সোমবার ২২শে জুন, ২০২৬ ইং ৮ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
সৌদি প্রবাসী শ্রমিকদের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ : আইনি ব্যবস্থার দাবি ভুক্তভোগীদের লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে অস্ত্রসহ দুই যুবক আটক চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা পরিষদের ভবনের স্থান পুনর্বিবেচনার দাবিতে মানববন্ধন সেনবাগে ইয়াবাসহ শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার লক্ষ্মীপুরে ১২শ’ পরিবারের মাঝে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা ঘোষণা : কফিল উদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে আনন্দ মিছিল চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা অনুমোদন : লক্ষ্মীপুরে আনন্দ মিছিল চন্দ্রগঞ্জে খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন চন্দ্রগঞ্জে যুবদলের কর্মী সম্মেলনে নুর হোসেন হারুন সভাপতি পদে এগিয়ে চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদলের কর্মী সম্মেলন কাল : সাধারণ সম্পাদক পদে লড়ছেন রিপন

কোরবানির পশু : ১৪ মণ ওজনের ‘বস’, দাম হাকিয়েছেন ৫ লাখ

চন্দ্রগঞ্জ (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি :

কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে ১৪ মণ ওজনের এই ষাঁড় গরুটির দাম হাকিয়েছেন ৫ লাখ টাকা। খামারের মালিক মো. রাসেল তার নাম রেখেছেন ‘বস’। এবার লক্ষ্মীপুরে স্থানীয়ভাবে গড়ে ওঠা খামারের মধ্যে এটি সর্বোচ্চ ওজনের গরু।

লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার চন্দ্রগঞ্জ থানাধীন দত্তপাড়া বাজার সংলগ্ন বড় আমগাছতলা নামক এলাকার যুবক মো. রাসেলের খামারে এবার কোরবানির ঈদ উপলক্ষে ছোট বড় ৪০টি গরু বিক্রির জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে। খামারের নাম দিয়েছেন, ‘সামছুন নাহার এগ্রো এন্ড ডেইরী ফার্ম’।

এরমধ্যে ‘বস’ নামীয় ষাঁড় গরুটির ওজন ১৪ মণ বলে জানিয়েছেন রাসেল। সাড়ে ৩ বছর ধরে তিনি পরম যতেœ কালো রঙের ষাঁড় গরুটি লালন পালন করে বড় করেছেন। ইতিমধ্যে চাটখিল উপজেলার এক ধর্ণাঢ্য ব্যক্তি ‘বস’ এর দাম সাড়ে ৩ লাখ পর্যন্ত বলেছেন। তবে, খামারের মালিক রাসেল জানান, সাড় ৪ লাখ হলে তিনি গরুটি বিক্রি করবেন।

‘সামছুন নাহার এগ্রো এন্ড ডেইরী ফার্ম’ এর মালিক টগবগে যুবক মো. রাসেল জানান, ২০০৮ সালে নিজের জায়গায় বর্গা হিসেবে একটি বাছুর গরু দিয়ে তিনি খামারটি শুরু করেন। ২ বছর পরে ওই গরুটি ৯৫ হাজার টাকা বিক্রি করে, বর্গা হিসেবে তিনি ৩৮ হাজার টাকা পান। এরপর তিনি, নিজস্বভাবে ৪টি বাছুর গরু দিয়ে খামারটি চালু রাখেন। বর্তমানে তার খামারে ষাঁড় ও খাঁসি জাতের ৪০টি গরু আছে। এছাড়া দুগ্ধজাতের ২টি গরু, একটি মহিষ ও বেশকিছু খাঁসি ছাগলও রয়েছে। প্রতিদিন একেকটি গরুর খাদ্যের জন্য ৪শ’ থেকে সাড়ে ৪শ’ টাকা খরচ হয়। খামারের দেখা শোনার জন্য লোক রেখেছেন ৪ জন।

যুবক মো. রাসেল আরো জানান, গত সাড়ে ৩ বছর ধরে দানাদার ও লিকুইড খাদ্য হিসেবে খৈল, গম, ভুট্টা, বুট ও ছোলার ভুষি, চিটাগুড়, ভিজানো চাল, খুদের ভাত, খড়, ঘাঁস ও কুড়া খাওয়ানো হয় গরুগুলোকে। ‘বস’ নামের গরুটির পিছনে খরচ একটু বেশি। যদি ‘বস’কে সাড়ে লাখ টাকা বিক্রি করতে পারি, তাহলে আমার খরচ পুষিয়ে কিছু লাভ হবে।

অবিবাহিত যুবক মো. রাসেল বলেন, এবার কোরবানির ঈদে ভালো দামে গরুগুলো বিক্রি করতে পারলে পরিবারে আর্থিক স্বচ্ছলতা ফিরে আসবে। পাশাপাশি একটি বসতঘরও নির্মাণ করতে পারবো।

সদর উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা মো. যোবায়ের হোসেন জানান, দত্তপাড়ায় রাসেলের গরু খামারটি খুবই চমৎকার। আমরা একটি খামারটি নিয়ে ভবিষ্যতে আরো বেশি আশাবাদি। নিয়মিতভাবে আমাদের প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তারা খামারটি দেখাশোনা করেন। এবারের ঈদে মো. রাসেলের প্রতিষ্ঠিত সামছুন নাহার এগ্রো এন্ড ডেইরী ফার্মে জেলার সর্বোচ্চ ওজনের একটি ষাঁড় জাতের গরুসহ ৪০টি গরু রয়েছে।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

জুন ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« মে    
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০