শুক্রবার ২৪শে জুলাই, ২০২৬ ইং ৯ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
নবগঠিত চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার অস্থায়ী কার্যালয়ের উদ্বোধন লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে বিদেশি পিস্তল, গুলি ও মাদক সেবনের সরঞ্জাম উদ্ধার লক্ষ্মীপুরের শ্রেষ্ঠ উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার নির্বাচিত মাকছুদুর রহমান ভূঁইয়া ছোট ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে প্রাণ গেল বড় ভাইয়ের চন্দ্রগঞ্জে ১০০ পিস ইয়াবাসহ ৩ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার লক্ষ্মীপুরে সেরা ১০ উচ্চ বিদ্যালয়ের শীর্ষে প্রতাপগঞ্জ হাইস্কুল প্রতাপগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রীর অপহরণের চেষ্টার প্রতিবাদে মানববন্ধন, মহাসড়কে যানজট রায়পুরে একই পরিবারের ৩ জনকে কুপিয়ে হত্যা, দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বাংলাদেশ ২৪টি যুদ্ধবিমান কিনছে চীন থেকে সৌদি প্রবাসী শ্রমিকদের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ : আইনি ব্যবস্থার দাবি ভুক্তভোগীদের

পল্লী নিবাসেই শেষ ঘুমে এরশাদ

আকাশবার্তা ডেস্ক :

অবশেষে রংপুরে পল্লী নিবাসেই চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এবং সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। আজ মঙ্গলবার বিকেল ৫টা ৪৪ মিনিটে তার দাফন সম্পন্ন হয়।

সাবেক এ রাষ্ট্রপতিকে দাফন করার আগে বিকেল ৫টা ৪১ মিনিটে তার প্রতি শোক জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ গত রোববার ঢাকার সিএমএইচে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করার পর থেকেই তাকে দাফন করার স্থান নিয়ে নানামুখী বিতর্ক শুরু হয়। অবশেষে আজ মঙ্গলবার রংপুরে এরশাদের চতুর্থ ও শেষ জানাজার পর জাতীয় পার্টির পক্ষ থেকে নিজ বাসভবন পল্লী নিবাসেই এরশাদকে দাফন করার বিষয়টি চূড়ান্ত করা হয়।

জাতীয় পার্টির এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, রংপুরের মানুষের ভালোবাসার প্রতি শ্রদ্ধা রেখে রংপুরেই এইচএম এরশাদকে দাফন করার অনুমতি দিয়েছেন বেগম রওশন এরশাদ। পাশে রওশন এরশাদের জন্য কবরের জায়গা রাখার অনুরোধও করেছেন তিনি।

এর আগে এরশাদের মৃত্যুর দিন বনানী সামরিক কবরস্থানে তার দাফন সম্পন্ন হবে বলে জাতীয় পার্টির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল। তবে এরশাদের দাফন রংপুরে করার দাবিতে এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে আসছিল রংপুর জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীরা।

তার সাবেক স্ত্রী বিদিশাও রংপুরে দাফন করার পক্ষ নিয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছিল।

এরই মাঝে আজ দুপুর আড়াইটার দিকে রংপুর কালেক্টরেট মাঠে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের চতুর্থ ও শেষ জানাজা সম্পন্ন হয়। সেখানে লক্ষাধিক মানুষ জানাজায় শরিক হয়। জানাজার আগে থেকেই এরশাদের দাফন রংপুরে করার দাবিতে হট্টগাল শুরু করেন তারা।

জানাজার আগে বক্তৃতায় মেয়র মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা এই দাবি পুনরায় তোলেন। এরপর জি এম কাদের বক্তব্য শুরু করলে তার বক্তব্যের মাঝেই দাফনের বিষয়টি উল্লেখ করে শ্লোগান শুরু হয়। পরে বেলা ২টা ২৫মিনিটে এরশাদের নামাজে জানাজা শুরু হয়।

এরপর শত শত কর্মী এরশাদের মরদেহ বহনকারী গাড়িটি ঘিরে ধরে। তারা তাকে রংপুরে দাফন করার দাবি তুলেন। গাড়িটিতে ছিলেন মেয়র মোস্তাফিজ। ময়দানে মাইক থেকে তার প্রতি আহ্বান জানানো হয়, মরদেহ যেন রংপুর থেকে ঢাকায় না যায়। এ অবস্থায় বেলা তিনটার দিকে এরশাদের মরদেহ শহরে তার বাড়ি পল্লী নিবাসে নিয়ে যাওয়া হয়।

জাপা চেয়ারম্যান ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত রোববার সকাল ৭টা ৪৫ মিনিটে মারা যান। রক্তে হিমোগ্লোবিনের স্বল্পতা,ফুসফুসে সংক্রমণ ও কিডনির জটিলতায় ভুগছিলেন এরশাদ।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

জুলাই ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« জুন    
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১