সর্বশেষ:
লক্ষ্মীপুরে বাজুসের নির্বাচনে চেয়ারম্যান সমীর, সেক্রেটারী পলাশ লক্ষ্মীপুরে বাজুসের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচনে চলছে ভোট গ্রহণ চন্দ্রগঞ্জে ১২ মামলার পলাতক আসামি শাহাদাত গ্রেপ্তার শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা : হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড বহাল লক্ষ্মীপুর বাজুস নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে ব্যবসায়ীদের সভা লক্ষ্মীপুরে ছুরিকাঘাতে শিশু নিহত, ঘাতক পলাতক চন্দ্রগঞ্জে মাদক বিরোধী র‍্যালি ও পথসভা সোনারগাঁয়ে অবৈধভাবে চুন কারখানা পরিচালনায় পরিবেশ দূষণের অভিযোগ চন্দ্রগঞ্জ উপজেলায় শ্রেষ্ঠ প্রতাপগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় চন্দ্রগঞ্জে পূবালী ব্যাংকের ক্যাশলেস কার্যক্রম উদ্বোধন

‘সরকার চেয়েছে চালের দাম কিছুটা বৃদ্ধি পাক’

অর্থ বাণিজ্য ডেস্ক :
অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, ‘সরকার চেয়েছে চালের দাম কিছুটা বৃদ্ধি পাক। কৃষক ন্যায্যমূল্য পাবে বলে চালের দাম বৃদ্ধির বিষয়টি সরকারের পরিকল্পনায় ছিল। কিন্তু প্রতি কেজি চালের দাম ৫০ টাকার বেশি হওয়াটা মানুষের জন্য বড় ধরনের সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে’।কেজিতে ৫০ টাকার বেশি হোক-এটা সরকার চায়নি।রোববার (২৪ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে গ্রামীণ ব্যাংকের ২০১৬ সালের ক্যালেন্ডার বছরের লভ্যাংশ হস্তান্তর অনুষ্ঠানে নিজ দফতরে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। এর আগে গ্রামীণ ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রতন কুমার লাল অর্থমন্ত্রীর কাছে সরকারের লভ্যাংশ হিসেবে ৬ কোটি ১৭ লাখ ৪০ হাজার টাকার চেক তুলে দেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, চলতি বছর মার্চ-এপ্রিলে হাওরে বন্যা এবং উত্তর ও মধ্যাঞ্চলে জলাবদ্ধতা ও বন্যায় বোরো ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। আর ফসলহানির পর চালের দাম বেড়ে যায় অস্বাভাবিক হারে। এক পর্যায়ে মোটা চাল কেজিপ্রতি ৫০ টাকা এবং চিকন চাল ৭০ টাকায় উঠে যায়।

এরপর সরকার বিভিন্ন দেশের সঙ্গে চুক্তি করে চাল আমদানি করেছে। পাশাপাশি শুল্ক তুলে দিয়ে বেসরকারি পর্যায়েও চাল আমদানিতে ‍উৎসাহ দিয়েছে। এতে চালের বেড়ে যাওয়া দাম কিছুটা কমেছে। তবে এখনও তা গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ বেশি।

চালের দামে স্থিতিশীলতার বিষয়ে কোন ঠিক ঠিকানা নেই মন্তব্য করে মুহিত বলেন, আগামীতে উৎপাদন বাড়লেই চালের দাম কমে আসবে। চালের দাম বাড়ায় দারিদ্র্য বাড়ার বিষয়ে গবেষণা প্রতিবেদনের ফলাফলকেও নাকচ করে দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেছেন, ‘চালের দাম বাড়ায় দেশের মানুষ কিছুটা বেকায়দায় আছে ঠিক আছে। কিন্তু এতে দারিদ্র্য বাড়ার কারণ নেই।’

প্রসঙ্গত, শনিবার(২৩ ডিসেম্বর) রাজধানীতে সাউথ এশিয়ান নেটওয়ার্ক অন ইকোনোমিক মডেলিং-সানেমের এক গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ হয়। এতে দাবি করা হয়েছে, গত এক দশক ধরে দারিদ্র্য বিমোচনে বাংলাদেশ যে সাফল্য রেখে চলেছে চালের দাম বৃদ্ধিতে তা ছেড় পড়েছে।

সানেমের গবেষণা বলছেন চলতি বছর চালের দাম বাড়ায় দারিদ্র্যসীমা থেকে বের হয়ে আসা পাঁচ লাখ ২০ হাজার মানুষ নতুন করে দারিদ্র্যসীমায় ঢুকেছে। অর্থাৎ চলতি বছর দারিদ্র্যের হার কমার বদলে বেড়ে যাবে ০.৩২ শতাংশ। তবে সানেমের এই গবেষণা প্রতিবেদন মানছেন না। অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘বিষয়টি তাদের নিজেদের পর্যবেক্ষণ, এটা সঠিক নয়।’ ‘চালের দাম বাড়ার কারণে কত শতাংশ দারিদ্র্যে হার বেড়েছে সেটা এখনই নির্ধারণ করা সম্ভব নয়। কিন্তু এটা সঠিক চালের দাম বাড়ার কারণে সাধারণ মানুষের অনেক অসুবিধা হয়েছে।’

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘এগুলো তাৎক্ষণিক রিপোর্ট। এগুলো বিশ্বাস করা উচিত হবে না। গরিব লোক কমছে, বাড়ছে এটার জন্য অন্ততপক্ষে বছরখানেক দেখা প্রায়োজন। বছর শেষে কী হবে সেটা বলতে পারব না।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

September 2026
S S M T W T F
 1234
567891011
12131415161718
19202122232425
2627282930