২ ট্রিলিয়ন ডলার, বাংলাদেশে ১২ থেকে ২০ বিলিয়ন ডলার ক্ষতি হয়েছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য উল্লেখ করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির পরিচালক অধ্যাপক ডা. সামিউল ইসলাম বলেন, বিশ্বের ৩০টি দেশে যক্ষ্মা রোগীর সংখ্যা সর্বাধিক।

এর মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম। ২০২০ সালে বাংলাদেশে নতুন রোগীর সংখ্যা দুই লাখ ৯২ হাজার ৯৪০ জন। ২০১০ সালে বাংলাদেশে যক্ষ্মা রোগে আনুমানিক মৃত্যু ছিল প্রতি লাখে ৫৪ জন, যা ২০২০ সালে ২৪ জনে এসে দাঁড়িয়েছে। চিকিৎসায় ভালো হয়েছে ৯৬ শতাংশ রোগী। এমনকি চিকিৎসার মাধ্যমে গত ১০ বছরে প্রায় ১০ লাখ মানুষের জীবন বাঁচানো সম্ভব হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম বলেন, যক্ষ্মা শরীরের একটি মাত্র অঙ্গের রোগ নয়। শরীরের যেকোনো জায়গায় যক্ষ্মা হয়তো হতে পারে। সে ব্যাপারে দেশের জনগণকে সচেতন করার দায়িত্ব আমাদের। যক্ষ্মার ওষুধ খেলে যক্ষ্মা ভালো হয়ে যায়। ২০৩৫ সালের মধ্যে বাংলাদেশ থেকে যক্ষ্মা নির্মূল করতে বছরব্যাপী এই কর্মসূচি চলবে।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

জুন ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« মে    
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০