বুধবার ২২শে জুলাই, ২০২৬ ইং ৭ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
লক্ষ্মীপুরের শ্রেষ্ঠ উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার নির্বাচিত মাকছুদুর রহমান ভূঁইয়া ছোট ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে প্রাণ গেল বড় ভাইয়ের চন্দ্রগঞ্জে ১০০ পিস ইয়াবাসহ ৩ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার লক্ষ্মীপুরে সেরা ১০ উচ্চ বিদ্যালয়ের শীর্ষে প্রতাপগঞ্জ হাইস্কুল প্রতাপগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রীর অপহরণের চেষ্টার প্রতিবাদে মানববন্ধন, মহাসড়কে যানজট রায়পুরে একই পরিবারের ৩ জনকে কুপিয়ে হত্যা, দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বাংলাদেশ ২৪টি যুদ্ধবিমান কিনছে চীন থেকে সৌদি প্রবাসী শ্রমিকদের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ : আইনি ব্যবস্থার দাবি ভুক্তভোগীদের লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে অস্ত্রসহ দুই যুবক আটক চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা পরিষদের ভবনের স্থান পুনর্বিবেচনার দাবিতে মানববন্ধন

ডাকসু নির্বাচনের জেরে স্বতন্ত্র প্রার্থীকে মেরে রক্তাক্ত

আকাশবার্তা ডেস্ক :

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) এসএম হল সংসদের এক প্রার্থীকে মেরে রক্তাক্ত করার অভিযোগ উঠেছে ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে। সোমবার দিবাগত রাতে ওই প্রার্থীকে পিটিয়ে হল থেকে বের করে দেন হল শাখা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।গুরুতর আহত অবস্থায় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয় মেডিক্যাল সেন্টারে ভর্তি রয়েছেন তিনি। আহত ওই শিক্ষার্থীর নাম মো. ফরিদ হাসান। তিনি উর্দু বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী। গতকালের হামলায় ফরিদের কান ফেটে গেছে।তার কানে ৩২টি সেলাই দেয়া হয়েছে।

মারধরের বিষয়ে ফরিদ বলেন, আমি রাত ১১টার দিকে রুমে ঘুমিয়ে ছিলাম। এসময় ছাত্রলীগের কয়েকজন লাঠি-সোটাসহ গিয়ে তাকে ডেকে মেসের ডাইনিংয়ে নিয়ে যায়। সেখানে হল ছাত্রলীগের সভাপতি তাহসান আহমেদ রাসেল, সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান তাপস, সাবেক নেতা মিজানুর রহমান পিকুলসহ হল কমিটির প্রায় সবাই উপস্থিত ছিলেন।

তিনি বলেন, ‘তোর সাহস তো কম নয়, এখনো হলে থাকিস’ এই বলে আমাকে ব্যাপক মারধর শুরু করে। সেখান থেকে মারতে মারতে হল গেটে নিয়ে গিয়ে বেরিয়ে যেতে বলে। এসময় তাকে কেউ হাসপাতালে নিয়ে যেতেও সাহস করেনি। পরে তিনি একাই হাসপাতালে যান।

তিনি বলেন, হল সংসদ নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক (জিএস) প্রার্থী হয়েছিলেন তিনি। তবে, ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় ও বিশ্ববিদ্যালয়ের নেতারা তাকে শাসিয়ে ও হুমকি-ধামকি দিয়ে প্রার্থীতা প্রত্যাহার করতে বলেন। একপর্যায়ে তিনি প্রার্থীতা প্রত্যাহার করতে বাধ্য হন বলে জানান।

এ বিষয়ে হল শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি তাহসান আহমেদ রাসেল বলেন, তাকে মারধরের সাথে ছাত্রলীগের কোনো সম্পর্ক নেই। আমরা যতদূর জানি তার রুমে মাদক পাওয়া গিয়েছিল এবং হলের প্রায় চারশো শিক্ষার্থী তাকে হল থেকে বের করে দেয়ার জন্য হল প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছিল। পরে হল প্রশাসন তার রুমটি সিলগালা করে দেয়। সে এখন হলে থাকে না। কালকে হলে আসলে সাধারণ শিক্ষার্থীরা তাকে মারধর করেছে বলে আমরা শুনেছি। এসময় মিজানুর রহমান পিকুলও সেখানে উপস্থিত ছিলেন না বলে তিনি দাবি করেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহ সভাপতি (ভিপি) নুরুল হক নুর এ ব্যাপারে বলেন, আমি তার সঙ্গে কথা বলেছি। তাকে অমানবিকভাবে মারা হয়েছে। এমনকি হলের ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক উপস্থিত থেকে তাকে মারধর করেছে। তাকে হাসপাতালে নিতেও কেউ সাহস করেনি।

তিনি বলেন, আমরা আগে থেকেই বলে আসছি, হলে অছাত্র যারা থাকে তারাই নিয়মিত ছাত্রদের নির্যাতন করে। আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। একই সঙ্গে তার ন্যায়বিচার প্রাপ্তির জন্য আমাদের যা করা দরকার তাই করব।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

জুলাই ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« জুন    
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১