বৃহস্পতিবার ১৬ই এপ্রিল, ২০২৬ ইং ৩রা বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
লক্ষ্মীপুরে ১৪৪ ধারা ভেঙে মিছিল :   বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জুলাই যোদ্ধা ফোর্সের সংঘর্ষ : পুলিশসহ আহত ১০ চট্টগ্রাম বিভাগীয় শ্রমিক দলের সদস্য হলেন মনির আহম্মদ রাজন কফিলউদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন ঈদের আগে অস্থির মুরগির বাজার, সবজিতে স্বস্তি আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা ফ্লাইট বাতিলে ভিসার মেয়াদ শেষ হলে সহায়তা করবে সরকার চন্দ্রগঞ্জে অস্ত্র-গুলিসহ ৩ ডাকাত গ্রেপ্তার চন্দ্রগঞ্জ প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়ার মাহফিল ভূমিকম্প মোকাবিলায় ঢাকায় ১ লাখ স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুতের নির্দেশ ইসরায়েলে ও যুক্তরাষ্ট্রে এমন হামলা হবে, যা তারা আগে কখনো দেখেনি

‘হান্নানকে ছিনিয়ে নিতে অপেক্ষায় ছিল আরেক জঙ্গি গ্রুপ’

নিজস্ব প্রতিবেদক :

ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি জঙ্গিনেতা মুফতি হান্নানকে প্রিজন ভ্যান থেকে ছিনিয়ে নিতে আরেকটি জঙ্গি গ্রুপ অপেক্ষায় ছিল। তবে প্রিজন ভ্যানে হামলাকারী কামাল ককটেলসহ ধরা পড়ায় বাকিরা সটকে পড়ে বলে পুলিশ সন্দেহ করছে।

শুক্রবার গাজীপুরের পুলিশ সুপার হারুন অর রশিদ রাইজিংবিডিকে বলেন, ‘এটি ছিল একটি পরিকল্পিত হামলা। অভিজ্ঞতা বলে, এ ধরনের হামলার ক্ষেত্রে দুটি গ্রুপ থাকে। একটি গ্রুপ প্রিজন ভ্যানে বোমা নিক্ষেপ করে, অপর গ্রুপ আসামি ছিনিয়ে নিয়ে যায়। এটা মুফতি হান্নানের বেলাতেও হয়েছিল। কিন্তু পুলিশ সতর্ক থাকায় জঙ্গিরা পালিয়ে যায়। মুফতি হান্নানকে বহনকারী প্রিজন ভ্যানে হামলায় কারা জড়িত ছিল তা গ্রেপ্তারকৃত দুই জঙ্গি কামাল ও সবুজ রিমান্ডে জানিয়েছে। এ ব্যাপারে পরে বিস্তারিত জানানো হবে।’

জেলা পুলিশের একটি সূত্র জানায়, প্রিজন ভ্যানে হামলার আগের দিন জঙ্গিরা ঢাকা-ময়মনসিংহ সড়ক রেকি করে। পরে তারা একটি স্থান বেছে নেয়। কামালের দেওয়া তথ্যে এটাও নিশ্চিত হওয়া গেছে যে, ঘটনার আশপাশে জঙ্গিদের আরেকটি গ্রুপ ছিল। যারা হামলার পরপরই ঘটনাস্থলে এসে মুফতি হান্নানকে ছিনিয়ে নেওয়ার জন্য অপেক্ষায় ছিল। তবে কামাল ধরা পড়ায় তারা পালিয়ে যায়। এর আগে ময়মনসিংহেও জঙ্গিরা একইভাবে হামলা করে বোমারু মিজানসহ দুই জঙ্গি নেতাকে ছিনিয়ে নেয়। সেখানেও জঙ্গিদের দুটি গ্রুপ কাজ করেছে।

পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে, মুফতি হান্নান কারাগারে থাকলেও আদালতে আসা-যাওয়ার সময়, স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাতের মাধ্যমে, এমনকি কারারক্ষীদের দিয়ে তিনি বিভিন্ন সময় তথ্য নিতেন এবং দিতেন। তিনি কারাগারের ভেতর একাধিক মোবাইল সিম ব্যবহার করতেন বলে গোয়েন্দাদের কাছে তথ্য আছে।  কারাগারে যে পাশে মুফতি হান্নানকে রাখা হতো সেখানে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থাও ছিল না।

সূত্রটি আরো জানায়, মুফতি হান্নানকে কারাগারে নেওয়া হচ্ছে, এমন তথ্য গোয়েন্দারা লিখিত আকারে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেন। তবে তখন গাজীপুরের পুলিশ বা কারা কর্তৃপক্ষকে মুফতি হান্নানের ব্যাপারে অবহিত করা হয়নি। এ ধরনের আসামি নেওয়ার ক্ষেত্রে প্রিজন ভ্যানে থাকা পুলিশ সদস্যরা সতর্ক থাকেন। তাদের এ সতর্কতার কারণেই জঙ্গিদের প্রতিরোধ করা গেছে।

মুফতি হান্নানকে কারাগারে নেওয়ার সময় নিরাপত্তা আরো জোরদার করা দরকার ছিল বলে ওই সূত্র জানায়।

গত ৬ মার্চ বিকেলে ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ও হরকাতুল জিহাদ নেতা মুফতি হান্নানসহ ২১ আসামিকে বহনকারী একটি প্রিজন ভ্যানে হামলা চালায় জঙ্গিরা। গাজীপুরের টঙ্গী কলেজগেট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় কামাল নামের এক যুবককে ককটেলসহ আটক করে পুলিশ।

সেদিন ঢাকার বিশেষ ট্রাইব্যুনালে হাজিরা দেওয়ার পর মুফতি হান্নান ও তার সহযোগীদের কাশিমপুর কারাগারে নেওয়ার পথে তাদের বহনকারী প্রিজন ভ্যানে হামলা করা হয়।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

এপ্রিল ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« মার্চ    
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০