শুক্রবার ২৪শে এপ্রিল, ২০২৬ ইং ১১ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
গণমাধ্যম সপ্তাহের স্বীকৃতিসহ সাংবাদিকদের ১৪ দফা দাবি, কর্মসূচি ঘোষণা লক্ষ্মীপুরে ১৪৪ ধারা ভেঙে মিছিল :   বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জুলাই যোদ্ধা ফোর্সের সংঘর্ষ : পুলিশসহ আহত ১০ চট্টগ্রাম বিভাগীয় শ্রমিক দলের সদস্য হলেন মনির আহম্মদ রাজন কফিলউদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন ঈদের আগে অস্থির মুরগির বাজার, সবজিতে স্বস্তি আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা ফ্লাইট বাতিলে ভিসার মেয়াদ শেষ হলে সহায়তা করবে সরকার চন্দ্রগঞ্জে অস্ত্র-গুলিসহ ৩ ডাকাত গ্রেপ্তার চন্দ্রগঞ্জ প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়ার মাহফিল ভূমিকম্প মোকাবিলায় ঢাকায় ১ লাখ স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুতের নির্দেশ

শেষ কথা বলে কিছু নেই জাতীয় পার্টির

আকাশবার্তা ডেস্ক : 


আগামী সংসদ নির্বাচনে জাতীয় পার্টি (জাপা) কীভাবে অংশ নেবে তা জানতে আরও অপেক্ষা করতে হবে দেশের বড় দুই রাজনৈতিক জোটকে। নির্বাচনকে ঘিরে যত রাজনৈতিক মেরুকরণই হোক না কেন, দলের শীর্ষ নেতারা বিরোধী দল নয় বরং ক্ষমতায় থাকার কথাই বলছেন। এজন্য কোনও কথাই দলটির শেষ কথা হিসেবে কেউ ধরছেন না। জাতীয় পার্টির শীর্ষ নেতারা এমনটাই জানিয়েছেন।

জাতীয় পার্টির শীর্ষ নেতারা বলছেন, দেশের রাজনীতিতে নিজেদের ট্রাম্প কার্ড হিসেবেই ভাবছেন জাতীয় পার্টির নেতারা। এজন্য নিজেদের দর কষাকষির জায়গাটাও পোক্ত রাখছেন তারা। স্থানীয় পর্যায়ে বাড়াচ্ছেন গণসংযোগ। সভা-সমাবেশে বলছেন ক্ষমতায় থাকার কথা। আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন জোটে এখন থাকলেও আগামী নির্বাচনে দলটি কী ভূমিকা নেবে বা কোন জোটে যাবে তা স্পষ্ট করছেন না।

নেতারা আরও জানিয়েছেন, ক্ষমতা ছাড়া কিছুই ভাবছেন না দলের কর্মীরা। এজন্য আওয়ামী লীগ বা বিএনপি নেতৃত্বাধীন যেকোনও জোটে, যেকোনও ফরম্যাটে তারা ক্ষমতায় থাকতে চাইছেন। অন্য অনেক বিষয় নিয়ে মতভেদ থাকলেও ক্ষমতার অংশীদার হওয়ার বিষয়ে সবাই একমত। আওয়ামী লীগ, বিএনপি বা তৃতীয় শক্তি যারাই ক্ষমতায় আসুক, তাদের সহযাত্রী হতে চায় জাপা। যেমনটি দেখা গেছে ১৯৯৬, ১৯৯৯ ও ২০০৮ সালের নির্বাচনে।

জাতীয় পার্টির অবস্থান বিশ্লেষণ করেও দলটির আচরণ সম্পর্কে স্পষ্ট হওয়া গেছে। ১৯৯৬-এর নির্বাচনের পর আওয়ামী লীগকে সমর্থন দিয়ে মন্ত্রিসভায় জায়গা করে নিয়েছিল জাপা, ১৯৯৯ সালে আবার দল পাল্টে বিএনপি নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোটে যোগ দিয়ে সুবিধা করতে না পেরে এক বছরের মাথায় জোট ছাড়ে জাপা, এরপর ২০০৮ সাল থেকে আওয়ামী লীগের সঙ্গেই ক্ষমতার অংশীদার হয়ে আছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে- সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের নেতৃত্বাধীন এই দলটির নেতাদের একাংশ আওয়ামী লীগের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছেন। আরেকটি অংশ বিএনপি এবং নবগঠিত জোট যুক্তফ্রন্টসহ বিভিন্ন জোটের নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। মোদ্দাকথা, যেকোনও জোটের সঙ্গে হলেও ক্ষমতায় থাকতে চান তারা।দলটির এমন সিদ্ধান্তের আভাস পাওয়া গেছে গেলো শনিবার রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে পার্টির যৌথসভায়।

এতে নেতাকর্মীদের বক্তব্য শুনে পার্টির চেয়ারম্যান এরশাদ বলেছেন, ক্ষমতায় যাওয়ার মতো সক্ষমতা জাতীয় পার্টি অর্জন করেছে। যে দলের সঙ্গে জোট গড়লে জাপা লাভবান হবে, সে দলের সঙ্গেই তিনি যাবেন। প্রয়োজন হলে আরও বৃহৎ জোট করবেন। ন্যায্য হিস্যা আদায় করেই জোটের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন।সভায় তিনি আগামী ৬ অক্টোবর জাতীয় পার্টির মহাসমাবেশের ডাক দিয়েছেন। এ মহাসমাবেশে ক্ষমতা দেখাবে জাতীয় পার্টি-এমনটাও ঘোষণা দিয়ে বলেছেন পার্টিকে ক্ষমতায় দেখা তার একমাত্র ও শেষ ইচ্ছা। এর আগে বুধবার দলটির সভাপতিমণ্ডলী ও সংসদীয় দলের যৌথসভায় দলটির সাংসদ ও শীর্ষ নেতারা ক্ষমতায় থাকার পক্ষে রায় দিয়েছেন।

এ বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জাপার কেন্দ্রীয় এক নেতা বলেন, জাতীয় পার্টি এখনও মহাজোটেই আছে। সামনে নির্বাচন। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসবে, এটা ধরেই নেয়া হচ্ছে। তবে নাও পারে। তাই ক্ষমতায় যেতে রাজনৈতিক হিসেব-নিকাশ করছে জাতীয় পার্টি। রাজনৈতিক পটপরিবর্তন হলে বিএনপির সঙ্গেও জোট গড়তে পারি আমরা। তবে জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য সুনীল শুভ রায় বললেন ভিন্ন কথা। তিনি বলেন, জাতীয় পার্টি আগের চেয়ে এখন জনগণের অনেক কাছাকাছি আছে। নিজেরা ক্ষমতায় যাবার জন্য সক্ষমতা অর্জন করেছে। জনগণ আওয়ামী লীগ বা বিএনপিকে আর নয়, জাতীয় পার্টিকেই চায়। এজন্য আমরা কোনও জোটে নাও যেতে পারি। নিজেরাই নির্বাচন করার প্রস্তুতি নিয়েছি। নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হলে দলের অবস্থান স্পষ্ট করা হবে।

সূত্র : আরটিভি অনলাইন

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

এপ্রিল ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« মার্চ    
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০