আকাশবার্তা ডেস্ক :
শাস্তি দিয়ে নয় বরং সবার সহযোগিতার মাধ্যমেই কিশোর অপরাধ কমাতে হবে এমন মত বিশেষজ্ঞদের। এক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করতে হবে পরিবারকে। সে সঙ্গে স্মার্টফোন ও কম্পিউটার ব্যবহারে স্বজনদের নজরদারিও বাড়াতে হবে।
গেল কয়েকদিনে রাজধানীতে বেশ কয়েকজন কিশোরকে আটক করে সাজা দেয় র্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত। এসব কিশোর বিভিন্ন গ্যাংয়ের সদস্য এবং নানা অপরাধে জড়িত। প্রশ্ন আসে অভিযুক্ত কিশোরদের পরিবারের সদস্যরা নিজেদের সন্তানদের কর্মকাণ্ড সম্পর্কে কতটা সচেতন?
বিশেষজ্ঞরা বলছেন শাস্তি দিয়ে নয় বরং স্নেহ-মমতা আর নজরদারিতে রেখে তাদের সংশোধনের ব্যবস্থা করতে হবে। কাজটি শুরু করতে হবে পরিবার এবং স্কুল ও সমাজ থেকে। পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন কিশোররাই মূলত অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে। সে সঙ্গে খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে থাকাও তাদের মানসিকভাবে অপরাধপ্রবণ করে তুলছে।
তারা বলছেন সমস্যা সমাধানে জনপ্রতিনিধিদেরও এগিয়ে আসতে হবে। কিশোরদের সমাজের নানা কল্যাণমুখী কাজে উদ্বুদ্ধ করার মাধ্যমে সহজে অপরাধমুখী হওয়া থেকে সরিয়ে আনা সম্ভব বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।