শুক্রবার ২৭শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ইং ১৫ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
লক্ষ্মীপুরে আগুনে পুড়ে ৯ দোকান ছাই, ৭৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি মানবিক ও নিরাপদ বাংলাদেশ গঠনে সবার সহযোগিতা চাই নবনির্বাচিত ২৯৭ সংসদ সদস্যের গেজেট প্রকাশ নির্বাচনে ভোটের বক্স নিয়ে যাবে নদীর দিকে, আশঙ্কা জেএসডি নেতার ইবাদত ও আত্মশুদ্ধির মহিমান্বিত রজনী-শবে বরাত জামায়াত ক্ষমতায় এলে দেশ পাকিস্তান হয়ে যাবে : ফজলুর রহমান লক্ষ্মীপুরে ৬ সিলসহ ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার : বিএনপি-জামায়াত প্রার্থীর পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলন যাদের জন্য দেশে আসতে পেরেছেন, তারা জুলাইয়ের অবদান অস্বীকার করছেন : ডা. শফিকুর রহমান লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে নিখোঁজের ৭দিন পর কলেজ ছাত্রের লাশ উদ্ধার লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে যৌথবাহিনীর অভিযানে অস্ত্রসহ শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘চিতা’ গ্রেপ্তার

আজ ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস

আকাশবার্তা ডেস্ক :

আজ ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস। এই দিনটিকে গণহত্যা দিবস হিসেবে গত ১১ মার্চ জাতীয় সংসদে স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, বিশ্বের দরবারে ২৫ মার্চকে গণহত্যা দিবস হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা করবেন। জাতিসংঘেও এই দিনকে গণহত্যা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেবার প্রস্তাব পাঠানো হচ্ছে। স্বাধীনতার ৪৬ বছর পার হওয়ার পর ২৫ মার্চকে গণহত্যার দিন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করেছে বাঙালি জাতি। এর পেছনে কাজ করেছে পাকিস্তানি বর্তমান শাসক ও পাকিস্তানের বিভিন্ন শ্রেণির লোকজনের আচরণ। বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন সূত্র ধরে তারা বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব বিরোধী কথাবার্তা বলে যাচ্ছে। অস্বীকার করে যাচ্ছে ৯ মাসের মহান মুক্তিযুদ্ধ। অস্বীকার করে যাচ্ছে তারা ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাত ১১ টা থেকে সকাল পর্যন্ত গণহত্যা চালিয়েছিলো। মাত্র একরাতে অর্ধ লক্ষ মানুষ হত্যা করেছিলো। ‘অপারেশন সার্চলাইট’ নাম দিয়ে সাড়ে সাত কোটি বাঙালিকে কামান-মেশিনগান-ট্যাংক দিয়ে হত্যা করে নদীমাতৃক বাংলাদেশের প্রতিটি নদ-নদীর জল রক্তে রঞ্জিত করে দিতে চেয়েছিলো।

অপারেশন সার্চলাইট (ইংরেজি : Operation Searchlight)। ১৯৭১সালে ২৫ মার্চ থেকে শুরু হওয়া পাকিস্তানী সেনাবাহিনী কর্তৃক পরিচালিত পরিকল্পিত গণহত্যা, যার মাধ্যমে তারা ১৯৭১ এর মার্চ ও এর পূর্ববর্তী সময়ে সংঘটিত বাঙালি জাতীয়তাবাদী আন্দোলনকে দমন করতে চেয়েছিল। এই গণহত্যা ছিল পশ্চিম পাকিস্তানী শাসকদের আদেশে পরিচালিত, যা ১৯৭০ এর নভেম্বরে সংঘটিত অপারেশন ব্লিটজ্‌ এর পরবর্তি অণুষঙ্গ। অপারেশনটির আসল উদ্দেশ্য ছিল ২৬ মার্চ এর মধ্যে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান এর (বর্তমান বাংলাদেশ) সব বড় বড় শহর দখল করে নেয়া এবং রাজনৈতিক ও সামরিক বিরোধীদের এক মাসের ভেতর নিশ্চিহ্ন করে দেয়া। বাঙালিরা তখন পাল্টা প্রতিরোধ সৃষ্টি করে, যা পাকিস্তানী পরিকল্পনাকারীদের ধারণার বাইরে ছিল। মে এর মাঝামাঝি সময়ে সকল বড় বড় শহরের পতন ঘটার মধ্যে দিয়ে অপারেশন সার্চলাইটের প্রধান অংশ শেষ হয়। এই সামরিক আক্রমণ ১৯৭১ সালের গণহত্যাকে ত্বরান্বিত করে। এই গণহত্যা বাঙালিদের ক্রুদ্ধ করে তোলে যে কারণে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর বাঙ্গালি সেনাপতি ও সৈনিকেরা বিদ্রোহ ঘোষণা করে, বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষিত হয় এবং বহু মানুষকে শরণার্থীরূপে ভারতে আশ্রয় নিতে হয়। এই ভয়াবহ গণহত্যা ১৯৭১ এর বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সূত্রপাত ঘটায় এবং বাঙালিরা দখলদারী পাকিস্তানী বাহিনীকে বিতারিত করার সংগ্রামে লিপ্ত হয় পরিণতিতে ১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দের ১৬ই ডিসেম্বর ভারত ও বাংলাদেশের যৌথ কমান্ড “মিত্র বাহিনী” এর কাছে পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর বিনাশর্তে আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হয়।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

ফেব্রুয়ারি ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« জানুয়ারি    
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮