শনিবার ৩০শে মে, ২০২৬ ইং ১৬ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা পরিষদের ভবনের স্থান পুনর্বিবেচনার দাবিতে মানববন্ধন সেনবাগে ইয়াবাসহ শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার লক্ষ্মীপুরে ১২শ’ পরিবারের মাঝে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা ঘোষণা : কফিল উদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে আনন্দ মিছিল চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা অনুমোদন : লক্ষ্মীপুরে আনন্দ মিছিল চন্দ্রগঞ্জে খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন চন্দ্রগঞ্জে যুবদলের কর্মী সম্মেলনে নুর হোসেন হারুন সভাপতি পদে এগিয়ে চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদলের কর্মী সম্মেলন কাল : সাধারণ সম্পাদক পদে লড়ছেন রিপন চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন কৃষকদলের ৫১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা গণমাধ্যম সপ্তাহের স্বীকৃতিসহ সাংবাদিকদের ১৪ দফা দাবি, কর্মসূচি ঘোষণা

আজ ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস

আকাশবার্তা ডেস্ক :

আজ ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস। এই দিনটিকে গণহত্যা দিবস হিসেবে গত ১১ মার্চ জাতীয় সংসদে স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, বিশ্বের দরবারে ২৫ মার্চকে গণহত্যা দিবস হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা করবেন। জাতিসংঘেও এই দিনকে গণহত্যা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেবার প্রস্তাব পাঠানো হচ্ছে। স্বাধীনতার ৪৬ বছর পার হওয়ার পর ২৫ মার্চকে গণহত্যার দিন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করেছে বাঙালি জাতি। এর পেছনে কাজ করেছে পাকিস্তানি বর্তমান শাসক ও পাকিস্তানের বিভিন্ন শ্রেণির লোকজনের আচরণ। বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন সূত্র ধরে তারা বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব বিরোধী কথাবার্তা বলে যাচ্ছে। অস্বীকার করে যাচ্ছে ৯ মাসের মহান মুক্তিযুদ্ধ। অস্বীকার করে যাচ্ছে তারা ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাত ১১ টা থেকে সকাল পর্যন্ত গণহত্যা চালিয়েছিলো। মাত্র একরাতে অর্ধ লক্ষ মানুষ হত্যা করেছিলো। ‘অপারেশন সার্চলাইট’ নাম দিয়ে সাড়ে সাত কোটি বাঙালিকে কামান-মেশিনগান-ট্যাংক দিয়ে হত্যা করে নদীমাতৃক বাংলাদেশের প্রতিটি নদ-নদীর জল রক্তে রঞ্জিত করে দিতে চেয়েছিলো।

অপারেশন সার্চলাইট (ইংরেজি : Operation Searchlight)। ১৯৭১সালে ২৫ মার্চ থেকে শুরু হওয়া পাকিস্তানী সেনাবাহিনী কর্তৃক পরিচালিত পরিকল্পিত গণহত্যা, যার মাধ্যমে তারা ১৯৭১ এর মার্চ ও এর পূর্ববর্তী সময়ে সংঘটিত বাঙালি জাতীয়তাবাদী আন্দোলনকে দমন করতে চেয়েছিল। এই গণহত্যা ছিল পশ্চিম পাকিস্তানী শাসকদের আদেশে পরিচালিত, যা ১৯৭০ এর নভেম্বরে সংঘটিত অপারেশন ব্লিটজ্‌ এর পরবর্তি অণুষঙ্গ। অপারেশনটির আসল উদ্দেশ্য ছিল ২৬ মার্চ এর মধ্যে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান এর (বর্তমান বাংলাদেশ) সব বড় বড় শহর দখল করে নেয়া এবং রাজনৈতিক ও সামরিক বিরোধীদের এক মাসের ভেতর নিশ্চিহ্ন করে দেয়া। বাঙালিরা তখন পাল্টা প্রতিরোধ সৃষ্টি করে, যা পাকিস্তানী পরিকল্পনাকারীদের ধারণার বাইরে ছিল। মে এর মাঝামাঝি সময়ে সকল বড় বড় শহরের পতন ঘটার মধ্যে দিয়ে অপারেশন সার্চলাইটের প্রধান অংশ শেষ হয়। এই সামরিক আক্রমণ ১৯৭১ সালের গণহত্যাকে ত্বরান্বিত করে। এই গণহত্যা বাঙালিদের ক্রুদ্ধ করে তোলে যে কারণে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর বাঙ্গালি সেনাপতি ও সৈনিকেরা বিদ্রোহ ঘোষণা করে, বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষিত হয় এবং বহু মানুষকে শরণার্থীরূপে ভারতে আশ্রয় নিতে হয়। এই ভয়াবহ গণহত্যা ১৯৭১ এর বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সূত্রপাত ঘটায় এবং বাঙালিরা দখলদারী পাকিস্তানী বাহিনীকে বিতারিত করার সংগ্রামে লিপ্ত হয় পরিণতিতে ১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দের ১৬ই ডিসেম্বর ভারত ও বাংলাদেশের যৌথ কমান্ড “মিত্র বাহিনী” এর কাছে পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর বিনাশর্তে আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হয়।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

মে ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« এপ্রিল    
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১