মঙ্গলবার ২৮শে জুলাই, ২০২৬ ইং ১৩ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
নবগঠিত চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার অস্থায়ী কার্যালয়ের উদ্বোধন লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে বিদেশি পিস্তল, গুলি ও মাদক সেবনের সরঞ্জাম উদ্ধার লক্ষ্মীপুরের শ্রেষ্ঠ উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার নির্বাচিত মাকছুদুর রহমান ভূঁইয়া ছোট ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে প্রাণ গেল বড় ভাইয়ের চন্দ্রগঞ্জে ১০০ পিস ইয়াবাসহ ৩ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার লক্ষ্মীপুরে সেরা ১০ উচ্চ বিদ্যালয়ের শীর্ষে প্রতাপগঞ্জ হাইস্কুল প্রতাপগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রীর অপহরণের চেষ্টার প্রতিবাদে মানববন্ধন, মহাসড়কে যানজট রায়পুরে একই পরিবারের ৩ জনকে কুপিয়ে হত্যা, দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বাংলাদেশ ২৪টি যুদ্ধবিমান কিনছে চীন থেকে সৌদি প্রবাসী শ্রমিকদের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ : আইনি ব্যবস্থার দাবি ভুক্তভোগীদের

লক্ষ্মীপুরে ভালোবাসার টানে ইন্দোনেশিয়ান তরুণী

এক্সক্লুসিভ ডেস্ক :

বাংলাদেশি তরুন মামুন হোসেন ও ইন্দোনেশিয়ার তরুনী সিতি রাহাইউ। দুইজনেই মালয়েশিয়ায় একটি প্রতিষ্ঠানে চাকুরি করেন। চাকুরির সুবাদে তাদের পরিচয় ও প্রেম। সেই প্রেমের টানে বাংলাদেশে ছুটে এসেছেন সিতি রাহাইউ নামের এই ইন্দোনেশিয়ান তরুণী। শনিবার (৮ অক্টোবর) বিকালে মালয়েশিয়া থেকে একটি ফ্লাইটে রাজধানীর শাহজালাল বিমানবন্দরে এসে নামেন তারা দুইজনই। সেখান থেকে লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার উত্তর কেরোয়া গ্রামে মামুন হোসেনের বাড়িতে পৌঁছান।

সিতি রাহাইউ ইন্দোনেশিয়ার বিনজাই শহরের ফুনুং কারাংয়ে বসবাসকারি মৃত জুমিরান ও রাতনারিং দম্পত্তির মেয়ে (পাসপোর্ট নাম্বার (C81547..)। তিনি মালয়েশিয়ার রাজধানিতে একটি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। মামুন হোসেন রায়পুর উপজেলার উত্তর কেরোয়া গ্রামের রফিক উল্লাহ ও সেতারা বেগমের ছেলে। তিনিও একই প্রতিষ্ঠানে চাকুরি করেন।

জানা গেছে, প্রায় ৫ বছর আগে চাকুরির সুবাধে সিতির সঙ্গে মামুনের পরিচয় এরপর বন্ধুত্ব ও ঘনিষ্ঠতা। একপর্যায়ে দূরত্ব ঘুচিয়ে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

মামুন জানান, ২০১৭ সাল থেকে তাদের পরিচয় ও প্রেম করার পর বিয়ের জন্য সুদূর মালয়েশিয়া থেকে বাংলাদেশে পাড়ি জমান সিতি রাহাইউ। এক মাসের ছুটি নিয়ে এসেছেন সিতি ও মামুন। ছুটি শেষে চলে যেতে হবে আবার মালয়েশিয়া। সিতি রাহাইউও বাংলাদেশে থাকার ব্যাপারে আগ্রহী।

রোববার দুপুরে (৯ অক্টোবর) লক্ষ্মীপুর জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য এডভোকেট শাকিল পাটোয়ারির সহযোগিতায় নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে এফিডেভিড ও নিকাহ রেজিস্ট্রার কাজী মোঃ ইব্রাহিম খলিলের মাধ্যমে মামুনের বাবার উপস্থিতিতে সিতি রাহাইউ এর সাথে বিয়ের কাজ সম্পাদন করা হয়। বিয়ের পর তারা রায়পুরে মামুনের কেরোয়ার বাড়িতে গেলে বাড়ির প্রতিবেশি ও স্বজরনা আনন্দ উল্লাস করে। এসময় মামুনের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে গল্প করছেন সিতি রাহাইউ।

এডভোকেট শাকিল পাটোয়ারী জানান, মামুনের প্রতি গভীর ভালোবাসার টানে বাংলাদেশে এসেছেন সিতি। তার সঙ্গে বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন। বিষয়টি তিনি তার অভিভাবকদের জানিয়ে এসেছে। তার আত্মীয়রা তাদের দুইজনকে বিমানবন্দরে শুভেচ্ছা জানান। তিনি এ দেশের মানুষের আতিথেয়তা ও ভালোবাসায় মুগ্ধ। সিতি রাহাইউ অল্প অল্প বাংলা বুঝতে পারেন, তবে বলতে পারেন না ও বাংলা শেখার চেষ্টা করছেন।

মামুনের বাবা রফিক উল্লাহ জানান, এখানে আসার পর থেকে পরিবারের সবার সঙ্গে খুব মিশে চলছে সিতি। সবাইকে আপন করে নিয়েছে। ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। স্বজনরা ও গ্রামের মানুষ ভিড় করছে সিতিকে দেখার জন্য।

সিতি জানান, তিনি এ দেশের মানুষের আতিথিয়েতা ও ভালোবাসায় মুগ্ধ।

মামুনের মা সেতারা বেগম জানান, এখানে আসার পর থেকে পরিবারের সবার সঙ্গে খুব মিশে চলছে সিতির। সবাইকে আপন করে নিয়েছে। এ ছাড়াও ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। স্বজনরা ও গ্রামের মানুষ ভিড় করছে সিতিকে দেখার জন্য।

উল্লেখ্য, গত বছরের ৮ মার্চ বিকালে প্রেমের টানে ইন্দোনেশিয়া থেকে একটি ফ্লাইটে বাংলাদেশে ছুটে আসেন ফানিয়া আইঅপ্রেনিয়া নামে এক ইন্দোনেশিয়ান তরুণী। সেখান থেকে রায়পুর উপজেলার রাখালিয়া গ্রামে রাসেল আহমদের বাড়িতে পৌঁছান। ফানিয়া ইন্দোনেশিয়ার দিপক এলাকার পাউদি হেলমি ও ফিসুনয়াদি ইসনা ওয়াপি দম্পতির মেয়ে। তিনি সেখানে একটি কল সেন্টারে চাকরি করেন। রাসেল আহমেদ রায়পুর উপজেলার রাখালিয়া গ্রামের মো. মনির হোসেনের ছেলে। পেশায় গার্মেন্টস ব্যবসায়ী। সেই দম্পত্তি এখন সুখের সংসার করছেন ঢাকা শহরে।।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

জুলাই ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« জুন    
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১