সর্বশেষ:
শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা : হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড বহাল লক্ষ্মীপুর বাজুস নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে ব্যবসায়ীদের সভা লক্ষ্মীপুরে ছুরিকাঘাতে শিশু নিহত, ঘাতক পলাতক চন্দ্রগঞ্জে মাদক বিরোধী র‍্যালি ও পথসভা সোনারগাঁয়ে অবৈধভাবে চুন কারখানা পরিচালনায় পরিবেশ দূষণের অভিযোগ চন্দ্রগঞ্জ উপজেলায় শ্রেষ্ঠ প্রতাপগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় চন্দ্রগঞ্জে পূবালী ব্যাংকের ক্যাশলেস কার্যক্রম উদ্বোধন নবগঠিত চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার অস্থায়ী কার্যালয়ের উদ্বোধন লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে বিদেশি পিস্তল, গুলি ও মাদক সেবনের সরঞ্জাম উদ্ধার লক্ষ্মীপুরের শ্রেষ্ঠ উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার নির্বাচিত মাকছুদুর রহমান ভূঁইয়া

পদ্মা সেতুর বিরোধিতাকারীদের চিহ্নিত করা দরকার : হাইকোর্ট

আইন আদালত ডেস্ক :

‘পদ্মা সেতু আমাদের জাতীয় সম্পদ। এটা আমাদের অহংকার। এ ধরনের জাতীয় স্বার্থ ও উন্নয়নের বিরুদ্ধে যারা থাকেন, তারা জাতির শত্রু, দেশের শত্রু, তাদের চিহ্নিত করা দরকার’ বলে মন্তব্য করেছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (২৭ জুন) এ বিষয়ে এক শুনানির সময় বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কাজী মো. ইজারুল হক আকন্দের হাইকোর্ট বেঞ্চ এমন মন্তব্য করেন।

আদালতের তার পর্যবেক্ষণে বলেন, ‘পদ্মা সেতু আমাদের জাতীয় সম্পদ। এটা আমাদের অহংকার। এ ধরনের জাতীয় স্বার্থ ও উন্নয়নের বিরুদ্ধে যারা থাকেন, তারা জাতির শত্রু, দেশের শত্রু, তাদের চিহ্নিত করা দরকার।’

পদ্মা সেতু নির্মাণের চুক্তি নিয়ে দুর্নীতির মিথ্যা গল্প সৃষ্টির নেপথ্যের ষড়যন্ত্রকারীদের খুঁজে বের করতে কমিশন গঠন প্রশ্নে জারি করা রুল শুনানির দিন নির্ধারণের সময় এমন মন্তব্য করেন আদালত।

সোমবার (২৭ জুন) বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কাজী মো. ইজারুল হক আকন্দের হাইকোর্ট বেঞ্চের কার্যতালিকার দ্বিতীয় নম্বরে ছিল।

বিভিন্ন পত্রিকার সংবাদ বিবেচনায় নিয়ে হাইকোর্ট ২০১৭ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি কমিশন গঠনের আদেশ দেন। আদেশে পদ্মা সেতু নির্মাণের চুক্তি ও এ বিষয়ে দুর্নীতির মিথ্যা গল্প সৃষ্টির নেপথ্যের প্রকৃত ষড়যন্ত্রকারীদের খুঁজে বের করতে তদন্ত কমিশন বা কমিটি গঠন করতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না এবং দোষীদের কেন বিচারের মুখোমুখি করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন।

রুলে মন্ত্রিপরিষদ, স্বরাষ্ট্র, আইন ও সেতু সচিব, পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) এবং দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) চেয়ারম্যানকে দুই সপ্তাহের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়। পাশাপাশি ৩০ দিনের মধ্যে একটি প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয় আদালতে।

বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক ও বিচারপতি মোহাম্মদ উল্লাহর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। কিন্তু সরকারের পক্ষ থেকে বারবার সময় নেওয়ায় এরই ধারাবাহিকতায় ওই বছরের ২ আগস্ট হাইকোর্ট ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং ৩১ আগস্টের মধ্যে কমিশন গঠন করে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করতে নির্দেশ দেন। পরবর্তীতে সরকারের পক্ষ থেকে সেতু মন্ত্রণালয়ের চিঠি যুক্ত করে অগ্রগতি প্রতিবেদন দাখিল করা হয় আদালতে। ওই প্রতিবেদনের সঙ্গে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগকে সেতু মন্ত্রণালয়ের একটি চিঠি সংযুক্ত করা হয়।

সেতু মন্ত্রণালয়ের চিঠিতে দেখা যায়, এ সংক্রান্ত বিষয়ে তদন্ত কমিশনের সদস্য হিসেবে পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্পের উপ-প্রকল্প পরিচালক (কারিগরি) মো. কামরুজ্জামানকে প্রতিনিধি হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে।

শুনানিতে হাইকোর্ট বেঞ্চ বলেছিলেন, ‘পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে দেখা যায়, পদ্মা সেতু নির্মাণের চুক্তি নিয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীসহ সরকারের উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তোলা হয়েছে। এ অভিযোগ ওঠার পর বিশ্বব্যাংক ও অপরাপর দাতা সংস্থা অর্থায়ন প্রত্যাহার করে নিয়েছে। যা জাতির মর্যাদাকে মারাত্মকভাবে আঘাত করছে।’

আদালত বলেন, এ দুর্নীতির সঙ্গে কানাডিয়ান কোম্পানির তিন কর্মকর্তার বিরুদ্ধেও অভিযোগ ওঠে। এ বিষয়টি কানাডিয়ান আদালতে বিচার হয়েছে। বিচারে আদালত তাদেরকে খালাস দিয়েছেন। অভিযোগের প্রমাণ পায়নি আদালত।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

September 2026
S S M T W T F
 1234
567891011
12131415161718
19202122232425
2627282930