আদালত প্রতিবেদক :
আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে অর্থসচিব, আইনসচিব, ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব, তথ্যসচিব, বাংলদেশ ব্যাংকের গর্ভনর, এনবিআরের চেয়ারম্যান, বিটিআরসির চেয়ারম্যান, প্রথম আলোর সম্পাদক ও বাংলাদেশ নিউজ পেপারস ওনারস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মতিউর রহমান, গুগল, ফেসবুক, ইয়াহু ও ইউটিউব কর্তৃপক্ষকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগে এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে গত ৯ এপ্রিল রিটটি দায়ের করেন হাইকোর্টের ছয় আইনজীবী। আদালতে আবেদনের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার মোহাম্মদ হুমায়ন কবির পল্লব। তাকে সহযোগিতা করেন ব্যারিস্টার মো. কাউছার, ব্যারিস্টার মাজেদুল কাদের, ব্যারিস্টার সাজ্জাদুল ইসলাম, অ্যাডভোকেট অপূর্ব কুমার বিশ্বাস। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোতাহার হোসেন সাজু।
পরে ব্যারিস্টার মোহাম্মদ হুমায়ন কবির পল্লব বলেন, প্রযুক্তির যুগে গুগল, ফেসবুক এখন প্রাত্যহিক জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা এখন সোশ্যাল মিডিয়ার প্লাটফর্মে বিজ্ঞাপন দেখতে আগ্রহী। দিন দিন এর ব্যবহার বাড়ছে। বাড়ছে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা। এ সুযোগে বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করে এ দেশ থেকে কোটি কোটি ডলার নিয়ে যাচ্ছে ইন্টারনেট সংশ্লিষ্ট বিশ্বের নামীদামি প্রতিষ্ঠানগুলো। ‘কিন্তু প্রতিষ্ঠানগুলো সরকারকে এক টাকাও রাজস্ব দিচ্ছে না। এ কারণে আমরা হাইকোর্টে আবেদন করি।’
তিনি বলেন, ২০০৭ থেকে এখন পর্যন্ত এসব প্লাটফর্ম বাংলাদেশ থেকে কী পরিমাণ আয় করেছে, তা নিরূপণ করতে এবং নিরূপিত আয়ের বিপরীতে কী পরিমাণ উৎসে কর, শুল্ক ও রাজস্ব আদায়যোগ্য ছিল, তা নিরূপণ করতে সংশ্লিষ্ট অভিজ্ঞদের নিয়ে একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করতে বলা হয়েছে।” কী পরিমাণ অর্থ এভাবে অবৈধপন্থায় পাঠানো হয়েছে, তা খুঁজে বের করতে প্রাক বাজেট আলোচনায় তৌফিক ইমরোজ খালিদী অর্থমন্ত্রীকে আহ্বান জানিয়েছিলেন।
তিনি পরামর্শ দিয়ে বলেছিলেন, “যারা বিজ্ঞাপন দিয়েছে তাদের সবার কাছে জানতে চান তারা কত টাকা, কীভাবে পাঠিয়েছে। গুগল ও ফেসবুককেও জিজ্ঞেস করুন, বাংলাদেশের বিজ্ঞাপন থেকে কীভাবে তারা অর্থ পেয়েছে।”