সর্বশেষ:
সোনারগাঁয়ে অবৈধভাবে চুন কারখানা পরিচালনায় পরিবেশ দূষণের অভিযোগ চন্দ্রগঞ্জ উপজেলায় শ্রেষ্ঠ প্রতাপগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় চন্দ্রগঞ্জে পূবালী ব্যাংকের ক্যাশলেস কার্যক্রম উদ্বোধন নবগঠিত চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার অস্থায়ী কার্যালয়ের উদ্বোধন লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে বিদেশি পিস্তল, গুলি ও মাদক সেবনের সরঞ্জাম উদ্ধার লক্ষ্মীপুরের শ্রেষ্ঠ উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার নির্বাচিত মাকছুদুর রহমান ভূঁইয়া ছোট ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে প্রাণ গেল বড় ভাইয়ের চন্দ্রগঞ্জে ১০০ পিস ইয়াবাসহ ৩ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার লক্ষ্মীপুরে সেরা ১০ উচ্চ বিদ্যালয়ের শীর্ষে প্রতাপগঞ্জ হাইস্কুল প্রতাপগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রীর অপহরণের চেষ্টার প্রতিবাদে মানববন্ধন, মহাসড়কে যানজট

দেহ ব্যবসার ‘রানি’

এক্সক্লুসিভ ডেস্ক :
ছিপছিপে শরীর। ঝকঝকে পোশাক। ইংরাজিটাও বেশ গড়গড় করে বলে যান। চালচলনে আগাগোড়া আভিজাত্যের ছাপ। দেখে কে বলবে, বছর ৩৬-এর এই মহিলা আসলে দিল্লি পুলিশের খাতায় এক দাগি অপরাধী। দেহব্যবসার মালকিন, নারী পাচার চক্রের অন্যতম মাথা এই গীতা অরোরা ওরফে সনু পঞ্জাবনের বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগও রয়েছে। গত বেশ কয়েক মাস ধরে গীতাকে হন্যে হয়ে খুঁজে বেড়াচ্ছিল দিল্লি পুলিশের ক্রাইম ব্র্যাঞ্চ।
অবশেষে এক গোপন ডেরার হদিশ পেয়ে শনিবার রাতে সেখানে হানা দেয় পুলিশ। ধরা পড়ে যায় এই মহিলা ডন। তবে এই প্রথম নয়, এর আগেও একাধিকবার তাকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। কিন্তু উপযুক্ত তথ্যপ্রমাণের অভাবে বারবারই ছাড় পেয়ে যাচ্ছিল সনু। সম্প্রতি তার বিরুদ্ধে সাক্ষী দিতে এগিয়ে আসে তারই ডেরা থেকে পালিয়ে যাওয়া এক যুবতী। তার সাহায্যেই সনুকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
ওই যুবতীর কাছ থেকে পুলিশ জানতে পেরেছে, শুধু দিল্লিই নয়, উত্তরপ্রদেশ এবং হরিয়ানার দেহব্যবসা এবং নারী পাচার চক্রের উপরেও সনুর নিয়ন্ত্রণ রয়েছে। ওই যুবতী পুলিশকে জানান, সালটা ২০০৯। তখন তার বয়স ১২ বছর। মেয়েপাচার চক্রের লোকজন নজফগড়ে বাড়ির কাছ থেকেই অপহরণ করে তাকে। তারপর নানা হাত ঘুরে পৌঁছান সনুর ডেরায়। কয়েক হাজার টাকার বিনিময়ে তাকে কিনে নেয় সনু। মেকওভার করে দেয় তার। সনু নিজে তাকে ইংরাজি বলতে শেখায়। কারণ ইংরাজি জানা থাকলে খুব সহজেই নাকি পয়সাওয়ালা কাস্টমার মেলে। দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য তার পোশাকেও আমূল বদল আনা হয়। এরপর কখনো লখনৌ, কখনো রোহতক তো কখনো অন্য জায়গায় নিয়ে যাওয়া হয় তাকে। জোরজবরদস্তি দেহব্যবসায় নামানো হয়। এ ভাবেই অনেকগুলো বছর কেটে যায়।
২০১৪ সালে সুযোগ পেয়ে সনুর ডেরা থেকে পালিয়ে যান যুবতী। নজফগড়ে গিয়ে সনু এবং তার দলবলের বিরুদ্ধে পুলিশে অভিযোগও করেন। কিন্তু সেই অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেও সনু পর্যন্ত পৌঁছতে পারেনি পুলিশ। কারণ পুলিশকে সাহায্য করছে জানতে পারলে সনু ও তার লোকজন খুন করতে পারে এই ভয়ে পুলিশের থেকে গা ঢাকা দিয়ে দেন তিনি। সম্প্রতি ওই যুবতীর খোঁজ পেয়ে তাকে সবরকম নিরাপত্তা দেওয়ার আশ্বাস দেয় পুলিশ। তারপরই সনুকে ধরতে সাহায্য করে ওই যুবতী।
এর আগে ২০১৪ সালে সনুকে একবার গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। কিন্তু তখনও উপযুক্ত প্রমাণ দায়ের করতে পারেনি পুলিশ। ছাড়া পেয়ে যায় সনু। ২০০৭ সালে ইমমরাল ট্রাফিক প্রিভেনশন অ্যাক্ট সেকশনে গ্রেফতার হয়। তার ক’দিন পরই জামিনে মুক্ত হয়ে যায়। একইভাবে ২০১১ সালেও একবার গ্রেফতার হয়ে ছাড়া পেয়ে যায় সে। দিল্লি পুলিশের ডিসি (ক্রাইম ব্র্যাঞ্চ) বিশ্ব সিংহ বলেন, ‘সাক্ষী পেয়েছি। সনু পঞ্জাবান ছাড়াও আরও অনেকের খোঁজ পেয়েছি। এবারে পুরো চক্রটাকে ধরা হবে।’

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

August 2026
S S M T W T F
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031