রবিবার ১৪ই জুন, ২০২৬ ইং ৩১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
সৌদি প্রবাসী শ্রমিকদের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ : আইনি ব্যবস্থার দাবি ভুক্তভোগীদের লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে অস্ত্রসহ দুই যুবক আটক চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা পরিষদের ভবনের স্থান পুনর্বিবেচনার দাবিতে মানববন্ধন সেনবাগে ইয়াবাসহ শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার লক্ষ্মীপুরে ১২শ’ পরিবারের মাঝে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা ঘোষণা : কফিল উদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে আনন্দ মিছিল চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা অনুমোদন : লক্ষ্মীপুরে আনন্দ মিছিল চন্দ্রগঞ্জে খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন চন্দ্রগঞ্জে যুবদলের কর্মী সম্মেলনে নুর হোসেন হারুন সভাপতি পদে এগিয়ে চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদলের কর্মী সম্মেলন কাল : সাধারণ সম্পাদক পদে লড়ছেন রিপন

রোহিঙ্গা শিশুকে জড়িয়ে ধরে কাঁদলেন প্রধানমন্ত্রী

আকাশবার্তা ডেস্ক :

মিয়ানমার সেনাবাহিনীর অত্যাচার-নির্যাতনে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গা শিশুদের পরম মমতায় জড়িয়ে ধরেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তাদের ধরে তিনি কেঁদে ফেলেন। মঙ্গলবার (১২ সেপ্টেম্বর) উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনের সময় এমন হৃদয় বিদারক ঘটনা ঘটে। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তার ছোট বোন শেখ রেহানাও ছিলেন।

এ সময় শেখ হাসিনা বলেন, স্বজন হারানোর বেদনা আমরা বুঝি। ১৯৭৫-এ বাবা-মা হারিয়ে আমাদেরও রিফিউজি হিসেবে বিদেশে থাকতে হয়েছে।‘১৯৭১ সালে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী যখন আমাদের ওপর হামলা করেছিল, সে সময় আমরা ঘরবাড়ি ছেড়ে ভারতে আশ্রয় নিয়েছিলাম।

রোহিঙ্গারা প্রধানমন্ত্রীকে কাছে পেয়ে আবেগআপ্লুত হয়ে পড়েন। তারা বলতে থাকেন, ‘আমাদের দেশের প্রধানমন্ত্রী আমাদের চায় না। ভিনদেশি প্রধানমন্ত্রী আমাদের দেখতে এসেছেন। আল্লাহ তার মঙ্গল করুন।’ রোহিঙ্গা শিশু, নারী ও পুরুষের সঙ্গে কথা বলার সময় তাদের মধ্যে আহতদের খোঁজখবরও নেন প্রধানমন্ত্রী।

ঘরবাড়ি দেশ ছেড়ে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গারা জানায়, প্রধানমন্ত্রী নিশ্চয়ই আন্তর্জাতিকভাবে যোগাযোগ করে তাদের ভিটিতে ফিরে যেতে সহায়তা করবেন।

রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনের আগে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের খাদ্য, আশ্রয় দেয়া হচ্ছে। আমি রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে মিয়ানমারের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোকে আহ্বান জানাচ্ছি। তবে প্রতিবেশী দেশ হিসেবে আমাদের যা করার দরকার আমরা সেটি করবো।’ ‘মিয়ানমারে যেভাবে মানুষ হত্যা করা হচ্ছে তাতে কি তাদের বিবেককে নাড়া দেয় না? একজনের ভুলে এভাবে লাখ লাখ মানুষ ঘরহারা হচ্ছে। আমরা শান্তি চাই।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা ১৬ কোটি মানুষের দেশ। সবার খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারছি। সেখানে আরও ২/৫/৭ লাখ মানুষকেও খেতে দিতে পারবো।’

এ সময় তিনি স্থানীয়দের উদ্দেশে বলেন, ‘এখন যারা যুবক তারা হয়তো মুক্তিযুদ্ধ দেখেননি। কিন্তু আমরা দেখেছি। তাই রোহিঙ্গাদের যেন কোনও কষ্ট না হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।’

এর আগে, ঢাকা থেকে রওনা হয়ে বেলা সোয়া ১০টার দিকে কক্সবাজার বিমানবন্দরে অবতরণ করে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিজি ১৯০৯ ফ্লাইটটি। সেখান থেকে সড়কপথে উখিয়ার কুতুপালংয়ে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। সকালে কক্সবাজার বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ, উপ-দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া এবং স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

জুন ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« মে    
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০