বৃহস্পতিবার ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং ১লা শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
লক্ষ্মীপুরের শ্রেষ্ঠ উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার নির্বাচিত মাকছুদুর রহমান ভূঁইয়া ছোট ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে প্রাণ গেল বড় ভাইয়ের চন্দ্রগঞ্জে ১০০ পিস ইয়াবাসহ ৩ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার লক্ষ্মীপুরে সেরা ১০ উচ্চ বিদ্যালয়ের শীর্ষে প্রতাপগঞ্জ হাইস্কুল প্রতাপগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রীর অপহরণের চেষ্টার প্রতিবাদে মানববন্ধন, মহাসড়কে যানজট রায়পুরে একই পরিবারের ৩ জনকে কুপিয়ে হত্যা, দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বাংলাদেশ ২৪টি যুদ্ধবিমান কিনছে চীন থেকে সৌদি প্রবাসী শ্রমিকদের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ : আইনি ব্যবস্থার দাবি ভুক্তভোগীদের লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে অস্ত্রসহ দুই যুবক আটক চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা পরিষদের ভবনের স্থান পুনর্বিবেচনার দাবিতে মানববন্ধন

মিয়ানমারের নতুন উসকানি এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে

আকাশবার্তা ডেস্ক :


সেন্ট মার্টিনস বাংলাদেশের একমাত্র প্রবালদ্বীপ। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের কারণে এই দ্বীপ বাংলাদেশের অন্যতম পর্যটনকেন্দ্রও। টেকনাফ থেকে মাত্র ৯ কিলোমিটার দূরে সাগরের বুকে জন্ম নেওয়া এই দ্বীপ শুরু থেকেই বাংলাদেশ ভূখন্ডের অংশ হিসেবে স্বীকৃত। তা সত্ত্বেও সম্প্রতি মিয়ানমারের জনসংখ্যা বিভাগের মানচিত্রে দ্বীপটিকে মিয়ানমারের অংশ হিসেবে দেখানো শুধু ধৃষ্টতা নয়, দুরভিসন্ধিমূলকও।

অনেক বিশেষজ্ঞের মতে, রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে পরিচালিত গণহত্যার প্রেক্ষাপটে বৈশ্বিক চাপের মুখে থাকা মিয়ানমার নতুন ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবেও এমনটি করে থাকতে পারে। যদিও ঢাকায় মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত বলেছেন, এটি ভুলক্রমে হয়ে থাকতে পারে। তবু বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, বাংলাদেশকে এ ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে এবং অবিলম্বে সংশ্লিষ্ট মানচিত্রের ভুল সংশোধনের জন্য মিয়ানমারকে চাপ দিতে হবে।

ব্রিটিশ শাসনামলে ১৯৩৭ সালে বার্মা ও ভারত ভাগ হওয়ার সময় সেন্ট মার্টিনস তৎকালীন পূর্ববঙ্গের অংশ ছিল। ১৯৪৭ সালে দেশভাগের সময় এটি তদানীন্তন পূর্ব পাকিস্তানের অংশ ছিল। বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর থেকে এটি বাংলাদেশের অংশ। ১৯৭৪ সালে দ্বীপটিকে বাংলাদেশের অংশ ধরে নিয়েই মিয়ানমারের সঙ্গে সমুদ্রসীমা বিষয়ে চুক্তি হয়। পরবর্তীকালে সমুদ্রসীমা বিষয়ক আন্তর্জাতিক আদালতের রায়েও দ্বীপটি বাংলাদেশের অংশ হিসেবে স্বীকৃত হয়েছে। কাজেই মিয়ানমার কোনো বিচারেই দ্বীপটিকে তাদের অংশ বলে দাবি করতে পারে না।

তাই মিয়ানমারের এমন মানচিত্র প্রকাশের কারণে গত শনিবার মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব করে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে কড়া প্রতিবাদ জানানো হয়েছে এবং তার হাতে একটি প্রতিবাদপত্র তুলে দেওয়া হয়েছে। জানা গেছে, সেখানেই মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত জানিয়েছেন, ভুলবশত এমনটি হয়ে থাকতে পারে। মানচিত্রে মিয়ানমার ও বাংলাদেশের জন্য ভিন্ন ভিন্ন রং ব্যবহার করা হয়। সেন্ট মার্টিনসকে মিয়ানমারের রঙে চিত্রায়িত করা হয়েছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে রাষ্ট্রদূতকে এ ব্যাপারে মিয়ানমারের গৃহীত পদক্ষেপ সম্পর্কেও দ্রুত জানাতে বলা হয়েছে। অনেক বিশেষজ্ঞই মনে করছেন, রোহিঙ্গা সংকটকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতেই মিয়ানমার বাংলাদেশের সঙ্গে উত্তেজনা ছড়াতে চায়।

এর আগেও মিয়ানমার সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টার অনেকবার বাংলাদেশের আকাশসীমা লঙ্ঘন করেছে। বাংলাদেশ ভূখ-ে তারা কামানের গোলাবর্ষণ করেছে। কিন্তু বাংলাদেশ অতীতে কখনো তাদের উসকানির ফাঁদে পা দেয়নি। আর সে কারণেই তারা নতুন ক্ষেত্র হিসেবে সেন্ট মার্টিনস নিয়ে উত্তেজনা ছড়াতে চাইছে। যদিও ইতোমধ্যে মিয়ানমার তাদের ওয়েবসাইট থেকে ওই মানচিত্রটি সরিয়ে নিয়েছে, তবু মিয়ানমারের এসব উসকানি সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে এবং সব বিষয় বিবেচনায় রেখে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে।

সূত্র : দৈনিক আমার সংবাদ

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

জুলাই ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« জুন    
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১