শুক্রবার ১৭ই এপ্রিল, ২০২৬ ইং ৪ঠা বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
লক্ষ্মীপুরে ১৪৪ ধারা ভেঙে মিছিল :   বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জুলাই যোদ্ধা ফোর্সের সংঘর্ষ : পুলিশসহ আহত ১০ চট্টগ্রাম বিভাগীয় শ্রমিক দলের সদস্য হলেন মনির আহম্মদ রাজন কফিলউদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন ঈদের আগে অস্থির মুরগির বাজার, সবজিতে স্বস্তি আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা ফ্লাইট বাতিলে ভিসার মেয়াদ শেষ হলে সহায়তা করবে সরকার চন্দ্রগঞ্জে অস্ত্র-গুলিসহ ৩ ডাকাত গ্রেপ্তার চন্দ্রগঞ্জ প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়ার মাহফিল ভূমিকম্প মোকাবিলায় ঢাকায় ১ লাখ স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুতের নির্দেশ ইসরায়েলে ও যুক্তরাষ্ট্রে এমন হামলা হবে, যা তারা আগে কখনো দেখেনি

ভিডিও কনফারেন্সে প্রবাসীর সঙ্গে বিয়ে, ২৬ লাখ টাকা আত্মসাৎ

আকাশবার্তা ডেস্ক :

ফেসবুকে পরিচয়ের পর ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সৌদি প্রবাসীর সঙ্গে বিয়ের নাটক সাজিয়ে ২৬ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে এক তরুণী ও তার বাবা-মাকে গ্রেপ্তার করেছে জয়পুরহারের পাঁচবিবি থানা পুলিশ।

গত সোমবার দিনগত রাতে পাঁচবিবি উপজেলার মালঞ্চা গ্রাম থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, পাঁচবিবির মালঞ্চা গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য ইমদাদুল হক, তার স্ত্রী রুবিনা বেগম ও তাদের মেয়ে কথিত ওই বিয়ের কনে শবনম মুস্তারি এমি (২০)।

মামলার অভিযোগ ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ফেসবুকের মাধ্যমে শবনম মুস্তারি এমির সঙ্গে প্রায় পাঁচ বছর আগে পরিচয় হয় লক্ষ্মীপুর জেলার রায়পুর উপজেলার দক্ষিণ চর মোহনা গ্রামের সৌদি প্রবাসী যুবক কাজী হারুন ওরফে সাগরের। পরে ঘনিষ্ঠতার এক পর্যায়ে চার বছর আগে মোবাইলে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে তাকে বিয়ে করে এমি।

বিষয়টি এমির বাবা-মাও জানেন। গত চার বছর ওয়েস্টার্ন ইউনিয়ন ও বিকাশের মাধ্যমে এমি ও তার বাবা-মাকে ২৬ লাখ টাকা পাঠিয়েছেন বলে দাবি করেন সাগর। গত ১৫ ডিসেম্বর দেশে ফিরে সাগর পাঁচবিবির মালঞ্চা গ্রামে আসলে এমিসহ তার পরিবার বিয়ের কথা অস্বীকার করে। এ অবস্থায় প্রবাসী ওই যুবক বিয়ে এবং টাকা পাঠানোর সব প্রমাণ উপস্থাপন করে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। প্রাথমিক তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পেয়ে পুলিশ সোমবার রাতে মালঞ্চা গ্রামে অভিযান চালিয়ে এমি ও তার বাবা-মাকে গ্রেপ্তার করে।

মামলার বাদী কাজী হারুণ ওরফে সাগর মোবাইল ফোনে বলেন, ‘ফেসবুকের মাধ্যমে এমির সঙ্গে প্রায় পাঁচ বছর আগে পরিচয় হয়। এরপর প্রতিদিনই তার সঙ্গে কথা হতো। এক পর্যায়ে আমাদের মধ্যে ভালোবাসার সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এ অবস্থায় ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আমরা উভয়ে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হই। বিয়ের পর গত চার বছরে তাকে ২৬ লাখ টাকা দেই। বিষয়টি তারা বাবা-মা’ও জানেন। অথচ বিদেশ থেকে আসার পর এ মাসের ১৫ ডিসেম্বর তাদের বাড়ি গেলে বিয়ের কথা তারা অস্বীকার করে। বাধ্য হয়ে আমি তথ্য প্রমাণ উপস্থাপন করে থানায় অভিযোগ করি।’ পাঁচবিবি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফরিদ হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘গ্রেফতারদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।’

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

এপ্রিল ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« মার্চ    
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০