আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
স্থানীয় সংবাদমাধ্যম জানাচ্ছে, মূলত সামাজিক উন্নয়নে নারী-পুরুষের মেলামেশার বিষয়ে জোর দেয়া হয়েছে বিবৃতিতে। দিনে পাঁচবার নামাজের সময় দোকানপাট, ক্যাফে, রেস্তরাঁ, এমনকি ওষুধের দোকানও বন্ধ থাকে সৌদিতে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এখন থেকে কেউ ওইসময়ে দোকান খোলা রাখলে, তা আর ‘অবৈধ’ হিসেবে গণ্য করা হবে না। এতদিন মেয়েরা কোনো খেলায় অংশ নিলেও তা লোকচক্ষুর আড়ালে আলাদা করে আয়োজন করা হতো। তবে এখন থেকে প্রকাশ্যে মেয়েদের খেলার আয়োজন করার কথা বলা হচ্ছে।
তবে সৌদি আরবে পরিবর্তনের জোয়ার এসেছে ২০১৫ সাল থেকেই। ওই বছরে ক্ষমতায় আসেন বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ আল সৌদ। নতুন যুগের সূচনা হয় দেশের রাজনীতিতে। এরপর যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের হাত ধরে বদলাতে শুরু করেছে সৌদি আরব। ‘ধর্ম-পুলিশ’দের ক্ষমতা কমিয়ে আনতে উঠেপড়ে লেগেছেন তিনি। একটা সময়ে চাইলেই যে কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারতেন ধর্মগুরুরা। প্রথমেই সে ক্ষমতা কেড়ে নেন সৌদি বাদশাহ সালমান ও তার ছেলে যুবরাজ মোহাম্মদ। রীতি ভেঙে প্রথমবারের মতো কনসার্ট হয় সৌদি আরবে।
সোশ্যাল মিডিয়ায় কট্টর মতাদর্শ ছড়ানোর বিষয়টিও নিয়ন্ত্রণ করার কথা বলেন সালমান। নারী অধিকারের দিকেও নজর দেয়া হয়।সম্প্রতি একটি বিদেশি টেলিভিশন চ্যানেলকে দেয়া সাক্ষাৎকারে ৩২ বছরের সালমান মনে করিয়ে দিয়েছেন, ১৯৭৯ সালের আগে সৌদি আরব এরকম ছিল না। এরপর থেকেই দেশটা জঙ্গিদের হাতে পড়ে আমূল বদলে যায়। সৌদির পুরনো মূলগত ভিত্তিতেই ফিরতে চান সালমান।