এক্সক্লুসিভ ডেস্ক :
স্বজনরা জানান, সিংকু ঢাকার কবি নজরুল কলেজের ইংরেজি বিভাগের মাস্টার্স শেষ বর্ষে শিক্ষার্থী। বাবা-মায়ের তিন সন্তানের মধ্যে তিনি একমাত্র ছেলে এবং সবার বড়। বাবা ঢাকায় পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের গাড়িচালক। সিংকুর পরিবার থাকে ফরিদপুর নদী গবেষণা ইনস্টিটিউটের স্টাফ কোয়ার্টারে।
সিংকু জানান, ছয় মাস আগে ফেসবুকের মাধ্যমে পরিচয় হয় আমেরিকার প্রথম শ্রেণির ব্যাংকার নিউইয়র্কে কর্মরত শ্যারুনের সঙ্গে। এক পর্যায়ে তিনি বিয়ের প্রস্তাব দেন সিংকুকে। এরপর গত ৬ এপ্রিল বাংলাদেশে আসেন। ১০ এপ্রিল তারা ঢাকায় বিয়ে করেন মুসলিম রীতিতে। ধর্মীয়ভাবে দুই পরিবার একই হওয়ার কারণে তাদের বিয়ে নিয়ে জটিলতা হয়নি।
বয়সের ব্যবধান থাকলেও দু’জনকে পেয়ে দু’জন খুশি বলে দাবি সিংকুর। চেয়েছেন সবার শুভ কামনাও।
আমেরিকান শ্যারুন খান বলেন, বাংলাদেশে এসে খুবই ভালো লাগছে। আমার স্বামী তার পরিবার ও এদেশের সবকিছু ভালো লেগেছে। ২১ এপ্রিল আমেরিকা গিয়ে দ্রুত আবার ফিরে আসব।
তিনি আরও বলেন, আমি বাংলাদেশের প্রেমে পড়ে গেছি।
এদিকে সিংকুর পরিবারের সবাই এমন ভালো বৌ পেয়ে খুশিতে তারা আত্মহারা। এলাকায় আসার পর পাড়া-প্রতিবেশী তাদের দেখতে ভিড় জমাচ্ছেন। সবাই তাদের এই বিয়েকে স্বাগত জানিয়েছে বলে জানান পরিবারের সদস্যরা।
সিংকুর মা নার্গিস আক্তার বলেন, শ্যারুন আমাকে আম্মু বলে ডাক দেয়, তাতে আমি গর্ব অনুভব করি।
কানাইপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ফকির বেলায়েত হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, আমেরিকার কন্যা প্রেমের টানে ফরিদপুরে এসেছে। তাদের বিবাহ হয়েছে। এলাকার মানুষ মেয়েটিকে দেখতে ভিড়ও জমাচ্ছে বলে জানান তিনি।