-
- জাতীয়, সারাদেশ
- বৈসাবির রঙে রঙিন পাহাড়
খাগড়াছড়ি-বৈসাবি-ত্রিপুরা-মারমা-চাকমা-Khagrachhari-rtvonline
- আপডেট : April, 13, 2018, 11:42 am
- 438 জন পড়েছেন
পাহাড়ি এলাকার ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীরা মেতেছে প্রাণের উৎসব বৈসাবিতে। ত্রিপুরা সম্প্রদায়ের বৈসু, মারমা সম্প্রদায়ের সাংগ্রাই ও চাকমাদের বিজু। উৎসবের রঙে রঙিন পাহাড়ি জনপদ খাগড়াছড়ি। বৈসাবির রং ছড়িয়ে পড়েছে শহর এলাকা থেকে প্রত্যন্ত পাহাড়ি অধিবাসীদের পল্লীগুলোতে। পাড়ায় পাড়ায় চলছে নাচ-গান আর ঐতিহ্যবাহী খেলাধুলা।তিন দিনের এই অনুষ্ঠান গতকাল বৃহস্পতিবার শুরু হয় চাকমাদের জলে ফুল ভাসানোর মধ্য দিয়ে। আগামীকাল শনিবার পহেলা বৈশাখের দিন মারমা সম্প্রদায়ের জলকেলি বা পানি খেলা দিয়ে শেষ হবে বর্ষবিদায় ও বরণ উৎসব।
ত্রিপুরা সম্প্রদায়ের বৈসুক উৎসবকে ঘিরে ত্রিপুরা পল্লীতে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। চলছে বসতবাড়ি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও সাজসজ্জাসহ অতিথি আপ্যায়নের নানা আয়োজন। শুক্রবার পালিত হচ্ছে হারি বৈসু। শনিবার পালিত হবে বৈসু মা এবং পরের দিন বিসি কাতাল বা নববর্ষ।পাড়ায় পাড়ায় ঘুরে বেড়াচ্ছে গরিয়া দেবতার আরাধনাকারী নৃত্যদলের সদস্যরা। তরুণ-তরুণীসহ অনেকে দল বেঁধে পুরোনো বছরের জরা-জীর্ণতা আর দুঃখ-গ্লানি মুছে ফেলতে পুণ্যস্নান করতে ছুটে এসেছেন মাইসছড়ির দেবতা পুকুরে।
এদিকে, খাগড়াছড়ি শহরের পানখাইয়া পাড়া এলাকার বটতলায় মারমা সম্প্রদায়ের সাংগ্রাই উৎসব উপলক্ষে আয়োজন করা হয়েছে ঐতিহ্যবাহী ও প্রাচীন খেলাধুলার। এতে মেতে উঠেছেন বিভিন্ন বয়সের নারী-পুরুষরা। একই রঙের পোশাকে ছোট ছোট দলে বিভক্ত হয়ে বিভিন্ন খেলাধুলায় অংশগ্রহণ করছে মারমা তরুণী ও নারীরা। দিনব্যাপী খেলাধুলা ও নাচ গানের পুরো এলাকায় উৎসবের আমেজ।অন্যদিকে, চাকমা সম্প্রদায় এদিন পালন করছে মূল বিজু। তাদের ভাষায় গজ্যাপয্যা দিন। সকাল থেকে বাড়ি বাড়ি চলেছে অতিথি অ্যাপায়নের ব্যস্ততা। মূল বিজুর প্রধান খাবার হচ্ছে হরেক রকম শাক-সবজি, ফুল, ফলমূল ও ঔষধি গাছের শাখা-প্রশাখা দিয়ে তৈরি পাচন তরকারি। চাকমা পল্লীগুলোতেও চলছে গ্রামীণ বিভিন্ন খেলাধুলা।
এই বিভাগের আরও সংবাদ