আকাশবার্তা ডেস্ক :
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, অতিপ্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘ফণী’ মোকাবিলায় ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কমিয়ে আনার লক্ষ্যে উপকূলীয় অঞ্চলের জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিভাগ সর্বোচ্চ সতর্ক ও প্রস্তুত রয়েছে। ফায়ার সার্ভিস, আনসার, পুলিশ, বিজিবিসহ সব বাহিনীকে প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২ মে) নিরাপদ ভবন নির্মাণ বিষয়ে মন্ত্রিসভা গঠিত কমিটির বৈঠক শেষে সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সাংবাকিদদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব তথ্য জানান।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘ঘূর্ণিঝড় ফণী আসছে বাংলাদেশের দিকে। এর তীব্রতা আগের থেকে আরও বেড়েছে। ৪ নম্বর সতর্কতা সংকেত থেকে এখন সাত নম্বর বিপদ সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। আমাদের প্রচেষ্টা থাকবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সর্বনিম্ন পর্যায়ে কমিয়ে আনা।’
মন্ত্রী বলেন, উপকূলের মানুষ প্রাকৃতিক দুর্যোগের সঙ্গে পরিচিত। তারাও দুর্যোগ মোকাবিলায় সচেতন রয়েছে। তাদের সঙ্গে সমন্বয় করে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কমিয়ে আনতে কাজ চলছে।
তিনি বলেন, ‘আবহাওয়া অধিদফতরের নির্ধারিত সময় অনুযায়ী বাংলাদেশে হয়তো আঘাত হানবে এই ঘূর্ণিঝড়। সেজন্য আমাদের কী কী প্রস্তুতি আছে সেই বিষয়গুলো নিয়ে আমরা আলোচনা করছি।’
তিনি বলেন, ফণীর প্রভাবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সর্বনিম্নে রাখতে প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। ফায়ারসার্ভিসসহ সংশ্লিষ্ট বিভাগ প্রস্তুত রয়েছে। ফায়ার সার্ভিস, আনসার, পুলিশ, বিজিবিসহ সব বাহিনীকে প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, উপকূলীয় জনগণের সেবায় যারা নিয়োজিত থাকে তারা অভিজ্ঞ এবং সাধারণ মানুষকে সেভ করতে পারবে বলে আমরা বিশ্বাস করি। নিরাপত্তাজনিত সচেতনতা নিয়ে প্রতিটি জেলায় সভা হচ্ছে। উপজেলাগুলোতেও সভা হচ্ছে এবং সবগুলো এলাকায় করণীয় সম্পর্কে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘ফায়ার সার্ভিস আমাদের প্রতিটি উপজেলায় রয়েছে। তাদেরকে প্রয়োজনীয় দিক-নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। আমাদের আজকের সভায় নিরাপত্তা বাহিনীর প্রতিনিধিরা উপস্থিত আছেন। সব বাহিনীকে দিক-নির্দেশনা দেয়া হবে। সকল আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর যথেষ্ট অভিজ্ঞতা রয়েছে।
তিনি আরও জানান, প্রয়োজন হলে দ্রুততম সময়ে মধ্যে বিভিন্ন বাহিনীর সদস্যরা মাঠে নামতে পারবেন। জেলা পুলিশ বিভিন্ন উপজেলাগুলোর সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছে বলে জানান তিনি।