সর্বশেষ:
চন্দ্রগঞ্জে ১২ মামলার পলাতক আসামি শাহাদাত গ্রেপ্তার শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা : হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড বহাল লক্ষ্মীপুর বাজুস নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে ব্যবসায়ীদের সভা লক্ষ্মীপুরে ছুরিকাঘাতে শিশু নিহত, ঘাতক পলাতক চন্দ্রগঞ্জে মাদক বিরোধী র‍্যালি ও পথসভা সোনারগাঁয়ে অবৈধভাবে চুন কারখানা পরিচালনায় পরিবেশ দূষণের অভিযোগ চন্দ্রগঞ্জ উপজেলায় শ্রেষ্ঠ প্রতাপগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় চন্দ্রগঞ্জে পূবালী ব্যাংকের ক্যাশলেস কার্যক্রম উদ্বোধন নবগঠিত চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার অস্থায়ী কার্যালয়ের উদ্বোধন লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে বিদেশি পিস্তল, গুলি ও মাদক সেবনের সরঞ্জাম উদ্ধার

বাড়লো পেঁয়াজের দাম

অর্থ বাণিজ্য ডেস্ক :

একদিনের ব্যবধানে রাজধানীর বাজারগুলোতে খুচরায় কেজিতে ১০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে পেঁয়াজের দাম। পাইকারিতে বেড়েছে ৫ টাকা পর্যন্ত।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, লকডাউনের কারণে বাজারে পেঁয়াজ কম আসছে। এর সঙ্গে পরিবহন খরচও বেড়ে গেছে। ভারত থেকে পেঁয়াজ আনতে বেশি খরচ করতে হচ্ছে। সবকিছু মিলিয়ে পেঁয়াজের দাম বেড়েছে। সামনে আরও বাড়তে পারে।

এদিকে খুচরা ও পাইকারি উভয় বাজারে পেঁয়াজের দাম বাড়লেও দুই বাজারের দামের মধ্যে বড় ধরনের পার্থক্য দেখা গেছে। পাইকারির তুলনায় খুচরা বাজারে প্রতি কেজি পেঁয়াজের দাম ১৫ টাকার মতো বেশি দেখা গেছে।

শনিবার (৩ জুলাই) রাজধানীর বিভিন্ন খুচরা বাজারে খোঁজ নিয়ে দেখা যায়, বেশিরভাগ ব্যবসায়ী দেশি পেঁয়াজ বিক্রি করছেন ৬০ টাকা কেজি দরে। কোনো কোনো দোকানে ৫৫ টাকা কেজিতেও পেঁয়াজ পাওয়া যাচ্ছে। অথচ একদিন আগেই (শুক্রবার) বেশিরভাগ দোকানে ৫০ টাকায় প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে।

অন্যদিকে পাইকারি বাজারে দেশি পেঁয়াজের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪২ থেকে ৪৫ টাকা, যা আগে ছিল ৩৭ থেকে ৩৮ টাকার মধ্যে।

হঠাৎ পেঁয়াজের দাম বাড়ার বিষয়ে খিলগাঁওয়ের ব্যবসায়ী ফজর আলী বলেন, পাইকারিতে পেঁয়াজের দাম অনেক বেড়েছে। কেজিতে ৫ টাকা বেশি দিয়ে আজ পেঁয়াজ কিনে এনেছি। এর সঙ্গে ভ্যান ভাড়াও বেশি দিতে হয়েছে। ফলে বাড়তি দামে পেঁয়াজ বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছি।

তিনি বলেন, কম দামে কিনতে পারায় গতকাল ৫০ টাকা কেজি দরে পেঁয়াজ বিক্রি করেছি। এখন বেশি দামে কেনার কারণে ৬০ টাকা কেজি বিক্রি করছি। কিন্তু ক্রেতা খুব কম। লকডাউনের কারণে মানুষ কম বের হচ্ছে, বিক্রিও কম হচ্ছে।

রামপুরায় ভ্যানে পেঁয়াজ বিক্রি করা মতিন পাটোয়ারী বলেন, শ্যামবাজার থেকে মাল এনে দিনেরটা দিনে বিক্রি করি। যেদিন যেমন কেনা পড়ে, বিক্রি করতে হয় তেমন দামে। বেশি দামে কেনার কারণে আজ ৬০ টাকা কেজি বিক্রি করছি। পরিস্থিতি দেখে মনে হচ্ছে সামনে পেঁয়াজের দাম আরও বাড়বে।

মালিবাগ হাজীপাড়া বৌবাজারে ৫০ টাকা কেজি দরে পেঁয়াজ বিক্রি করছিলেন মো. জাহাঙ্গীর। তিনি বলেন, পাইকারিতে পেঁয়াজের দাম বেড়েছে শুনছি। কিন্তু লকডাউনের মধ্যে শ্যামবাজারে যাইনি। আমার পেঁয়াজ আগে কেনা তাই এখনও ৫০ টাকা কেজি বিক্রি করছি। আগামীকাল থেকে বাড়তি দামে পেঁয়াজ বিক্রি করতে হতে পারে। কারণ আগের কেনা পেঁয়াজ আজ শেষ হয়ে যাবে।

শ্যামবাজার পেঁয়াজ ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক হাজি মোহাম্মদ মাজেদ বলেন, লকডাউনের কারণে দেশের বিভিন্ন পাইকারি বাজারে পেঁয়াজ কম আসছে। আবার পরিবহন খরচও বেড়ে গেছে। সব মিলে পাইকারিতে পেঁয়াজের দাম কেজিতে ৩-৪ টাকা বেড়েছে। আমাদের ধারণা, সামনে পেঁয়াজের দাম আরও বাড়তে পারে।

তিনি আরও বলেন, এখন ভারত থেকে পেঁয়াজ খুব একটা আসছে না। দেশি পেঁয়াজ দিয়েই বাজার চলছে। ভারত থেকে পেঁয়াজ আনতে আমাদের ৪৭-৪৮ টাকা খরচ পড়ে। সেখানে দেশি পেঁয়াজ আমরা ৪৩-৪৪ টাকা কেজি বিক্রি করছি। দুদিন আগে এই পেঁয়াজ ৩৭-৩৮ টাকা কেজি বিক্রি করেছি।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

September 2026
S S M T W T F
 1234
567891011
12131415161718
19202122232425
2627282930